img

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ

প্রকাশিত :  ১৬:৪৬, ১২ নভেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ১৮:১৯, ১২ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে দুটি ককটেল বিস্ফোরণ

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। আজ বুধবার (১২ নভেম্বর) রাত ৯টা ২০ মিনিটের দিকে এই ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছেন, টিএসসিতে গুম বিষয়ক একটি ডকুমেন্টারি প্রদর্শন চলছিল। এরমধ্যে ককটেল দুটি বিস্ফোরণের আওয়াজ শোনা যায়। ধারণা করা হচ্ছে, ককটেল দুটি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর থেকে ছুঁড়ে মারা হয়েছে।

এ বিষয়ে প্রক্টর সাইফুদ্দীন আহমেদ বলেন, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের ভেতর থেকে ককটেল মারা হয়েছে। আমরা একটা ভিডিও ফুটেজ পেয়েছি। তবে সেটি অস্পষ্ট।

তিনি বলেন, পুলিশ উদ্যানে অভিযান শুরু করেছে। আমরা নিরাপত্তা জোরদার করেছি।


img

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩১০ বাংলাদেশি

প্রকাশিত :  ১৩:৫২, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ৩১০ বাংলাদেশিকে। আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে—লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সম্ভাব্য সকলের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্যসমগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।