img

ভারতে উচ্ছেদের শিকার ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর

প্রকাশিত :  ০৬:২৯, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

ভারতে উচ্ছেদের শিকার ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর

ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) যশোরের বেনাপোল সীমান্ত পথে ১৫ বাংলাদেশিকে বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে । অবৈধভাবে ভারতে বসবাসের অভিযোগে তাদের বসতবাড়ি উচ্ছেদ করে ভারতীয় পুলিশ। 

গতকাল শনিবার (১৫ নভেম্বর) রাত ৯টার দিকে বেনাপোলের রঘুনাথপুর সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে এসব বাংলাদেশিদের ফেরত পাঠায় বিএসএফ।

পরে তাদের বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা হলেন- হোসেন আলী (২৫), হাফিজুর রহমান (৩১), বাবলুর রহমান (৪২), আব্দুল হান্নান (৬০), তাইজুল ইসলাম (৪৩), আমিনুর রহমান (৫৬), আব্দুল্লাহ আল মামুন (২৯)। আকলিমা খাতুন (৫২), শাহানারা খাতুন (১৫), রেশমা খাতুন (২৮), আজমিরা (০৫), তাহামিনা বেগম (৩০), জান্নাতুল বুশরা (০৪), নাসিমা খাতুন (৪১) ও শেফালী খাতুন (৩৬)। এদের বাড়ি সাতক্ষীরা ও খুলনা জেলার বিভিন্ন এলাকায়।

ফেরত আসা বাংলাদেশি হোসেন জানান, তারা কর্মসংস্থানের উদ্দেশে ৫ থেকে ৭ বছর আগে থেকে ভারতে গিয়ে বসবাস করছিলেন। সম্প্রতি ভারত সরকার এসআইআর চালু করায় অবৈধ বসবাসকারী বাংলাদেশিদের উচ্ছেদ অভিযান শুরু করে। এতে তাদের ঘরবাড়ি ভেঙে দিলে তারা দেশে ফিরতে বিএসএফের কাছে আত্মসমর্পণ করে। পরে বিএসএফ বিজিবির কাছে হস্তান্তর করে। 

ফেরত আসা বাংলাদেশিরা আরও জানান, যাদের ভোটার তালিকায় নাম নেই এমন সবাইকে উচ্ছেদ শুরু করেছে দেশটির প্রশাসন। ব্যাংকে হিসাবও বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। নিরুপায় হয়ে সবাই ফিরছেন।

বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তিদের জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্ম নিবন্ধন কার্ডসহ অন্যান্য নথিপত্র যাচাই-বাছাই করে তাদের বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে নিশ্চিত হওয়ায় রঘুনাথপুর বিওপি কর্তৃপক্ষ তাদেরকে বিএসএফের নিকট হতে গ্রহণ করে।

বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল আল মামুন জানান, ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বিজিবি সদস্যরা পুলিশের কাছে সোপর্দ করলে রাতেই তাদেরকে নিজ নিজ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

img

নিজের অস্ত্রের গুলিতে পুলিশ সদস্য নিহত

প্রকাশিত :  ০৮:৫৫, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

খুলনা রেলওয়ে পুলিশের এক সদস্য কর্তব্যরত অবস্থায় ‘নিজের অস্ত্রের গুলিতে’ নিহত হয়েছেন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভোরে নগরের সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার (দ্বিতীয় পর্যায়) খুলনা রেলওয়ে জেলা কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

মৃত কনস্টেবলের নাম সম্রাট বিশ্বাস (২৭)। তিনি গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার শৈলেন বিশ্বাসের ছেলে। পুলিশ বলছে, নিজের অস্ত্র দিয়ে মাথায় গুলি করে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

মৃত্যুর বিষয়টি খুলনা রেলওয়ে পুলিশের পুলিশ সুপার আহমেদ মাঈনুল হাসান নিশ্চিত করেছেন। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সম্রাট বিশ্বাস আজ ভোরে অস্ত্রাগার (ম্যাগাজিন গার্ড) এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। আনুমানিক ভোর সাড়ে ৪টা থেকে ৫টার মধ্যে নিজের ইস্যুকৃত চাইনিজ রাইফেল দিয়ে মাথায় গুলি করে আত্মহত্যা করেন তিনি।’

বাংলাদেশ এর আরও খবর