img

মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় মা ও ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত :  ০৭:৪০, ১৭ নভেম্বর ২০২৫

মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় মা ও ভাইকে কুপিয়ে হত্যা

কুমিল্লায় মাদক কারবারে বাধা দেওয়ায় মা ও ছোট ভাইকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বিল্লাল হোসেন নামে এক মাদক কারবারি। 

আজ সোমবার সকালে জেলার আদর্শ সদর উপজেলার সীমান্তবর্তী বসন্তপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।  

নিহতরা হলেন বসন্তপুর গ্রামের মৃত আজগর আলীর স্ত্রী রাহেলা বেগম (৬৫) ও তার ছোট ছেলে কামাল হোসেন (৩৫)। 

ঘটনার পর থেকে ঘাতক বিল্লাল হোসেন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় ঘাতকের স্ত্রী আকলিমা খাতুনকে আটক করেছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত বিল্লাল একজন মাদক কারবারি। তার বিরুদ্ধে থানায় মাদক আইনে মামলা রয়েছে।  

জানা যায়, সোমবার সকালে বিল্লাল হোসেন তার বাড়িতে মাদক নিয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় মাহফিল শেষ করে ছোট ভাই কামাল হোসেনও বাড়িতে আসেন। কামাল তার বড় ভাইকে মাদক নিয়ে বাড়িতে প্রবেশ না করতে নিষেধ করেন। এ নিয়ে দুই ভাইয়ের মধ্যে তর্কাতর্কি শুরু হয়। 

পরে বড় ভাই বিল্লাল তার ঘরে প্রবেশ করে ছুরি এনে ছোট ভাই কামালকে এলোপাতাড়ি ছুরিকাঘাত করে। এ ঘটনায় মা রাহেলা বেগম বাঁধা দিতে এলে তাকেও এলোপাতাড়ি কোপায়। 

এ ঘটনায় ঘটনাস্থলে কামাল নিহত হয়। পরে হাসপাতালে নেয়ার পথে মা রাহেলা বেগমও মারা যায়।

কোতয়ালী মডেল থানার ওসি মোঃ মহিনুল ইসলাম  জানান, এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লালের স্ত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। অভিযুক্ত বিল্লাল দীর্ঘদিন ধরে মাদক বিক্রি করছিলেন। তার ছোট ভাই মাদক ব্যবসায় বাঁধা দেয়ায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।  

নিহত দুজনের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া জমি সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে বলে জানান ওসি।

img

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন ৩১০ বাংলাদেশি

প্রকাশিত :  ১৩:৫২, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৫

লিবিয়া থেকে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে ৩১০ বাংলাদেশিকে। আজ শুক্রবার (৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টায় একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে তারা দেশে পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, তাদের বেশিরভাগই সমুদ্র পথে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার উদ্দেশ্যে মানবপাচারকারীদের প্ররোচনা ও সহযোগিতায় লিবিয়ায় অনুপ্রবেশ করে। অনেকে লিবিয়ায় বিভিন্ন সময় অপহরণ ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বিত উদ্যোগে—লিবিয়া সরকার ও আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহযোগিতায় বাংলাদেশিদের দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থার কর্মকর্তারা প্রত্যাবাসিত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিমানবন্দরে অভ্যর্থনা জানান। জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তাদের এই দুর্বিষহ অভিজ্ঞতা সম্ভাব্য সকলের সাথে বিনিময় করার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে তাদের অনুরোধ জানানো হয়। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার পক্ষ থেকে প্রত্যাবাসন করা প্রত্যেককে পথ খরচ, কিছু খাদ্যসমগ্রী ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের নিরাপদে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করতে মন্ত্রণালয়, লিবিয়ায় বাংলাদেশ দূতাবাস, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং আর্ন্তজাতিক অভিবাসন সংস্থা একসঙ্গে কাজ করছে।