img

‘খালেদা জিয়া খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে’

প্রকাশিত :  ০৯:১৩, ০১ ডিসেম্বর ২০২৫

‘খালেদা জিয়া খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে’

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান বলেছেন, খালেদা জিয়া ‘খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে’ চলে গেছেন। গতকাল রোববার রাত থেকে খালেদা জিয়া এ অবস্থায় গেছেন বলে তিনি জানান।

আজ সোমবার বেলা পৌনে দুইটার দিকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে ব্রিফিং করে আহমেদ আজম খান এ কথা জানান।

আজম খান বলেন, ‘গতকাল রাত থেকে ম্যাডাম খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে চলে গেছেন। ফাইট করছেন তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসার জন্য। এখনো অবস্থা ক্রিটিক্যাল আছে। বলবার মতো কোনো কন্ডিশনে এখনো তিনি আসেন নাই। সারা জাতির কাছে দোয়া চাওয়া ছাড়া আর কিছু বলা নেই।\'

বিএনপি নেতা আরও বলেন, \'বর্তমানে খালেদা জিয়া ভেন্টিলেশন সাপোর্টে আছেন। সিসিউ থেকে আইসিউ, এরপরে ভেন্টিলেশন বা লাইফ সাপোর্ট - যাই বলেন। আমি এগুলোর বাইরে বলব যে, ম্যাডাম খুব ক্রিটিক্যাল কন্ডিশনে আছেন।\'

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় আমেরিকা এবং ইংল্যান্ডের চিকিৎসকেরা যুক্ত ছিলেন। এখন চীনের চিকিৎসকেরাও যুক্ত হয়েছেন বলে জানান আজম খান। তিনি বলেন, \'সবাই মিলে ক্লান্তিহীনভাবে চেষ্টা করছেন। বাদ বাকি আল্লাহ ভরসা।\'

এক সপ্তাহ ধরে হাসপাতালে শয্যাশায়ী খালেদা জিয়া। তাঁর লিভারজনিত সংকট, কিডনির কর্মক্ষমতা হ্রাস, শ্বাসকষ্টসহ একাধিক শারীরিক জটিলতা একসঙ্গে দেখা দিয়েছে।

২৩ নভেম্বর রাতে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসকেরা জানান, তাঁর ফুসফুসে সংক্রমণ হয়েছে। এর মধ্যে বৃহস্পতিবার বিএনপির মহাসচিব বলেন, বিএনপির চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা ‘অত্যন্ত সংকটজনক’। পরদিন তিনি বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা নেই খালেদা জিয়ার।

বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা সীমান্তে পৃথক অভিযানে ৭০ লক্ষাধিক টাকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে বিজিবি

প্রকাশিত :  ১৩:২০, ১২ এপ্রিল ২০২৬

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন (৬০ বিজিবি) দায়িত্বপূর্ণ ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও কুমিল্লা জেলার সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে ৭০ লক্ষাধিক টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করেছে।

অদ্য ১২ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধীনস্থ বিভিন্ন বিওপির টহলদল ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার গোসাইস্থল, কাজিয়াতলী, চন্ডিদার, কসবা, মঈনপুর, মাদলা ও খাদলা এলাকা এবং কুমিল্লা জেলার ব্রাহ্মণপাড়া, বুড়িচং ও আদর্শ সদর উপজেলার সালদানদী, শশীদল, শংকুচাইল ও খারেরা সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক অভিযান পরিচালনা করে।

উক্ত অভিযানে ভারতীয় শাড়ি, বাজি, জিরা, বাসমতি চাল, ফুসকা, চিংড়ি মাছের রেণু, জনসন বেবি পাউডার, সাবান, রেডবুল এনার্জি ড্রিংকস, মশার কয়েল এবং অকটেনসহ বিভিন্ন প্রকার ভারতীয় অবৈধ মালামাল জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব মালামালের আনুমানিক সিজারমূল্য ৭০,০৪,১২০/- (সত্তর লক্ষ চার হাজার একশত বিশ) টাকা।

জব্দকৃত মালামালসমূহ যথাযথ আইনানুগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট কাস্টমস অফিসে জমা প্রদানের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এ ব্যাপারে সুলতানপুর ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এস এম শরিফুল ইসলাম, এএসসি জানান, “বিজিবি হবে সীমান্তের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীক\"- বিজিবি মহাপরিচালকের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নে সুলতানপুর ব্যাটালিয়ন সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি চোরাচালান প্রতিরোধে সর্বদা তৎপর রয়েছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি ও আভিযানিক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।