img

সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন কাইয়ুম চৌধুরী

প্রকাশিত :  ০৫:৫২, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৩৯, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হলেন কাইয়ুম চৌধুরী

সিলেট সিটি করপোরেশন প্রশাসক নিয়োগ পেয়েছেন জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী। গতকাল রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে সরকার। এরপর সিলেটটের বিভাগীয় কমিশনারকে প্রশাসক নিয়োগ করা হয়।

কাইয়ুম চৌধুরী গত সংসদ নির্বাচনে সিলেট-৩ আসনে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী ছিলেন। তবে দল থেকে মনোনঢয়ন দেওয়া হিনি। পরে সিলেটের ৬ টি আসনে বিএনপির নির্বাচনী সমন্বয়কের দায়িত্ব পান তিনি।

রোববার জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সিলেটে আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মো. আব্দুস সালাম আর মো. শফিকুল ইসলাম খানকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও খুলনা সিটি করপোরেশনে নজরুল ইসলাম মঞ্জু, নারায়ণগঞ্জে মো. সাখাওয়াত হোসেন খান এবং গাজীপুর সিটি করপোরেশনের প্রশাসক হয়েছেন মো. শওকত হোসেন সরকার।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৪ এর ধারা ২৫ক এর উপধারা (১) এর অনুবৃত্তিক্রমে তাদের করপোরেশন গঠিত না হওয়া পর্যন্ত অথবা পরবর্তী আদেশ না দেওয়া পর্যন্ত তাদের নামের পাশে বর্ণিত সিটি করপোরেশনের পূর্ণকালীন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

আরও উল্লেখ করা হয়, নিয়োগকৃত প্রশাসকগণ সিটি করপোরেশনের মেয়রের ক্ষমতা প্রয়োগ ও দায়িত্ব পালন করবেন। তারা বিধি মোতাবেক ভাতা পাবেন। জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

হবিগঞ্জে জমির বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষে কলেজ ছাত্র নিহত, আহত অন্তত ২০

প্রকাশিত :  ১১:৩৭, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জ উপজেলাস্থ বেগমপুর গ্রামে সরকারী জমি দখলকে কেন্দ্র করে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে মঞ্জুর মিয়া (২৩) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

নিহত মঞ্জুর মিয়া ওই গ্রামের খলিলুর রহমানের ছেলে এবং নবীগঞ্জ সরকারি ডিগ্রি কলেজের বিএ প্রথম বর্ষের ছাত্র।

রবিবার (১৯ এপ্রিল) সকালে উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বেগমপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মৃত আব্দুল হাসিমের ছেলে খলিলুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে সরকারী জমিতে বসবাস করে আসছিলেন। একই গ্রামের হেলাল মিয়া ও মনিরুজ্জামান ওই জমি নিজেদের দখলে নেওয়ার চেষ্টা করলে দীর্ঘদিন ধরে দুই পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলছিল।

এরই ধারাবাহিকতায় রবিবার সকালে হেলাল ও মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে একদল লোক দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে জমি দখলের চেষ্টা চালালে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। সংঘর্ষে মঞ্জুর মিয়াসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। আহতদের নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মঞ্জুর মিয়াকে মৃত ঘোষণা করেন।

আহতদের মধ্যে রয়েছেন সাফি মিয়া (৩২), মুজিবুর রহমান (৩২), শামিম মিয়া (৫০), মামুন মিয়া (৩১), জুনেদ মিয়া (২৮), রুহেল মিয়া (৩৮), ইমন মিয়া (১৭), কাউছার মিয়া (২২), জুয়েল আহমেদ (৩২)সহ আরও অনেকে। বাকিরা বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা নিয়েছেন।

খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

নিহতের বাবা খলিলুর রহমান অভিযোগ করেন, প্রায় ৫০ বছর ধরে তারা ওই জমিতে বসবাস করে আসছেন। প্রতিপক্ষ জোরপূর্বক উচ্ছেদের চেষ্টা চালিয়ে আসছিল এবং ঘটনার দিন ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে হামলা চালিয়ে তার ছেলেকে হত্যা করা হয়।

এ বিষয়ে থানার ওসি (তদন্ত) দুলাল মিয়া জানান, সরকারী জমি নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধের জেরে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখেছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর