img

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রবাসী সংঘের বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ০৭:৫১, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১১:১৪, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জগন্নাথপুর উপজেলা প্রবাসী সংঘের বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

 জগন্নাথপুর উপজেলা প্রবাসী সংঘের উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য ইফতার মাহফিল ও আলোচনা সভা গতকাল মঙ্গলবার, ২৪শে ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে ওল্ডহ্যামের ​গ্র্যান্ড ভেন্যু ব্যাঙ্কুয়েটিং হলে  অনুষ্ঠিত হয়েছে।

​সংগঠনের সভাপতি জনাব ফজলুল হক সাহেবের সভাপতিত্বে এবং দেওয়ান মহসিন উদ্দিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করেন সংগঠনের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা লিয়াকত আলী।

​অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিনিধি এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সরব উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়:

​প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ওল্ডহ্যাম কাউন্সিলের মেয়র কাউন্সিলর এডি মুর, টেমসাইড কাউন্সিলের মেয়র কাউন্সিলর শিবলী আলম, ওয়ারিংটন কাউন্সিলের মেয়র কাউন্সিলর মোয়াজ্জেম হোসেন এবং ব্রিটিশ-বাংলাদেশি সাবেক হাইকমিশনার আনোয়ার চৌধুরী।

​বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ওল্ডহ্যাম কাউন্সিলের ডেপুটি লিডার কাউন্সিলর আব্দুল জব্বার, ওয়ারিংটন কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র, ওল্ডহ্যামের মেয়রের কনসোর্ট ক্যাথ মুর, টেমসাইড মেয়রের কনসোর্ট খায়রুল ইসলাম এবং ম্যানচেস্টারস্থ বাংলাদেশ অ্যাসিস্ট্যান্ট হাইকমিশনের প্রতিনিধি সাজ্জাদ হোসেন।

​অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: সৈয়দ মুজিবুর রহমান (উপদেষ্টা, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি); নাজমুল ইসলাম (চেয়ারম্যান, ওল্ডহ্যাম বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন ও সভাপতি, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি); কাউন্সিলর আব্দুল মালিক এবং কাউন্সিলর মন্তাজ আলী আজাদ; সেতু চৌধুরী (চেয়ারম্যান, TV21), সুহেল মিয়া (ট্রেজারার, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি), শাহজাহান আহমেদ (গভর্নর, ওল্ডহ্যাম হসপিটাল)।

​বিভিন্ন প্রবাসী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মুবাশ্বির আলী (নবীগঞ্জ এডুকেশন ট্রাস্ট), শামীম আহমেদ (বানিয়াচুং ওয়েলফেয়ার), শাহ তাজুল ইসলাম (বিশ্বনাথ এডুকেশন ট্রাস্ট), জিলুল আহমেদ (জিএসসি নর্থ ওয়েস্ট) সহ আরও অনেকে।

​জগন্নাথপুর উপজেলা প্রবাসী সংঘের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন--

উপদেষ্টা: হাজী সুরুক মিয়া, হাজী আব্দুল কাদির, হাজী ঈসমাইল হোসাইন ও শফিক মিয়া।

​সহ-সভাপতিবৃন্দ: আফাজ উদ্দিন, আজিজুর রহিম মিছবা, মমিন আহমেদ, আব্দুল হাকিম, আনহার মিয়া ও ইলিয়াস আহমেদ।

​সম্পাদকমণ্ডলী: বদরুল ইসলাম রফু, দবির মিয়া, গোলাম রব্বানি, আনা মিয়া, আবু জুয়েল (সহ-সাধারণ সম্পাদক), খলিলুর রহমান লিক্সন (সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক), হেলাল আহমেদ (সহ-কোষাধ্যক্ষ) প্রমুখ।

​অনুষ্ঠানটি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে প্রচার করেন চ্যানেল এস-এর শামীম আহমেদ, PBTV-এর ইসলাম উদ্দিন ও বশির আহমেদ, আই ওয়ান টিভির মিজানুর রহমান এবং এনটিভি-র মুবাশ্বির মিয়া।

​অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে দরুদ ও বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা লিয়াকত আলী। ইফতারের মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর