প্রকাশিত :
০৭:০৯, ০৬ মার্চ ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১০:১৬, ০৬ মার্চ ২০২৬
ইসরাইলের তেল আবিবসহ আরও কয়েকটি এলাকায় জোরালো বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বলেছে, আজ শুক্রবার (৬ মার্চ) তাদের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’–এর ২১তম ধাপের অংশ হিসেবে তেল আবিবের দিকে খেইবার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
এক প্রতিবেদনে ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা রয়টার্স বলছে, শুক্রবার সকালে ইরান থেকে ছোড়া একাধিক রকেট প্রতিহত করার চেষ্টা চালায় ইসরাইলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। এই সময় আকাশে বাধা দেওয়ার (ইন্টারসেপ্ট) চেষ্টার মধ্যেই বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।
এই বিস্ফোরণের শব্দ তেল আবিবসহ ইসরাইলের বিভিন্ন এলাকায় শোনা গেছে।
ইরান জানিয়েছে, তারা তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলকে লক্ষ্য করে হামলা চালাচ্ছে।
আইআরজিসির তথ্যানুসারে,শুক্রবার তাদের ‘অপারেশন ট্রু প্রমিস ৪’-এর ২১তম ধাপের অংশ হিসেবে তেল আবিবের দিকে খেইবার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এই নতুন হামলার ধাপ শুরু হয়েছে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের সমন্বিত অভিযানের মাধ্যমে, যার লক্ষ্য ছিল তেল আবিবের কেন্দ্রস্থলের বিভিন্ন স্থাপনা।
রিপাবলিকানরা জিতলে মার্কিনিদের ১ ট্রিলিয়ন ডলার দেবেন ট্রাম্প
প্রকাশিত :
০৬:১৮, ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে সক্ষম হলে দেশটির প্রত্যেক প্রাপ্তবয়স্ক নাগরিককে ৫ হাজার ডলার করে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নির্বাচনে রিপাবলিকানদের জয় নিশ্চিত হলে এই অর্থ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
স্থানীয় সময় বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) টেক্সাসের ডালাসে রিপাবলিকান পার্টির মধ্যবর্তী নির্বাচনী সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে শেষ বক্তব্যে এ ঘোষণা দেন তিনি।
এই অর্থকে তিনি ‘ট্রাম্প ডিভিডেন্ড’নামে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, ‘রিপাবলিকানরা জিতলে আপনারাও আমাদের সঙ্গে জিতবেন এবং ৫ হাজার ডলার পাবেন। এর নাম হবে ট্রাম্প ডিভিডেন্ড।’
তবে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কমপক্ষে ১ ট্রিলিয়ন ডলার প্রয়োজন হতে পারে। ফলে আর্থিক ও রাজনৈতিক—দুই দিক থেকেই প্রস্তাবটি বাস্তবায়ন কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।
এই অর্থ কোথা থেকে আসবে, সে বিষয়েও বিস্তারিত কিছু বলেননি ট্রাম্প। শুধু বলেছেন, ‘আমাদের দেশ প্রচুর অর্থ আয় করছে।’
নভেম্বরের নির্বাচনে রিপাবলিকানরা ডেমোক্র্যাটদের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—দুই কক্ষেই নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখবে বলে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন ট্রাম্প।
সমর্থকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের বলছি, ধরে নিন আমিও ব্যালটে আছি।’
এরপর তিনি আবারও বলেন, ‘আমি ব্যালটে আছি, আমি ব্যালটে আছি—আরেকবারের জন্য।’
সাম্প্রতিক জনমত জরিপগুলোতে ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার হার ৩০ শতাংশের দিকে নেমে এসেছে। একই সঙ্গে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি এবং ইরানের সঙ্গে শুরু করা যুদ্ধ নিয়ে ভোটারদের অসন্তোষও বাড়ছে।
ডিসিশন ডেস্ক এইচকিউর পূর্বাভাস অনুযায়ী, নভেম্বরে প্রতিনিধি পরিষদে ডেমোক্র্যাটরা ২৩০-২০৫ আসনে জয় পেতে পারে। আর সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের পক্ষে ৫১-৪৯ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতার পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
বক্তব্যে ট্রাম্প বারবার ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রসঙ্গ তোলেন। এমনকি এই যুদ্ধ মার্কিন অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে বলেও পরোক্ষভাবে স্বীকার করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা ভালোই করছিলাম।’
এরপর অর্থনৈতিক উপদেষ্টাদের কাছে গিয়ে বলেন,‘আমি এটা করতে চাই না তবে ইরান সম্ভবত আর দুই-তিন সপ্তাহের মধ্যে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সক্ষমতা অর্জন করতে পারত তাই সংঘাতে জড়ানো প্রয়োজন ছিল।’
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির নাম নিজের নামে পরিবর্তন করার প্রস্তাবও দেন ট্রাম্প। একই সঙ্গে ইরানের বিরুদ্ধে বিজয়ের পর তেলের দাম কমবে বলে দাবি করেন তিনি।
ট্রাম্প বলেন, ‘খাদ্যসহ প্রায় সব পণ্যের দাম দ্রুত কমছে। আর ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে আমরা জিতলেই তেলের দাম কমে যাবে।’
এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তও সমর্থন করেন তিনি। ট্রাম্পের দাবি, এতে সাময়িক অর্থনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হলেও দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল পাওয়া যাবে।