img

শারীরিক অবস্থার উন্নতি, মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর

প্রকাশিত :  ১৩:৪০, ০৩ এপ্রিল ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:২৩, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

শারীরিক অবস্থার উন্নতি, মির্জা আব্বাসকে কেবিনে স্থানান্তর

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা মির্জা আব্বাস । শারীরিক অবস্থার উন্নতি হওয়ায় তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৩ এপ্রিল) ভোরে তাকে হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিট (সিসিইউ) থেকে তাকে কেবিনে স্থানান্তর করা হয়েছে। বর্তমানে চিকিৎসকদের পরামর্শে তিনি সবার সঙ্গে সীমিতভাবে কথা বলছেন।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি জানান, গত ১৫ মার্চ উন্নত চিকিৎসার জন্য মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। এরপর থেকে তিনি সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অবস্থার উন্নতি হওয়ায় শুক্রবার ভোরে তাকে সিসিইউ থেকে কেবিনে নেওয়া হয়েছে।

ট্রাক উল্টে নিহত ১৫

img

‘আমার চাচা, চাচাতো ভাই-বন্ধুরা সবাই মারা গেছে’

প্রকাশিত :  ০৭:৪৫, ২৫ মে ২০২৬

ঢাকা-টাঙ্গাইল যমুনা সেতু মহাসড়কের সরাতৈল এলাকায় রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ঝড়ে গেলে ১৫ প্রাণ। নিমেষেই শেষ হয়ে গেলে তাদের পরিবারের সঙ্গে ঈদ ভাগ করে নেওয়ার আনন্দ।

আজ সোমবার (২৫ মে) ভোর ৪টার দিকে মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের ১৫ জনের মধ্যে ৬ জনের নাম-পরিচয় পাওয়া গেছে। তারা হলেন- নওগা জেলার মান্দা উপজেলার রাজেন্দ্র বাড়ি এলাকার সাকিম মিয়ার ছেলে সাগর মিয়া, একই এলাকার শহিদুল ইসলামের ছেলে রবিউল ইসলাম, রাজশাহীর তানুর উপজেলার বাতানপুর এলাকার আলতাফ হোসেনের ছেলে ইসমাইল হোসেন, চাপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের নজরুল, মামুন, নওগাঁর নেয়ামতপুর মালঞ্চী এলাকার সাইদুলের ছেলে সারিকুল।

পুলিশ ও স্থানীয়রা, ভোর ৪টার দিকে রডসহ যাত্রীবোঝাই করে একটি ট্রাক উত্তরবঙ্গের দিকে যাচ্ছিল। পথে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সরাতৈল দক্ষিণপাড়া এলাকায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে উল্টে যায় ট্রাকটি। এতে ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে ১৫ জন নিহত ও ৬ জন আহত হয়েছেন। মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে নেওয়া হয়েছে।

ট্রাক থেকে বেঁচে ফেরা নওগা জেলার মান্দা উপজেলার রাব্বানি বলেন, চট্টগ্রামের অলংকার থেকে সন্ধ্যার দিকে রওনা হই। ট্রাকের মধ্যে কেউ জেগে ছিল, কেউ ঘুমিয়ে ছিল। আমি নিজেও ঘুমিয়ে ছিলাম। ভোরে যখন দুর্ঘটনা হয়, আমি ছিটকে পড়ে যাই। আমার চাচা, চাচাতো ভাই ও বন্ধুরা সবাই মারা গেছে। আমি হকারের কাজ করে বাড়ি ফিরছিলাম।

স্থানীয় বুলবুল সরকার বলেন, ভোরে এই দুর্ঘটনা ঘটে। শব্দ শোনার পর সবাই ঘটনাস্থলে আসি। এমন দুর্ঘটনা কখনো দেখিনি। এক সঙ্গে ১৫ জন নিহত হয়েছে।

টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (গােপালপুর সার্কেল) ফৌজিয়া হাবিব খান বলেন, আজ ভোরে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে ১৫ জন নিহত হয়েছেন।তারা সবাই উত্তরবঙ্গগামী যাত্রী ছিলেন। আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি যে, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকটি পড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়।মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করছি।

বাংলাদেশ এর আরও খবর