img

টাওয়ার হ্যামলেটসে লাইসেন্স ছাড়া এইচএমও পরিচালনা: ভাড়াটিয়ারা পেলেন ৩১ হাজার পাউন্ডের বেশি ক্ষতিপূরণ

প্রকাশিত :  ১৯:৩৪, ২৭ এপ্রিল ২০২৬

টাওয়ার হ্যামলেটসে লাইসেন্স ছাড়া এইচএমও পরিচালনা: ভাড়াটিয়ারা পেলেন ৩১ হাজার পাউন্ডের বেশি ক্ষতিপূরণ

বেথনাল গ্রিনে একটি শেয়ার করা ফ্ল্যাটে বসবাসকারী পাঁচজন ভাড়াটিয়া মোট ৩১ হাজার পাউন্ডেরও বেশি ভাড়া ফেরত পাওয়ার আদেশ পেয়েছেন, কারণ ফার্স্ট-টিয়ার ট্রাইব্যুনাল সিদ্ধান্তে এসেছে যে দীর্ঘ সময় ধরে ওই সম্পত্তিটি লাইসেন্সবিহীন হাউস ইন মাল্টিপল অকুপেশন (এইচএমও) হিসেবে পরিচালিত হচ্ছিল।

৬ মার্চ ২০২৬ তারিখে দেওয়া রায়ে ট্রাইব্যুনাল জানায়, হাউজিং এ্যাক্ট ২০০৪–এর অধীনে মিও রিয়েল এস্টেট লিমিটেড অপরাধ করেছে, কারণ তারা টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের অতিরিক্ত এইচএমও লাইসেন্সিং স্কিমের আওতায় প্রয়োজনীয় লাইসেন্স ছাড়াই ছয় বেডরুমের একটি শেয়ার করা ফ্ল্যাট পরিচালনা করেছে।

ট্রাইব্যুনাল প্রতিটি ভাড়াটিয়ার পরিশোধিত ভাড়ার ৭০ শতাংশ ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেয়, যা আইনভঙ্গের গুরুত্ব এবং বাড়িওয়ালার আচরণকে প্রতিফলিত করে। এছাড়াও ৭৭৭ পাউন্ড ট্রাইব্যুনাল ফি ফেরত দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে।

মামলাটি সম্পর্কিত ফ্ল্যাট ৫, প্যারিস হাউস, ওল্ড বেথনাল গ্রিন রোড, ই২–এর একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ গ্রাউন্ড ফ্লোর ফ্ল্যাটকে ঘিরে, যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে কমপক্ষে ছয়জন অসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি একসঙ্গে বসবাস করতেন এবং যৌথ সুবিধা ব্যবহার করতেন।

টাওয়ার হ্যামলেটসে এপ্রিল ২০১৯ থেকে অতিরিক্ত এইচএমও লাইসেন্সিং চালু রয়েছে, যার আওতায় দুই বা ততোধিক পরিবারভুক্ত তিন বা তার বেশি ব্যক্তি বসবাস করলে সম্পত্তির লাইসেন্স থাকা আবশ্যক। যদিও বাড়িওয়ালা স্বীকার করেছেন যে সম্পত্তিটির লাইসেন্স প্রয়োজন ছিল, তবুও সেপ্টেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত কোনো আবেদন করা হয়নি, যা ভাড়াটিয়ারা বাসা ছেড়ে যাওয়ার পর এবং কাউন্সিলের এনফোর্সমেন্ট কার্যক্রম শুরুর অনেক পরে।

ট্রাইব্যুনাল সেই দাবি গ্রহণ করেনি যে কোম্পানিটি কেবল ফ্রি-হোল্ডারের পক্ষে কাজ করছিল। বরং রায়ে বলা হয়, মিও রিয়েল এস্টেট লিঃ–ই ভাড়াটিয়াদের তাৎক্ষণিক বাড়িওয়ালা, কারণ তারা লিজ গ্রহণ করেছিল, ভাড়াটিয়াদের সঙ্গে চুক্তি করেছিল এবং ভাড়া সংগ্রহ করেছিল।

যদিও ট্রাইব্যুনাল মেনে নেয় যে কোম্পানিটি ইচ্ছাকৃতভাবে আইন ভাঙেনি, তবুও বিচারক স্পষ্ট করেন যে এটি কোনোভাবেই “যৌক্তিক অজুহাত” নয়। রায়ে বলা হয়, যারা ভাড়া ব্যবসা পরিচালনা করে তাদের লাইসেন্সিং সংক্রান্ত দায়িত্ব সম্পর্কে অবগত থাকা উচিত, বিশেষ করে এমন একটি এলাকায় যেখানে বহুদিন ধরে অতিরিক্ত লাইসেন্সিং স্কিম কার্যকর রয়েছে।

ভাড়া ফেরতের পরিমাণ নির্ধারণের সময় ট্রাইব্যুনাল বাড়িওয়ালার দুর্বল আচরণও বিবেচনায় নেয়, যার মধ্যে ভাড়াটিয়াদের ডিপোজিট সঠিকভাবে সুরক্ষিত না রাখার প্রমাণ অন্তর্ভুক্ত ছিল।

এই রায় নিশ্চিত করে যে লাইসেন্সিংয়ের দায়িত্ব শুধু ফ্রি-হোল্ডারের ওপর নয়, বরং যারা বাস্তবে সম্পত্তি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করে তাদের ওপর বর্তায়। যারা ভাড়া চুক্তি দেয় এবং ভাড়া সংগ্রহ করে, তাদেরই আইন মেনে চলার দায় রয়েছে, ব্যবস্থা যেভাবেই বর্ণনা করা হোক না কেন।

ভাড়াটিয়াদের জন্য এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে রেন্ট রিপেমেন্ট অর্ডার (আরআরও) এখনো একটি শক্তিশালী হাতিয়ার, বিশেষ করে যখন বাড়িওয়ালারা মৌলিক আইনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন।

রেন্ট রিপেমেন্ট অর্ডারের মাধ্যমে ভাড়াটিয়া বা স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আইনভঙ্গের ক্ষেত্রে, যেমন লাইসেন্সবিহীন এইচএমও পরিচালনা - সর্বোচ্চ দুই বছরের ভাড়া ফেরত দাবি করতে পারে। ফলে এটি আইন প্রয়োগ ও ভাড়াটিয়াদের সরাসরি ক্ষতিপূরণ পাওয়ার একটি কার্যকর উপায়।

টাওয়ার হ্যামলেটসে কাউন্সিল সরাসরি ভাড়াটিয়াদের আরআরও দাবি করতে সহায়তা করে, যাতে তারা ট্রাইব্যুনাল প্রক্রিয়া বুঝতে পারে এবং শক্ত মামলা উপস্থাপন করতে পারে। এই সহায়তা কার্যক্রম শুরুর পর থেকে, কাউন্সিল ভাড়াটিয়াদের জন্য মোট £১,৩১৭,৪৮৩.০৯ উদ্ধার করতে সহায়তা করেছে। এর মধ্যে:

£৮৮০,৬৪০.৬৯ অতিরিক্ত লাইসেন্সিং স্কিমের মাধ্যমে

£৩৯৮,০৪৭.৪০ সিলেকটিভ লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে

£৩৮,৭৯৫ বাধ্যতামূলক HMO লাইসেন্সিংয়ের মাধ্যমে উদ্ধার হয়েছে।

টাওয়ার হ্যামলেটস এমন কয়েকটি কাউন্সিলের মধ্যে একটি, যারা ভাড়াটিয়াদের জন্য এ ধরনের হাতেকলমে সহায়তা প্রদান করে। অধিকাংশ অন্যান্য কর্তৃপক্ষ এ ধরনের মামলা বাহ্যিক পরামর্শ সেবার কাছে পাঠিয়ে দেয়।

এই রায় এমন এক সময়ে এসেছে, যখন সরকার রেন্টারস‘ রাইটস্ এ্যাক্ট  কার্যকর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে, যার লক্ষ্য বেসরকারি রেন্টালমার্কেটের মানোন্নয়ন, আইন প্রয়োগ জোরদার করা এবং আইন ভাঙলে ভাড়াটিয়াদের জন্য আরও স্পষ্ট প্রতিকার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের হাউজিং ও রিজেনারেশন বিভাগের কর্পোরেট ডিরেক্টর ডেভিড জয়েস বলেন: “এই ফলাফল প্রমাণ করে যে ভাড়াটিয়াদের কখনোই অনিরাপদ বা অবৈধ বাসস্থান মেনে নিতে হয় না। যেখানে বাড়িওয়ালারা তাদের আইনি দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হন, সেখানে কাউন্সিল ব্যবস্থা নেবে এবং বাসিন্দাদের সেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে সহায়তা করবে। ভাড়াটিয়াদের অধিকার আরও শক্তিশালী হওয়ার এই সময়ে, এই মামলা স্পষ্ট করে দেয় যে টাওয়ার হ্যামলেটসে আমরা আমাদের এনফোর্সমেন্ট ক্ষমতা ব্যবহার করেই যাব।”


 

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

লন্ডনে মেডিসিন অধ্যয়নে আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদের দক্ষতা অর্জনের দিনব‍্যাপী বিশেষ শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

প্রকাশিত :  ২০:২১, ১২ মে ২০২৬

লন্ডনে মেডিসিন অধ্যয়নে আগ্রহী ছাত্র-ছাত্রীদের বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের জন‍্য দিনব‍্যাপী বিশেষ শিক্ষামূলক প্রশিক্ষণ অনুষ্টিত হয়েছে।  মেডিস্পুনের আয়োজনে গত রবিবার ইস্ট লন্ডনের কমার্শিয়াল রোডের এক্সেল  টিউটর এ কর্মশালা অনুষ্টিত হয়। এই কর্মশালার মাধ‍্যমে স্বপ্নের ডাক্তার হওয়ার পথে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিলো MEDISPOON LAUNCHPAD । গতকালের প্রশিক্ষনে অংশ নেন ইয়ার-৯ থেকে ইয়ার- ১২ এর শতাধিক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। যাদের সবার লক্ষ্য একটাই, ভবিষ্যতে ডাক্তার হওয়া। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলা এই ফ্রি ইভেন্টে মেডিকেল স্কুলে ভর্তির বিভিন্ন ধাপ নিয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়।

MEDISPOON হলো যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি বিশেষজ্ঞ UCAT প্রস্তুতি প্ল্যাটফর্ম, যা NHS ডাক্তার ও অভিজ্ঞ শিক্ষাবিদদের মাধ্যমে পরিচালিত। বিশেষভাবে যুক্তরাজ্যের মেডিকেল স্কুলে আবেদনকারী শিক্ষার্থীদের জন্য। প্ল্যাটফর্মটিতে রয়েছে ৫০ হাজারেরও বেশি অনুশীলনী প্রশ্ন, ৩৫০টির বেশি ভিডিও লেসন, মক পরীক্ষা, ইন্টারভিউ প্রস্তুতি এবং অ্যানালিটিক্স ড্যাশবোর্ড এবং সমন্বিত ইন্টারভিউ প্রস্তুতি, সবকিছু একটি সংযুক্তপ্ল্যাটফর্মে। কিন্তু মেডিস্পুনকে সবচেয়ে আলাদা করে তোলে এরমিশন।। মেডিস্পুনের প্রতিষ্ঠাতা আনিস জামানের সভাপতিত্বে ও মেডিস্পুনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইমন আহমেদের পরিচালনায় বক্তব‍্য রাখেন, ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ক্লিনিক্যাল লেকচারার ডা. মনজুর শওকত, অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. ক্রিস ইমাফিডন এবং প্রফেসর জোনাথন ওমানি। ইভেন্ট অংশগ্রহণকারী মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান, মিনারা সুলতানা প্রমূখ।

মেডিস্পুনের প্রতিষ্ঠাতা আনিস জামান বলেন,

\"আমরা বিশ্বাস করি, ডাক্তার হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হওয়া উচিত পরিশ্রমআর নিষ্ঠার উপর ভিত্তি করে, পরিবারের আর্থিক সামর্থ্য বা কোনস্কুলে পড়েছ তার উপর নয়। MEDISPOONসেই বিশ্বাস থেকেই জন্মনিয়েছে।\"

এই বিশ্বাসের প্রতিফলন দেখা যায় মেডিস্পুনের প্রতিটি সিদ্ধান্তে। ফ্রিস্কুল মিলস (FSM) শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্ল্যাটফর্মঅ্যাক্সেস। এবং সবচেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে, মেডিকেল স্কুলে ভর্তির পরসম্পূর্ণ সাবস্ক্রিপশন ফি ফেরত — যুক্তরাজ্যে এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়াএকমাত্র UCAT প্ল্যাটফর্ম এটি।

দিনটি ছিল পুরোপুরি প্যাকড। ৫০ জন ইয়ার ১২-এর শিক্ষার্থী, ৮০জন ইয়ার ৯ থেকে ১১-এর শিক্ষার্থী এবং তাদের অভিভাবকেরা মিলেএকটি প্রাণবন্ত পরিবেশ তৈরি করেছিলেন।

ইম্পেরিয়াল কলেজ লন্ডনের ক্লিনিক্যাল লেকচারার ডা. মনজুরশওকত শিক্ষার্থীদের সামনে তুলে ধরলেন মেডিকেল স্কুলে ভর্তিরবাস্তব চিত্র। A-লেভেলে A*A*A*-এর লক্ষ্যমাত্রা, UCAT স্কোরেরগুরুত্ব, MMI ইন্টারভিউ প্রস্তুতি এবং কার্যকর ওয়ার্ক এক্সপেরিয়েন্সেরপথ — সবকিছু নিয়ে তিনি দিলেন সরাসরি ও বাস্তবভিত্তিক পরামর্শ।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ডা. ক্রিস ইমাফিডন এবংপ্রফেসর জোনাথন ওমানির উপস্থিতি ইভেন্টটিকে এক অনন্য মাত্রাদিয়েছিল। কিংস কলেজ লন্ডন, ইম্পেরিয়াল এবং UCL-এর বর্তমানমেডিকেল শিক্ষার্থীরা MMI মক ইন্টারভিউ পরিচালনা করলেন এবংপার্সোনাল স্টেটমেন্ট পর্যালোচনা করলেন। তারা নিজেরা যে পথপেরিয়ে এসেছেন, সেই পথের আলো ছড়িয়ে দিলেন পরের প্রজন্মেরকাছে।

ইভেন্ট শেষে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মুখে ছিল সন্তুষ্টির ছাপ।

মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান বললেন, \"UCAT এবং মেডিকেল ক্ষেত্রসম্পর্কে অনেক দরকারি তথ্য ও সাহায্য পেয়েছি। অত্যন্ত সহায়কছিল।\"

মিনারা সুলতানা বললেন, \"ইয়ার ১২-এর শিক্ষার্থীদের মেডিকেলস্কুলে আবেদনের প্রস্তুতির জন্য অনেক ব্যবহারিক সম্পদসহ অত্যন্তসুসংগঠিত একটি ইভেন্ট।\"

দীপান্নিতা হক জানালেন, \"মেডিসিনে আবেদনের পুরো যাত্রা সম্পর্কেঅত্যন্ত তথ্যবহুল ছিল।\"

ইভেন্টে MEDISPOON তিনটি বড় ঘোষণা দেয় যা উপস্থিত সকলকেউৎসাহিত করে।

মেডিস্পুনের লাইফটাইম মেন্টরড প্ল্যান, যার স্বাভাবিক মূল্য £৭৯৫, সেটি মাত্র £২৯৯-তে ১০০ জন শিক্ষার্থীর জন্য অফার করা হয়। এই১০০টি স্পট দিনের মধ্যেই সম্পূর্ণ নেওয়া হয়ে যায়। এছাড়াওআনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয় MEDISPOON রেফারেল প্রোগ্রাম — যেখানে কোনো শিক্ষার্থী বন্ধুকে রেফার করলে উভয়পক্ষই বিশেষসুবিধা পাবেন। এবং সকল উপস্থিত অংশগ্রহণকারী পানমেডিস্পুনের সকল প্ল্যানে ৫০% বিশেষ ছাড়।

দিন শেষে যখন শিক্ষার্থীরা বাড়ি ফিরছিল, তখন তাদের হাতে ছিলঅংশগ্রহণের সার্টিফিকেট, মনে ছিল নতুন আত্মবিশ্বাস এবং চোখেছিল আরও স্পষ্ট স্বপ্ন।

মেডিস্পুনের সহ-প্রতিষ্ঠাতা ইমন আহামেদ বলেন,

\"আজকের এই ইভেন্ট আমাদের কাছে শুধু একটি দিন নয়। এটিপ্রমাণ করে যে সঠিক সুযোগ পেলে আমাদের কমিউনিটির প্রতিটিশিক্ষার্থী ডাক্তার হওয়ার যোগ্য। MEDISPOONসেই সুযোগ তৈরিকরতে প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে।\"

MEDISPOON LAUNCHPAD ছিল কেবল একটি শুরু। যুক্তরাজ্যেরবাংলাদেশি ও দক্ষিণ এশীয় কমিউনিটির পরবর্তী প্রজন্মের ডাক্তারেরাআজ এক ধাপ এগিয়ে গেছেন তাদের স্বপ্নের দিকে।

কমিউনিটি এর আরও খবর