img

বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া

প্রকাশিত :  ১৬:০৭, ০৬ মে ২০২৬

বাসের পর এবার বাড়ল লঞ্চের ভাড়া

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর কারণে বাসের পর এবার বাড়ানো হয়েছে লঞ্চের ভাড়াও। একজন যাত্রীর লঞ্চ ভাড়া কম দূরত্বে প্রতি কিলোমিটারে ১৮ পয়সা ও বেশি দূরত্বে ১৪ পয়সা বেড়েছে। কম দূরত্বে লঞ্চের ভাড়া ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ ও বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে।

গতকাল মঙ্গলবার (৫ মে) লঞ্চের ভাড়া বাড়িয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়।

লঞ্চভাড়া প্রথম ১০০ কিলোমিটার পর্যন্ত দূরত্বের জন্য বর্তমান ভাড়া ২ টাকা ৭৭ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ৯৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা শতাংশের হিসেবে ৬ দশমিক ৪৯ শতাংশ বৃদ্ধি। অন্যদিকে, ১০০ কিলোমিটারের বেশি দূরত্বের ক্ষেত্রে প্রতি কিলোমিটারের ভাড়া ২ টাকা ৩৮ পয়সা থেকে ৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ বাড়িয়ে ২ টাকা ৫২ পয়সা করা হয়েছে। 

নতুন ভাড়া মঙ্গলবার (৫ মে) থেকেই কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন (নৌরুট, পারমিট, সময়সূচি ও ভাড়া নির্ধারণ) বিধিমালা, ২০১৯’-এর ২৭ বিধি অনুযায়ী সরকার নৌযানে যাত্রী পরিবহনের জন্য জনপ্রতি সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন যাত্রী ভাড়া পুনর্নির্ধারণ করেছে।

এর আগে গত ১৮ এপ্রিল জ্বালানি তেলে অকটেন, পেট্রল, কেরোসিনের দাম বাড়ানোর ঘোষণা দেয় সরকার। জ্বালানি তেলের নতুন দাম ১৯ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে কার্যকর হয়। এরপরই গণপরিবহনের ভাড়া বাড়াতে তৎপর হয়ে ওঠেন মালিক ও শ্রমিকরা। দফায় দফায় সরকারের সঙ্গে মিটিং করেন তারা।

পরে গত ২৩ এপ্রিল ডিজেলচালিত বাস ও মিনিবাসের ভাড়া প্রতি কিলোমিটারে ১১ পয়সা বাড়ানোর ঘোষণা দেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ওইদিনই ভাড়া বাড়িয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ থেকে এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। ওইদিন থেকে কার্যকর হয় নতুন ভাড়া।

 


img

একনেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন

প্রকাশিত :  ১১:১৫, ১৩ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ২০:১২, ১৩ মে ২০২৬

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) প্রায় ৩৬ হাজার ৬৯৫ কোটি ৭২ লাখ টাকা ব্যয়ে ৯টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে। তন্মধ্যে প্রায় ৩৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ‘পদ্মা ব্যারেজ’ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার (১৩ মে) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত একনেক বৈঠকে প্রকল্পটির অনুমোদন দেওয়া হয়। 

সরকারি সূত্রে জানানো হয়, ১৯৬০-এর দশক থেকেই ফরিদপুর, খুলনা, বরিশাল ও রাজশাহী অঞ্চলের নদী, কৃষি ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের দাবি ওঠে। পরে ১৯৭৫ সালে ফারাক্কা বাঁধ চালুর পর পদ্মা নদীর পানিপ্রবাহ কমে যাওয়ায় বিষয়টি আরও গুরুত্ব পায়।

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিএনপি। সরকার গঠনের পর সেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে বড় অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই অনুমোদনকে।

বৈঠক শেষে ব্রিফিংয়ে শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী জানান, সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে প্রাথমিকভাবে পাঁচ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে দেশের ২৪টি জেলার প্রায় সাত কোটি মানুষ সরাসরি উপকৃত হবে।

ভারতের সঙ্গে এ বিষয়ে কোনো আলোচনা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা ব্যারেজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়। তবে গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তি নবায়নে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কমিশন কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও জানান, আগামী বাজেট ঘোষণার পরই পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।


অর্থনীতি এর আরও খবর