img

মার্কিন হামলায় ২ ভারতীয় নাবিক নিহত, একজন নিখোঁজ

প্রকাশিত :  ০৮:২২, ১১ জুন ২০২৬

মার্কিন হামলায় ২ ভারতীয় নাবিক নিহত, একজন নিখোঁজ

গালফ অব ওমানে চলাচলরত তেলবাহী ট্যাঙ্কার এম/টি সেত্তেবেলোয় মার্কিন বাহিনীর হামলায় দুই ভারতীয় নাবিক নিহত হয়েছেন। আরও একজন এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। ভারতীয় নাবিকদের সংগঠন ফরওয়ার্ড সীমেনস ইউনিয়ন অফ ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক মনোজ যাদব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। খবর আল-জাজিরার।

নিহত দুই নাবিক হলেন আদিত্য শর্মা এবং শিবানন্দ চৌরাসিয়া। ট্যাঙ্কারটির প্রধান প্রকৌশলী পাটনালা সুরেশ এখনও নিখোঁজ রয়েছেন।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, জাহাজটিতে মোট ২৪ জন ভারতীয় নাবিক ছিলেন। তাঁদের মধ্যে ২১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনার পর ভারত সরকার যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক জেসন মিকসকে তলব করে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে এবং নিখোঁজ নাবিকদের সন্ধানে দ্রুত পদক্ষেপের আহ্বান জানিয়েছে।

অন্যদিকে, সেন্টকম দাবি করেছে, তারা নির্ভুল হামলা চালিয়ে ট্যাঙ্কারটির ইঞ্জিন কক্ষ অকার্যকর করে দেয়। তাদের অভিযোগ, জাহাজটি ইরানি তেল বহন করছিল এবং মার্কিন বাহিনীর নির্দেশনা মানতে ব্যর্থ হয়েছিল।

ঘটনাটি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ তৈরি করেছে। ভারত সরকার এ ধরনের হামলাকে উদ্বেগজনক বলে উল্লেখ করে দ্রুত উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

আদ-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিল

প্রকাশিত :  ১১:২৮, ১১ জুন ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১২:৩৪, ১১ জুন ২০২৬

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় স্বাস্থ্যকেন্দ্রটির লাইসেন্স বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এ ঘোষণা দেন।

ঈদের আগের দিন বুধবার সকালে মগবাজারে আদ-দ্বীন হাসপাতালের পোস্ট ডেলিভারি ওয়ার্ডে ছটফট করতে করতে একে একে ছয় নবজাতক মারা যায়।

এ ঘটনায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় গঠিত তদন্ত কমিটি তাদের প্রতিবেদনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের ‘অবহেলার’ প্রমাণ পাওয়ার কথা বলেছে।

গত ২৭ মে ভোরে হাসপাতালটির পোস্ট-অপারেটিভ ওয়ার্ডে ভর্তি থাকা ছয় নবজাতক কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে মারা যায়। ঘটনার পর স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি উচ্চপর্যায়ের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করে। 

কমিটির প্রতিবেদনে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা, পরিবেশগত অব্যবস্থাপনা এবং দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক ও নার্সদের গাফিলতির একাধিক দিক উঠে আসে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ওই ওয়ার্ডটি নবজাতক ও অস্ত্রোপচার-পরবর্তী রোগীদের জন্য উপযুক্ত ছিল না; পর্যাপ্ত আলো-বাতাসের অভাব ছিল এবং এসি ব্যবস্থাও অপ্রতুল ও অনিয়মিতভাবে পরিচালিত হতো। 

তদন্তে আরও বলা হয়, ঘটনার সময় ওয়ার্ডে দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো চিকিৎসক উপস্থিত ছিলেন না এবং গুরুতর অবস্থার পরও সময়মতো চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়নি।

তদন্ত প্রতিবেদনে নবজাতকদের শারীরিক অবস্থা জন্মের পর সুস্থ ছিল বলে উল্লেখ করা হয়। পাশাপাশি বলা হয়, প্রসব-পরবর্তী জটিলতার জন্য বিশেষ চিকিৎসা বা ইনকিউবেটরের প্রয়োজনীয়তা ছিল না। তবে হঠাৎ শারীরিক অবস্থার অবনতি হলেও যথাযথ চিকিৎসা ও জরুরি ব্যবস্থা গ্রহণে ঘাটতি ছিল বলে তদন্তে উঠে আসে। 

একই সঙ্গে হাসপাতালের কাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, পর্যাপ্ত তত্ত্বাবধানের অভাব এবং প্রশাসনিক ত্রুটির কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।