img

বিশ্বকাপ জুড়ে বিতর্কে ফিফা সভাপতি

প্রকাশিত :  ১৬:৩৬, ১৬ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ জুড়ে বিতর্কে ফিফা সভাপতি

বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার সভাপতি জিয়ানি ইনফান্তিনো। তবে ২০২৬ বিশ্বকাপ শুরুর আগেই একের পর এক বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছেন তিনি, যা টুর্নামেন্টকে ঘিরে নতুন করে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দিয়েছে।

তার ফিফা সভাপতি নির্বাচন এখনো প্রশ্নের মুখে। বারবার তার বিরুদ্ধে ওঠে আর্থিক দুর্নীতি-পক্ষপাতের অভিযোগ। তবে এসবের মাঝেও তিনি নিজের জায়গায় অনড়। সফলভাবে ২০২২ বিশ্বকাপ আয়োজন করেছেন।

২০২৬ বিশ্বকাপও শেষের দিকে। যদিও এই বিশ্বকাপে নানা বিতর্কে প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছেন তিনি।

যেভাবে আমেরিকার বিভিন্ন বিদ্বেষমূলক আচরণ এবং ডোনাল্ড ট্রাম্পের একগুয়েমি চোখ বুজে সহ্য করে গিয়েছেন তিনি। যা আলোড়ণ তুলেছে বিশ্বজুড়ে।

কখনো ফুটবলারদের সঙ্গে বাজে আচরণ। ইরান ফুটবলারদের আমেরিকায় বেশিক্ষণ থাকতে না দেওয়া। রেফারিকে ঢুকতে না দেওয়া, এমন নানা অভিযোগে বিদ্ধ হয়েছেন তিনি। সেই সঙ্গে রয়েছে রেফারিং এবং ভিএআর বিতর্ক।

চলতি বিশ্বকাপে ফিফা সভাপতির সবচেয়ে দৃষ্টিকটু বিতর্কটা ছিল আমেরিকার ফুটবলার বালোগুনের লাল কার্ড বাতিল।

অভিযোগ সরাসরি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে আমেরিকার ওই স্ট্রাইকারের লাল কার্ড বাতিল করেছেন ফিফা সভাপতি। ওই সিদ্ধান্ত নিয়ে বিতর্কের জেরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফিফা সভাপতির বিরুদ্ধে তদন্তও চেয়েছে। যদিও ফিফার সাফ দাবি, ওই সিদ্ধান্ত নিয়েছে ফিফার বিচার বিভাগ। সেটার সঙ্গে সভাপতির কোনো সম্পর্ক নেই।

অবশ্য বিতর্ক শুধু বিশ্বকাপে নয়। ফিফা সভাপতি হওয়া নিয়েও ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে। প্রাক্তন উয়েফা সভাপতি মিশেল প্লাতিনি অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালে তাঁকে ফিফা সভাপতি হতে অনৈতিকভাবে বাধা দেওয়া হয়েছিল। ইনফান্তিনোসহ পাঁচ ফুটবল কর্তার বিরুদ্ধে জোড়া মামলা করেছেন প্রাক্তন কিংবদন্তি ফুটবলার।

সেপ ব্লাটারের পরবর্তী ফিফা সভাপতি হিসেবে প্লাতিনিকেই এগিয়ে রাখা হয়েছিল। কিন্তু ব্লাটারের একটি আর্থিক লেনদেনের সঙ্গে প্লাতিনির নাম জড়িয়ে তাঁকে ২০১৬ সালে ফিফা সভাপতি হতে বাধা দেওয়া হয়। ২০১৫ সালে ফিফার এথিক্স কমিটি প্লাতিনিকে আট বছরের জন্য নির্বাসনে পাঠায়। ফলে তাঁর ফিফা সভাপতি হওয়া হয়ে ওঠেনি। প্লাতিনি মনে করছেন তাঁকে বাধা দেওয়ার মানুষকে কৌশলে নেতৃত্ব দিয়েছেন বর্তমান ফিফা সভাপতি ইনফান্তিনো।

জিয়ানি ইনফান্তিনোর মূল বার্ষিক বেতন ২৬ লাখ সুইস ফ্রাঁতে অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে ২০২৫ সালে তাঁর বার্ষিক বোনাস এক ধাক্কায় ৩৩ শতাংশ বেড়েছে। আগে যা ছিল ১৬.৫ লক্ষ সুইস ফ্রাঁ, এখন তা দাঁড়িয়েছে ২২ লক্ষে। অর্থাৎ শুধু বোনাস বাবদই বৃদ্ধি পেয়েছে ৫.৫ লক্ষ সুইস ফ্রাঁ। এ ছাড়া তিনি ২৪ হাজার সুইস ফ্রা অনুদান হিসাবে পান।

ফিফা সভাপতির বেতন বাড়ল কেন? আসলে গত বছর ক্লাব বিশ্বকাপে দারুন সাফল্য পেয়েছে ফিফা। সে কারণেই বেতন বৃদ্ধি ইনফান্তিনোর। আসলে ক্লাব বিশ্বকাপ এবং আমেরিকার মাটিতে চলতি বিশ্বকাপে বিরাট রোজগার বেড়েছে ফিফার। সে কারণেই ইনফান্তিনোর বেতন ৩৩ শতাংশ বেড়েছে বলে খবর।

খেলাধূলা এর আরও খবর

খুলনাকে হারিয়ে প্রথম জয়ের স্বাদ নিল সিলেট

img

লামিন ইয়ামালের প্রেমিকা কে এই ইনেস গার্সিয়া?

প্রকাশিত :  ১৬:৫১, ১৬ জুলাই ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:০২, ১৬ জুলাই ২০২৬

স্পেন জাতীয় দলের উদীয়মান তারকা লামিন ইয়ামাল বিশ্বকাপের ফাইনালে মাঠে নামতে যাচ্ছেন। তার এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে গ্যালারিতে উপস্থিত থেকে সমর্থন জানাবেন প্রেমিকা ইনেস গার্সিয়া সান্তোস, যিনি ইনেস গার্সিয়া নামেই বেশি পরিচিত।

বিশ্বকাপে নিজের প্রথম গোল করার পর DAZN-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইয়ামাল বলেন, এই গোলটি আমি আমার মা, আমার প্রেমিকা, আমার বন্ধুদের এবং মাতারোতে থাকা সবাইকে উৎসর্গ করছি।

স্প্যানিশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পরিচিত মুখ ইনেস গার্সিয়া সম্প্রতি তার ২১তম জন্মদিন উদযাপন করেছেন। অন্যদিকে ইয়ামাল ১৯ বছরে পা রেখেছেন। জানা যায়, তাদের পরিচয় হয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের মাধ্যমে।

চলতি বছরের শুরুতে গ্রিসে একসঙ্গে ছুটি কাটানোর সময় তাদের সম্পর্ক নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়। পরে মে মাসে এফসি বার্সেলোনার একটি নৈশভোজে প্রথমবারের মতো তারা প্রকাশ্যে একসঙ্গে উপস্থিত হন।

সম্পর্ক নিয়ে ইনেস বলেন, মানুষ আমাদের একসঙ্গে দেখতে শুরু করে যখন আমরা গ্রিসে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমি লামিনেকে তারও অনেক আগে থেকে চিনি। তিন বছর না হলেও, মানুষ যতটা ভাবছে তার চেয়ে অনেক বেশি সময় ধরে আমাদের পরিচয়।

তিনি আরও বলেন, আমরা সম্পর্ককে সময় দিয়েছি। একে অপরের সঙ্গে দেখা করার আগে দীর্ঘ সময় ধরে আমরা কথা বলেছি।

ইনেস গার্সিয়া সম্পর্কে অনলাইনে খুব বেশি তথ্য পাওয়া যায় না। তবে তার ইনস্টাগ্রাম বায়োতে তিনি নিজেকে স্পেনের সেভিল শহরের বাসিন্দা হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেই পরিচয়

তাদের প্রথম পরিচয় সম্পর্কে ইনেস বলেন, আপনারা হয়তো কোনো নিখুঁত বা সিনেমার মতো প্রেমের গল্প আশা করছেন। কিন্তু সত্যিটা হলো—৩, ২, ১... সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম!

সম্পর্ক প্রকাশ্যে আসার পর থেকে তিনি বিশ্বকাপে স্পেনের প্রতিটি ম্যাচে নিয়মিত উপস্থিত থেকেছেন এবং ইয়ামালের জার্সি পরেই গ্যালারিতে দেখা গেছে তাকে।

ইনেস নিজেকে জাস্টিন বিবারের ভক্ত হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইমে জাস্টিন বিবার পারফর্ম করবেন—এমন ঘোষণা আসার পর তিনি নিজের স্টোরিতে স্প্যানিশ ভাষায় লেখেন, ‘প্রিয়, ফাইনালে ওঠার জন্য যা যা দরকার সবই করো। শুনছ তো? যা লাগে করো।’ 

এ ছাড়া ইয়ামাল ও ইনেসকে বার্সেলোনায় অনুষ্ঠিত ব্যাড বানির একটি কনসার্টেও একসঙ্গে দেখা গেছে।

ফরাসি সাময়িকী Woman Madame Figaro-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ইনেস বলেন, আমি ভ্রমণ করতে ভালোবাসি, কিন্তু উড়োজাহাজে চড়তে খুব ভয় পাই। দুটি বিষয় আসলে একসঙ্গে যায় না। তবে আমি ধীরে ধীরে সেই ভয় কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছি। এই গ্রীষ্মে স্পেন ও বিদেশে বেশ কয়েকটি ভ্রমণের পরিকল্পনা রয়েছে, যা সবাই দেখতে পাবেন।

খেলাধূলা এর আরও খবর