img

হাসপাতালে সাড়ে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং

প্রকাশিত :  ০৬:৪২, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাসপাতালে সাড়ে ৫ ঘণ্টা লোডশেডিং

বরিশালের নগরীর মধ্যভাগে অবস্থিত ১০০ শয্যার সরকারি জেনারেল হাসপাতালটি। বিদ্যুৎ বিভাগ ওই এলাকার ফিডারের নাম দিয়েছে ‘সদর হাসপাতাল ফিডার’। প্রতিদিন এ হাসপাতালে শতাধিক রোগী ভর্তি থাকেন, আর বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসেন আরও কয়েকশ রোগী। গত শনিবার রাত ১২টা থেকে রোববার রাত ১২টা পর্যন্ত হাসপাতালটিতে ছয়বার লোডশেডিং হয়েছে। সব মিলিয়ে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা বিদ্যুৎহীন ছিল হাসপাতালটি। অথচ কর্মকর্তাদের দাবি, মানবিক কারণে ‘সদর হাসপাতাল ফিডারে’ সবচেয়ে কম লোডশেডিং দেওয়া হয়।

ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বরিশাল বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের আওতাধীন পলাশপুর গ্রিড সাব-স্টেশন থেকে ‘সদর হাসপাতাল ফিডার’ নিয়ন্ত্রিত হয়। সাব-স্টেশনের লোডশেডিংয়ের তথ্য লেখার খাতা ঘেঁটে দেখা গেছে, শনিবার রাত ১২টা থেকে সোমবার বিকেল ৩টা পর্যন্ত– এই ৩৯ ঘণ্টায় মোট ৯ বার সদর হাসপাতাল ফিডারে লোডশেডিং দেওয়া হয়েছে। ৯ বারে মোট সাত ঘণ্টা ৪০ মিনিট হাসপাতালটি বিদ্যুৎহীন ছিল। তার মধ্যে এক ঘণ্টা করে লোডশেডিং হয়েছে ছয়বার এবং অপর তিনবার ছিল ৪৫ মিনিট, ৩৮ মিনিট ও ১৭ মিনিট করে। এই ৩৯ ঘণ্টার হিসাবের মধ্যে শনিবার রাত ২টা ৪০ মিনিট থেকে ৩টা ৪০ মিনিট এবং রোববার রাত ২টা ৪৯ মিনিট থেকে ৩টা ৩৫ মিনিট পর্যন্ত হাসপাতালে বিদ্যুৎ ছিল না।

সদর হাসপাতালের ফিডারে ৩৯ ঘণ্টায় ৭ ঘণ্টা ৪০ মিনিট লোডশেডিং দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করে পলাশপুর সাব-স্টেশন বোর্ড অ্যাটেনডেন্ট (এসবিএ) আবু জাফর মো. সালেহ বলেন, ‘শুধু হাসপাতালটির জন্য মানবিক কারণে আমরা সদর হাসপাতাল ফিডারে সবচেয়ে কম লোডশেডিং দিই। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের এ নির্দেশনা দিয়েছেন।’ 

সোমবার দুপুর আড়াইটায় সদর হাসপাতালে ঢুকে দেখা যায়, তখন সেখানে লোডশেডিং চলছে। ভাদ্রের ভ্যাপসা গরমে রোগীরা হাঁসফাঁস করছেন। স্বজনরা হাতপাখায় বাতাস করছেন। ডায়রিয়া ওয়ার্ড নামে পরিচিত টিনশেড ভবনে ঢুকে দেখা যায়, কয়েকটি শয্যায় সাদা মশারির ভেতর ডেঙ্গু রোগী রাখা হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এ হাসপাতালের একমাত্র জেনারেটর বহু বছর ধরে বিকল হয়ে আছে। এ কারণে বিদ্যুৎ বন্ধ হলে বিকল্প ব্যবস্থা হলো মোমবাতি ও হাতপাখা।

এ প্রসঙ্গে সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা মলয় কৃষ্ণ বড়াল বলেন, বিকল জেনারেটরটি করোনা মহামারির সময়ে সচলের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে প্রকৌশলীরা জানিয়েছেন, এটি আর সচল করা হবে না। লোডশেডিংয়ের সময় আইপিএস দিয়ে অস্ত্রোপচার কক্ষ সচল রাখা হয়।

ওজোপাডিকোর বরিশাল বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাপনায় নগরী ও আশপাশ এলাকাকে মোট ৩৮টি ফিডারে ভাগ করা হয়েছে। ফিডারগুলো নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সাতটি সাব-স্টেশন। পলাশপুর সাব-স্টেশনের আওতাধীন সাতটি ফিডার হচ্ছে– সদর রোড, চকবাজার, সদর হাসপাতাল, আমানতগঞ্জ, পোর্টরোড, তালতলী ও এমইপি। 

নগরের প্রাণকেন্দ্র সদর রোড ও গির্জামহল্লা এলাকা নিয়ে হলো সদর রোড ফিডার। চকবাজার নগরের বড় বিপণিকেন্দ্র। সদর হাসপাতাল ফিডারে সরকারি হাসপাতাল ছাড়াও বরিশাল কেন্দ্রীয় কারাগার রয়েছে। পোর্ট রোডে পাইকারি মৎস্য মোকাম। হাটখোলায় অবস্থিত দেশের অন্যতম বিদ্যুৎসামগ্রী উৎপাদনকারী কারখানার এমইপির জন্য রয়েছে নির্দিষ্ট একটি ফিডার।

এসবিএ মো. মাসুম জানান, পলাশপুর স্টেশনে বিদ্যুতের চাহিদা পিক সময়ে ১৭ মেগাওয়াট এবং অফপিকে ১৫ মেগাওয়াট। কিন্তু কখনও ৯ থেকে সাড়ে ৯ মেগাওয়াটের বেশি সরবরাহ পান না। এ জন্য স্টেশনের সাতটি ফিডারের মধ্যে সার্বক্ষণিক কমপক্ষে তিনটিতে লোডশেডিং চলে। মাঝেমধ্যে চারটিতেও দিতে হয়। 

সদর রোড ফিডারের তথ্য ঘেঁটে দেখা গেছে, শনিবার রাত ১২টা থেকে সোমবার রাত সোয়া ৮টা পর্যন্ত ৪৪ ঘণ্টায় ১১ বার লোডশেডিং হয়েছে। রোববার রাত ১২টা থেকে হিসাব অনুযায়ী রাত ১২টা থেকে ২টা ১০ মিনিট, সোমবার বেলা সোয়া ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ২৫ মিনিট, দুপুর ১টা ৩৫ থেকে ২টা ৩৫ মিনিট, ৩টা থেকে সাড়ে ৩টা, বিকেল ৫টা ৪৫ থেকে ৬টা ৪৫ এবং সন্ধ্যা ৭টা ২০ থেকে রাত ৮টা ২০ পর্যন্ত লোডশেডিং দেওয়া হয়েছে। অথচ এই ফিডার এলাকায় সবচেয়ে বেশি ব্যাংক ও অন্যান্য বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান রয়েছে। 

পলাশপুর সাব-স্টেশনে দায়িত্ব পালন করেন তিনজন এসবিএ আবু সালেহ মো. জাফর, মো. মাসুম ও মোশারফ হোসেন। তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লোডশেডিং নিয়ে তারা জনরোষের শিকার হওয়ার আতঙ্কে থাকেন। প্রায় ১৫ দিন আগে রাত আড়াইটার দিকে লোডশেডিং দেওয়া হলে পলাশপুর এলাকার কয়েকশ বাসিন্দা গিয়ে স্টেশনে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সদর রোডে নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মসূচি ও ভিআইপিদের নানা কর্মসূচি থাকায় এ ফিডারে লোডশেডিং দিতে তাদের নানা হিসাব-নিকাশ করতে হয়। 

আবার মানবিক অনেক আবেদনও রাখতে হয় জানিয়ে মো. মাসুম জানান, কয়েক দিন আগে গভীর রাতে হাসপাতাল ফিডারে লোডশেডিং দেওয়ার পরই একজন স্বজন ফোন দিয়ে জানান, রোগীকে অক্সিজেন দেওয়া হচ্ছে। বিদ্যুৎটা খুব প্রয়োজন। তাৎক্ষণিক ওই ফিডারে বিদ্যুৎ দেওয়া হয়।

লোডশেডিং করার পর প্রভাবশালীর ফোন ও রূঢ় ব্যবহারের মুখে বিদ্যুৎ দিতে হয়েছে– এমন ঘটনা অসংখ্যবার ঘটেছে বলে জানান তিনজন এসবিএ। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, গ্রাহকের অনুরোধ রাখতে গিয়ে পুরো সাব-স্টেশনকে আবার শাস্তি পেতে হয়। শাস্তি হিসেবে প্রধান গ্রিড থেকে সাব-স্টেশনে কমপক্ষে আধাঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হয়। তখন স্টেশনের আওতাধীন সব ফিডার বিদ্যুৎহীন থাকে। প্রতি সপ্তাহে একাধিকবার এমন শাস্তি ভোগ করতে হয়। 

ওজোপাডিকোর বরিশাল গ্রিড স্টেশনের নির্বাহী প্রকৌশলী আক্তারুজ্জামান পলাশ জানান, বরিশাল ও ঝালকাঠি জেলায় বিদ্যুতের মোট চাহিদা হলো পিক সময়ে ২২০ মেগাওয়াট। জাতীয় গ্রিড থেকে সরবরাহ পান ১৬০ মেগাওয়াট। এ ঘাটতির কারণে ২৫ থেকে ৩০ ভাগ হারে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।



বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

মাদ্রাসায় তিন মাস ধরে নিয়মিত শিক্ষকের ধর্ষণের শিকার ছাত্র

প্রকাশিত :  ১৩:৪৯, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে ১০ বছর বয়সী এক মাদরাসাছাত্রকে নিয়মিত যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে শিক্ষক আল আমিনের বিরুদ্ধে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্র নাজেরা বিভাগে পড়াশোনা করত বলে জানা গেছে।

অভিযোগের বিষয়টি জানাজানি হলে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকালে ক্ষুব্ধ স্বজন ও স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত শিক্ষককে মারধর করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান এবং শিক্ষক আল আমিনকে আটক করে।

ঘটনাটি নিয়ে আইনগত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

অভিযুক্ত আল আমিন মির্জাপুর উপজেলার ভাওড়া ইউনিয়নের শ্বশ্বধরপট্টি গ্রামের আব্দুল মালেক মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় তিন বছর আগে ওই মাদরাসায় শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন।

ভুক্তভোগীর পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মির্জাপুর উপজেলা সদরের বাইপাস বাসস্ট্যান্ড এলাকার একটি মার্কেটের দ্বিতীয় ও তৃতীয় তলা ভাড়া নিয়ে প্রায় পাঁচ বছর আগে ফতেপুর ইউনিয়নের পারদিঘী গ্রামের হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান মারকাজুল উম্মাহ মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে জামুর্কী ইউনিয়নের পাকুল্যা সদরের ওই শিশুকে নাজেরা বিভাগে ভর্তি করা হয়। পরে সে মাদ্রাসার আবাসিক ব্যবস্থায় থাকত।

পরিবারের অভিযোগ, গত তিন মাস ধরে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে ও প্রলোভন দেখিয়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করে আসছিলেন শিক্ষক আল আমিন। এতে তার পেটে ব্যথা এবং পায়খানার রাস্তা দিয়ে রক্তপাতসহ বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়। অসুস্থতার কথা জানালে তার মা তাকে ছুটিতে বাড়িতে নিয়ে যান।

বাড়িতে থাকার সময় একদিন সকালে শিশুটির নানা আজিজুর রহমান বাড়ির টয়লেটে রক্ত দেখতে পান। বিষয়টি তিনি শিশুটির মাকে জানান। তবে ভয়ে তখনও ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারের কাছে প্রকাশ করেনি শিশুটি।

পরে তাকে জামুর্কী, মির্জাপুর ও ঢাকার বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। চিকিৎসা শেষে ১১ দিন আগে শিশুটিকে আবার মাদরাসায় রেখে যান তার মা। পরিবারের দাবি, ওই ১১ দিনের মধ্যে আট দিনই তাকে ধর্ষণ করা হয়। একপর্যায়ে শিশুটির প্রচুর রক্তক্ষরণ হলে সে বিষয়টি মাকে জানায়। পরে মা তাকে আবার বাড়িতে নিয়ে আসেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) মির্জাপুর সদরের একটি বেসরকারি ক্লিনিকে শিশুটির বিভিন্ন পরীক্ষা করানো হয়। পরিবারের দাবি, পরীক্ষার পর চিকিৎসক শিশুটির শারীরিক অবস্থা দেখে ধর্ষণের বিষয়টি জানান এবং তার স্বজনদের কাছে বিষয়টি বিস্তারিত তুলে ধরেন।

এরপর শুক্রবার সকালে শিশুটির মা, নানা ও মামা মাদরাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিচার দাবি করেন। এ সময় শিক্ষক ও প্রিন্সিপালের সঙ্গে তাদের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন মাদরাসায় জড়ো হয়ে শিক্ষক আল আমিনকে মারধর করেন।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, পরিস্থিতি উত্তপ্ত হলে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল গেট বন্ধ করে শিক্ষার্থীদের হাতে লাঠি তুলে নিয়ে জনতার ওপর হামলার নির্দেশ দেন। এ নিয়ে সেখানে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। খবর পেয়ে বেলা ১১টার দিকে মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুনের নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পরে প্রিন্সিপাল ও অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর নানা বলেন, এত ছোট একটি শিশুর সঙ্গে এমন আচরণ মেনে নেওয়া যায় না। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

ভুক্তভোগী শিশুটিও অভিযোগ করে, গত তিন মাস ধরে শিক্ষক আল আমিন তাকে ভয় দেখিয়ে ও বিভিন্নভাবে ফুসলিয়ে ধর্ষণ করেছেন। অসুস্থ হয়ে পড়ার পর সে মাকে মাদ্রাসা থেকে নিয়ে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিল বলেও জানায়।

শিশুটির মা অভিযোগ করেন, ছেলে অসুস্থ থাকার কথা জানিয়ে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে নিতে গেলে শিক্ষক আল আমিন তাকে গ্যাস্ট্রোলিভারের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দেন। পরে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা করানো হয়। তিনি অভিযুক্ত শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।

তবে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শিক্ষক আল আমিন। তিনি বলেন, ‘আমি নির্দোষ। উপরে আল্লাহ আছেন, তিনি বিচার করবেন। ছাত্ররা তো মিথ্যা কথা বলেই, ওই ছাত্রও মিথ্যা বলছে।’

পেটব্যথার কারণে শিশুটিকে গ্যাস্ট্রোলিভারের চিকিৎসক দেখানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন বলে জানান তিনি।

মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হাফেজ মাওলানা মনিরুজ্জামান বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষক আল আমিনকে আর প্রতিষ্ঠানে রাখা হবে না। জনতার ওপর হামলার নির্দেশ দেওয়ার অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, কয়েকজন তার গলা চেপে ধরেছিলেন, সে কারণেই তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছেন।

মির্জাপুর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল ও অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে থানায় আনা হয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন।

বাংলাদেশ এর আরও খবর