img

লিপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করল জার্মানি

প্রকাশিত :  ০৭:১৪, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

লিপজিগ বিমানবন্দরে ড্রোন হামলার জন্য রাশিয়াকে দায়ী করল জার্মানি

জার্মানির লিপজিগ বিমানবন্দরে গত মাসে চালানো ড্রোন হামলার ঘটনায় রাশিয়াকে দায়ী করেছে দেশটির সরকার। বার্লিন এ ঘটনাকে ‘বিপজ্জনক আচরণ’ হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেছে, বিপুলসংখ্যক হাইব্রিড হামলার মাধ্যমে বড় ধরনের ক্ষতি করতে মস্কো পরিকল্পিত ও সমন্বিত প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। বুধবার দ্য গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, জার্মানির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার ডোব্রিন্ট ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইয়োহান ভাডেফুল বার্লিনে এ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তাতে অভিযোগ করা হয়, হামলার পরিকল্পনায় রুশ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত জ্ঞান ও সরঞ্জাম সরবরাহের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। হামলা বাস্তবায়নে ‘এজেন্ট’ নিয়োগ করা হয়েছিল বলেও তারা দাবি করেন।

গত ৪ আগস্ট লিপজিগ বিমানবন্দরে বিস্ফোরক বহনকারী একটি ড্রোন পাওয়া যায়। সেটি ইউক্রেনে অস্ত্র পরিবহনে ব্যবহৃত একটি ইউক্রেনীয় আন্তোনভ কার্গো বিমানের কাছে ছিল। ড্রোনটি বিস্ফোরিত না হলেও বড় ধরনের বিপর্যয় ঘটতে পারত বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ভাডেফুল জানান, এ ঘটনায় রাশিয়ার বিরুদ্ধে একগুচ্ছ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি বলেন, লিপজিগের ‘হাইব্রিড হামলার’ জবাব জার্মানি দেবে, তা হবে পরিমিত ও ভারসাম্যপূর্ণ, তবে দৃঢ়।

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যুদ্ধে নেই, কিন্তু প্রতিদিনই হাইব্রিড যুদ্ধের লক্ষ্যবস্তু হচ্ছি।’ রাশিয়ার কর্মকাণ্ডকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি, অপতথ্য ছড়ানো, হুমকি, নাশকতা ও আগ্রাসনের প্রচেষ্টার অংশ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

এদিকে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) হামলার ঘটনায় জার্মানির প্রতি ‘পূর্ণ সংহতি’ প্রকাশ করেছে। ন্যাটোও বার্লিনকে আশ্বস্ত করেছে যে জোটটি তার সদস্যদের সুরক্ষা দেবে।

জার্মানির পদক্ষেপ ও নতুন ইউরোপীয় নিষেধাজ্ঞার উদ্যোগকে সমর্থন করেছেন ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাখোঁ। তিনি বলেন, ইউরোপে এ ধরনের হাইব্রিড হামলা বাড়ছে এবং এসব হামলার জবাব না দিয়ে ছেড়ে দেওয়া যায় না।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

মমতার ভাতিজির মৃত্যু নিয়ে যা জানা গেল

প্রকাশিত :  ০৭:২৬, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ৩১ বছর বয়সী ভাতিজি বৃষ্টি মুখোপাধ্যায়ের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সকালে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূমের রামপুরহাটের কুসুম্বা গ্রামে নিজ বাড়ি থেকে বৃষ্টির লাশ উদ্ধার করা হয়।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মামাতো ভাই নীহার মুখোপাধ্যায়ের মেয়ে বৃষ্টি।

পরিবারের সদস্যরা ধারণা করছেন, বৃষ্টি আত্মহত্যা করেছেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশও এমনটাই ধারণা করছে। তবে পুলিশ বলেছে, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার আগে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছুই বলা যাচ্ছে না।

পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃষ্টি বোলপুর বিদ্যালয়ে করণিকের চাকরি করতেন। নিয়োগে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়। এ নিয়ে তিনি হতাশায় ভুগছিলেন। বাড়িতে একাকী মন খারাপ করে থাকতেন। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের মামলাও চলছিল। সব মিলিয়ে তিনি একাকিত্ব ও অবসাদে ভুগছিলেন। চিকিৎসা চলছিল।

মেয়ের মৃত্যুর বিষয় নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বাবা নীহার মুখোপাধ্যায় বলেন, বৃষ্টিকে কয়েকবার কলকাতায় নিয়ে পুনর্বাসনকেন্দ্রে ভর্তি করানো হয়েছিল। খুব একটা ফল পাওয়া যায়নি। শেষ পর্যন্ত মেয়েটা এভাবে চলে গেল।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর