img

দেশের বাজারে ফের কমলো স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত :  ০৬:৫৯, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে ফের কমলো স্বর্ণের দাম

বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) দেশের বাজারে ফের স্বর্ণের দাম কমানোর ঘোষণা দিয়েছে । নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভ্যাটসহ স্বর্ণালঙ্কারের দাম প্রতি ভরিতে সর্বোচ্চ দুই হাজার ১৫৮ টাকা পর্যন্ত কমেছে। এতে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমে দাড়িয়েছে ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকায়।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বাজুস স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাজুস জানিয়েছে, সোমবার সকাল ৯টায় সংগঠনটির মূল্য নির্ধারণ ও মূল্য পর্যবেক্ষণ সংক্রান্ত স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকেই সোনা ও রুপার নতুন দাম নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

নতুন নির্ধারিত দামে ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২০ হাজার ৩৯১ টাকা।

এছাড়া ১৮ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৮৯ হাজার ২৪৮ টাকা। সনাতনী স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ভরি প্রতি ১ লাখ ৫৪ হাজার ২৫৬ টাকা।

এর আগে ২৬ সেপ্টেম্বর স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছিল। সেদিন সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণালঙ্কারের দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩২ হাজার ৯৩০ টাকা নির্ধারণ করে বাজুস। ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ২ লাখ ২২ হাজার ৪৯১ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ ১ লাখ ৯১ হাজার ৫৬ টাকা। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ লাখ ৫৬ হাজার ৬৪ টাকা।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার গহনাতেও দাম কমিয়েছে বাজুস। নতুন দামে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম ৩৫০ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৪৯১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। ২১ ক্যারেটের দাম ৪ হাজার ৩১৬ টাকা, ১৮ ক্যারেটের দাম ৩ হাজার ৭৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার গহনার দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ৭৯৯ টাকা।


img

‘দেশে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই’

প্রকাশিত :  ১৯:৩৫, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে এলপি গ্যাসের কোনো সংকট নেই বলে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রীকে জানিয়েছেন এলপি গ্যাসের অপারেটররা। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় অপারেটরদের পক্ষ থেকে এ নিশ্চয়তা দেওয়া হয়।

দেশের বর্তমান এলপিজি আমদানির পরিমাণ, মজুত ও সরবরাহ পরিস্থিতি, বাজার দর এবং আনুষাঙ্গিক বিষয় পর্যালোচনার জন্য এ সভার আয়োজন করা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন বিদ্যুৎমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। 

সভায় দেশের এলপিজি খাতের সার্বিক চিত্র উপস্থাপন ও পর্যালোচনা করা হয়। এনবিআরের সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুসারে, গত আগস্ট এক লাখ ৫৭ হাজার ৭৬০ মেট্রিক টন এবং গত ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এক লাখ ১৮ হাজার ৭৪২ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। তথ্য অনুযায়ী, দেশে এলপিজির জোগান ও মজুত পরিস্থিতি ভালো। সুতরাং বর্তমানে এলপি গ্যাসের কোনো ধরনের সংকট নেই বলে সভায় জানান এলপিজি আমদানিকারক ও অপারেটররা। 

এলপিজির পর্যাপ্ত মজুত থাকা সত্ত্বেও গ্রাহক পর্যায়ে যেন সরবরাহ ঘাটতি না হয়, অসদুদ্দেশ্যে কেউ যেন মজুতদারী করে জনদুর্ভোগ সৃষ্টি না করেন সে ব্যাপারে সবাইকে সতর্ক থাকার বলেন জ্বালানিমন্ত্রী। অপারেটরা মন্ত্রীকে তাদের দিক থেকে সব সহযোগিতা দেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

এছাড়া মন্ত্রী আপারেটরদের ব্যাবসা পরিচালনায় বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার কথা শোনেন এবং সেগুলো দ্রুত সমাধান করার জন্য জ্বালানি বিভাগকে নির্দেশনা দেন। মন্ত্রী বলেন, এলপি গ্যাস আমদানির ক্ষেত্রে সব বাধা অপসারণে মন্ত্রণালয় সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। মানুষের জীবনযাত্রা সহজ করবার জন্য প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে মন্ত্রী সভায় আশ্বস্ত করেন। মন্ত্রী দেশে জ্বালানি পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সবার আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করেন।