img

দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

প্রকাশিত :  ০৬:১১, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশের বাজারে ফের বাড়ল স্বর্ণের দাম

দেশের বাজারে আবারও স্বর্ণের গহনার দাম বাড়ানো হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে নতুন এই দাম কার্যকর হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)।

বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের দাম বাড়ার কারণে গহনার মূল্য সমন্বয় করা হয়েছে। এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় বুধবার অনুষ্ঠিত বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং কমিটির বৈঠকে।

পরে কমিটির চেয়ারম্যান ডা. দেওয়ান আমিনুল ইসলাম শাহীন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের নতুন দামের বিষয়টি জানানো হয়।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের গহনার দাম ভ্যাটসহ ২ লাখ ৩০ হাজার ৭৭২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এক ভরি স্বর্ণের ওজন ১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম।

স্থানীয় বাজারে তেজাবী স্বর্ণের মূল্য পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে দেশের বাজারে স্বর্ণের গহনার দাম নির্ধারণ করে থাকে বাজুস। এবারও তেজাবী স্বর্ণের দাম বৃদ্ধির প্রভাবেই গহনার দাম সমন্বয় করা হয়েছে।

img

এলপিজির কৃত্রিম সংকট, বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে কিনা খতিয়ে দেখার নির্দেশ

প্রকাশিত :  ১৩:০৬, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে এলপিজির সরবরাহে ঘাটতি না থাকলেও কোথাও কৃত্রিম সংকট তৈরি করে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করা হচ্ছে কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। একই সঙ্গে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকার পরও কোথাও সংকট দেখা দিলে এর কারণ অনুসন্ধান করে তথ্য-প্রমাণসহ প্রতিবেদন পাঠাতে বলেছেন তিনি।

বুধবার সচিবালয়ে জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে অনলাইন বৈঠকে এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

বৈঠকে মন্ত্রী বলেন, দেশে এলপিজির সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই। এরপরও বিভিন্ন এলাকায় সংকটের কথা শোনা যাচ্ছে এবং নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। কোথায় কী কারণে সরবরাহ কম, কোথায় অতিরিক্ত দাম নেওয়া হচ্ছে এবং এর পেছনে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো বিষয় আছে কি না—এসব তথ্য সংগ্রহ করে প্রতিবেদন দিতে জেলা প্রশাসকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জেলা প্রশাসকদের পাঠানো তথ্য পাওয়ার পর আমদানিকারক ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মন্ত্রী। যেসব এলাকায় সরবরাহে ঘাটতি পাওয়া যাবে, সেখানে সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, কৃত্রিম সংকট তৈরি করে এলপিজির দাম বাড়ানো হলে তা বরদাশত করা হবে না। বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিক্রি করা হলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলপিজির সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জেলা প্রশাসকদের আরও সজাগ ও সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন জ্বালানিমন্ত্রী।

সম্প্রতি আন্তর্জাতিক বাজারে এলপিজির দাম বাড়ার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়েছে। এর মধ্যে আমদানিকারকদের পক্ষ থেকে সরবরাহে বড় ধরনের সংকট নেই বলে দাবি করা হলেও দেশের বিভিন্ন এলাকায় খুচরা বাজারে বাড়তি দামে এলপিজি বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ২ হাজার টাকা ছাড়ানোর তথ্যও পাওয়া গেছে। এ অবস্থায় সরবরাহ ব্যবস্থার কোন পর্যায়ে সমস্যা হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার উদ্যোগ নিল সরকার।