img

নুডুলস খেয়ে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৫ সদস্যের

প্রকাশিত :  ০৯:০৩, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

নুডুলস খেয়ে প্রাণ গেল একই পরিবারের ৫ সদস্যের

ভারতের গ্রেটার নয়ডায় রাতের খাবারে নুডলস খাওয়ার পর একই পরিবারের পাঁচ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশুও রয়েছে।

মৃতরা হলেন—৩৭ বছর বয়সি মহেশ, তার স্ত্রী ৩৫ বছর বয়সি ললিতা এবং তাদের তিন সন্তান। সন্তানদের মধ্যে দুই ছেলের বয়স ১১ ও তিন বছর এবং মেয়ের বয়স সাত বছর।

এক প্রতিবেদনে হিন্দুস্তান টাইমস বলছে, শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) রাতে খাবার খাওয়ার পর পরিবারের সদস্যরা ঘুমাতে যান। প্রাথমিকভাবে খাদ্যে বিষক্রিয়াকে মৃত্যুর সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সন্দেহ করছে পুলিশ। তবে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সকালে এ ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ। 

নয়ডা পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, স্থানীয় বাসিন্দা ও মৃত  দম্পতির মায়ের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে পরিবারটি নুডলস খেয়েছিল। তবে ঠিক কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো জানা যায়নি।

গ্রেটার নয়ডার সহকারী পুলিশ কমিশনার রাজীব কুমার সিসোদিয়া জানান, শুক্রবার রাতের খাবারের পর পরিবারের সদস্যরা বিশ্রাম নিতে বিছানায় শুয়েছিলেন। শনিবার সকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাদের লাশ ওই অবস্থায় দেখতে পায়।

তিনি বলেন, ঘটনার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরিবারটি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।

খবর পেয়ে জ্যেষ্ঠ পুলিশ কর্মকর্তা, অ্যাম্বুলেন্স, ফরেনসিক দল ও খাদ্য নিরাপত্তা বিভাগের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান।

পুলিশ জানিয়েছে, তদন্তের অংশ হিসেবে ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থল পরীক্ষা করছেন এবং বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক আলামত সংগ্রহ করছেন।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, মৃত্যুর বিষয়ে আইনগত প্রক্রিয়া চলছে। লাশগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যাবে।

প্রতিবেদন প্রকাশের সময় পর্যন্ত এ ঘটনায় কোনো মামলা নথিভুক্ত হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। তদন্ত শেষে প্রাপ্ত তথ্য ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে নিহত ২০

প্রকাশিত :  ১৯:৩৫, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৩৯, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ভারতের কলকাতার উত্তরাঞ্চলে দুর্গাপূজার মণ্ডপে পদদলিত হয়ে অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিহতদের মধ্যে ১৩ জন নারী ও একটি শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অনেকে।

শনিবার (১৭ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে গিরিশ পার্ক থানা এলাকার চোরে বাগান সর্বজনীন পূজামণ্ডপে এ ঘটনা ঘটে। ভারতীয় বাংলা সংবাদমাধ্যম টিভি৯ বাংলার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

কলকাতা পুলিশ জানায়, বৃষ্টির মধ্যে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে প্রবেশপথে পদদলনের ঘটনা ঘটে।

আহতদের উদ্ধার করে এমসিএইচ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৫ জনকে হাসপাতালে নেওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস, দুর্যোগ মোকাবিলা দল ও চিকিৎসক দল মোতায়েন করা হয়। দর্শনার্থীদের জন্য মণ্ডপটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

ঘটনার পর আহতদের দেখতে হাসপাতালে যান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ও মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়াল।

পশ্চিমবঙ্গের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এ ঘটনায় শোক প্রকাশ করেছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে তিনি লেখেন, ‘চোরে বাগান পূজামণ্ডপে পদদলনের ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। এই কঠিন সময়ে তাদের পরিবারের সদস্যদের শক্তি ও সাহসের জন্য প্রার্থনা করছি।

’এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, পদদলনের সময় অনেকেই জ্ঞান হারান। তাদের অনেককে মোটরসাইকেলে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়।

আরেক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, ‘মণ্ডপের প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ খুব সরু ছিল। ওই এলাকায় আলোর ব্যবস্থাও ছিল না। আমার মেয়ে ও নাতনি হাসপাতালে ভর্তি।’

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর