img

বাংলাদেশের মতো ক্ষমতা বদলাতে চায় কংগ্রেস: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৭:১৫, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:২০, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশের মতো ক্ষমতা বদলাতে চায় কংগ্রেস: ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং কংগ্রেসকে ঘিরে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন। তার অভিযোগ, বাংলাদেশের মতো ভারতেও ক্ষমতার পালাবদল ঘটাতে চায় কংগ্রেস। 

শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) উত্তর প্রদেশের লখনউয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রাজনাথ সিং বলেন, ‘ক্ষমতার পরিবর্তন ঘটাতে বাংলাদেশে যে মডেল দেখা গেছে, কংগ্রেসও সেই পথ অনুসরণ করতে চায়।’

তার দাবি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার কিংবা ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) নিয়ে কংগ্রেসের প্রতিবাদ নয়, বরং গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে দুর্বল করে সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করাই দলটির মূল উদ্দেশ্য।

প্রতিরক্ষামন্ত্রী আরও অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ক্ষমতায় থাকাকালে নির্বাচন কমিশনকে নিজেদের ‘হাতের পুতুলে’ পরিণত করার চেষ্টা করেছিল।

১৯৯৩ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ওই বছর নির্বাচন কমিশনে রাতারাতি পরিবর্তন এনেছিল কংগ্রেস। তৎকালীন প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতির কাছে নির্বাচন কমিশনার নবীন চাওলাকে অপসারণের সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু কংগ্রেস তাকেই পরে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদে উন্নীত করে।

রাজনাথ সিংয়ের দাবি, ১৯৯৩ সালের আগে ভোটারদের পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য ভোটার কার্ডের ব্যবস্থা ছিল না। ভোটার পরিচয়পত্র চালু হওয়ার পর থেকে কংগ্রেস আর এককভাবে সরকার গঠন করতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

কংগ্রেসের এসআইআরবিরোধী আন্দোলন এবং সিইসি জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী। তার অভিযোগ, ভোটার তালিকা সংশোধন নিয়ে আপত্তি তোলার আড়ালে স্বাধীনভাবে কাজ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করার চেষ্টা করছে কংগ্রেস।

লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা ও কংগ্রেসের সংসদ সদস্য রাহুল গান্ধীকেও সতর্ক করেন রাজনাথ সিং। তিনি বলেন, গণতন্ত্র কাউকে সহিংসতার আশ্রয় নেওয়ার অধিকার দেয় না।

রাহুল গান্ধীকে কটাক্ষ করে রাজনাথ বলেন, ‘রাহুল বাধা সৃষ্টি ও বিশৃঙ্খলার রাজনীতি করছেন।’

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

অভিজিতের পর নেহা বোরাকেও আটক করেছে দিল্লি পুলিশ

প্রকাশিত :  ১৫:১৬, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপককে আটকের কিছুক্ষণ পরই আটক হয়েছেন শিক্ষার্থী আন্দোলনের সংগঠক নেহা বোরা। সংবাদমাধ্যম দ্য হিন্দুর খবরে বলা হয়, পতাকা হাতে মিছিল নিয়ে মান্দি হাউজ সার্কেল থেকে সেন্ট্রাল পার্কের দিকে যাওয়ার সময় তাঁকে আটক করে পুলিশ।

এর আগে, শুক্রবার বিকেলে দিল্লির পুলিশ অভিজিৎকে আটক করে।  ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে। আজ শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) জাতীয় পতাকা নিয়ে তরুণদের নিয়ে সেখানে জড়ো হওয়ার কথা ছিল তার। কিন্তু তার আগেই আটক হন দিপকে।

শুক্রবার দিল্লির সেন্ট্রাল পার্কে পতাকা উড়ানোর কর্মসূচি নেওয়া হয়েছিল মূলত ককরোচ পার্টির দুই সহ-প্রতিষ্ঠাতা আশুতোষ রাঙ্কা এবং সৌরভ দাসকে যন্তরমন্তরে পতাকা ওড়ানোর সময় গ্রেপ্তার ও পরবর্তীতে রিমান্ডে নেওয়ার প্রতিবাদে। গত ১০ অক্টোবর যন্তরমন্তরে জড়ো হওয়ার ঘোষণা দিয়েছিল ককরোচ পার্টি। কিন্তু ওইদিন পুলিশ কাউকে সেখানে যেতে দেয়নি। এছাড়া অভিজিৎ, আশুতোষ এবং সৌরভকেও ওইদিন আটক করা হয়। এর পরেরদিন তারা ছাড়া পান। এরপর ১৩ অক্টোবর যন্তরমন্তরে গিয়ে পতাকা উড়ান আশুতোষ ও সৌরভ। তখনই তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে গত কয়েকদিন ধরেই আন্দোলন করছে ককরোচ পার্টির তরুণ সমর্থকরা। জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে অভিযোগ বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সরকারকে সুবিধা পাইয়ে দিতে তিনি ভোটার তালিকা থেকে কয়েক কোটি মানুষকে বাদ দিয়েছেন। এরমধ্যে শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের আগে ৭০ লাখ মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। নির্বাচন শেষ পরপরই আবার তাদের নাম যোগ করা হয়।

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর