আজ ২৮ অক্টোবর বুধবার সপ্তাহের চতুর্থ কার্যদিবসে দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্লক মার্কেটে মোট ২২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এদিন ব্লক মার্কেটে মোট প্রায় ১৮ কোটি ৫১ লাখ টাকার লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে মোট ৪৫টি লেনদেনে ৪৩ লাখ ৯১ হাজার ৯৬৫টি শেয়ার হাতবদল হয়েছে। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
ডিএসই‘র তথ্য অনুযায়ী, আজ ব্লক মার্কেটে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে যমুনা ব্যাংকের, যার পরিমাণ ৫ কোটি ৩৫ লাখ ৯৪ হাজার টাকা।
লেনদেনের দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে ব্র্যাক ব্যাংক পিএলসি, যার লেনদেনের পরিমাণ ৪ কোটি ৭৭ লাখ ১০ হাজার টাকা।
তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে সায়হাম টেক্সটাইল মিলস্, যার ২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।
ব্লক মার্কেটে বড় লেনদেন করা অন্যান্য কোম্পানিগুলোর মধ্যে রয়েছে স্ট্যান্ডার্ড ইন্স্যুরেন্স ১ কোটি ৫ লাখ ৬০ হাজার টাকা, রেনাটা পিএলসি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার টাকা।
ভোজ্যতেলের দাম বাড়বে কিনা, যা জানালেন বাণিজ্যমন্ত্রী
প্রকাশিত :
১৫:২৬, ২৮ অক্টোবর ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ১৬:২৫, ২৮ অক্টোবর ২০২৬
দেশের বাজারে বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ১৪ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো। আসন্ন রমজানের আগেই এ মূল্যবৃদ্ধি কার্যকর করতে চায় তারা। এর আগে দুই মাসেরও কম সময় আগে প্রতি লিটার সয়াবিন তেলের দাম ৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। নতুন করে দাম বাড়ানোর অনুমোদন চেয়ে গত ১৩ অক্টোবর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের কাছে চিঠি দিয়েছে ভোজ্যতেল উৎপাদন ও পরিশোধনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন।
এ বিষয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির জানালেন, এই মুহূর্তে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বৈঠকের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে একথা জানান তিনি।
এ সময় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শরফ উদ্দিন আহমদ চৌধুরী, বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান নাসির উদ দৌলাসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আমদানিকারক ও ব্যবসায়ী নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রীর কাছে ভোজ্যতেলের দাম সমন্বয় নিয়ে ব্যবসায়ীদের কোনো প্রস্তাব রয়েছে কিনা এবং রমজানের আগে তেলের দাম বাড়ানো হবে কিনা- জানতে চান সাংবাদিকরা। জবাবে মন্ত্রী বলেন, এই মুহূর্তে ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই।আন্তর্জাতিক বাজারে ছোলার দাম কিছুটা বেড়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ বিষয়ে আমদানিকারকদের সঙ্গে আলোচনা চলছে। পণ্যের সরবরাহব্যবস্থা নিরবচ্ছিন্ন রাখা এবং বাজারের স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সরকার সতর্ক রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন- ভোজ্যতেল, ছোলা, ডাল ও চিনিসহ আমদানিনির্ভর পণ্যের সরবরাহ এবং আসন্ন রমজানের সম্ভাব্য চাহিদা বিবেচনায় নিয়ে সরকার পরিস্থিতি পর্যালোচনা করেছে। বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির পাইপলাইনে পর্যাপ্ত পরিমাণে রয়েছে। রমজানে পণ্যের ঘাটতির আশঙ্কা নেই।তিনি বলেন, আমাদের পাইপলাইনে যে পরিমাণ পণ্য রয়েছে, তা বাজার স্থিতিশীল রাখার জন্য যথেষ্ট। রমজান কিংবা তার আগে-পরে বাজারে পণ্যের কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না।তবে আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্য এবং জাহাজ ভাড়ার ওঠানামা আমদানি ব্যয় ও দেশের বাজারে পণ্যের দাম নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।