img

পাঁচ বছর ধরে সিলেটে পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা

প্রকাশিত :  ০৭:২৮, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৪৫, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

 পাঁচ বছর ধরে সিলেটে পাশের হারে এগিয়ে মেয়েরা

সিলেটে এবারও এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে পাসের হারে ছেলেদের তুলনায় এগিয়ে রয়েছে মেয়েরা। গত পাঁচ বছর ধরে এ ধারাবাহিকতা বজায় রয়েছে। তবে জিপিএ-৫ পাওয়ার সংখ্যায় মেয়েদের চেয়ে কিছুটা এগিয়ে রয়েছে ছেলেরা।

আজ শনিবার সকালে সিলেট শিক্ষাবোর্ডে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করেন শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক বিলকিস বেগম।

সিলেট শিক্ষাবোর্ডে পাসের হার ৫০ দশমিক ৯০ শতাংশ। যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম। এবার সিলেটে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ২০৪ জন।

ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, এবার বোর্ড থেকে ২৮ হাজার ৯৩৫ জন ছেলে ও ৪২ হগাজার ৯৫৮ জন মেয়ে পরীক্ষায় অংশ নেয়। এরমধ্যে ১৪ হাজার ৯৬ জন ছেলে ও ২৭ হাজার ৫০১ জন মেয়ে উত্তীর্ন হয়েছে। ছেলেদের পাশের হার ৪৮.৭২ শতাংশ ও মেয়েদের পাশের হার ৫২.৩৮ শাংংশ।

এবার ৬১৩ জন ছেলে ও ৫৯১ জন মেয়ে জিপিএ-৫ পেয়েছে। ফলে পাশের হারে কিছুটা এগিয়ে থাকলেও জিপিএ-৫ এ কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে তারা।

এরআগে গত ৪ বছরের ফলাফলেও পাশের হারে এগিয়ে ছিল মেয়েরা।

২০২১ সালে ছেলেরা ৯৩.৬৮ শথাংশ ও মেয়েরা ৯৫. ৭৩ শতাংশ, ২০২২ সালে ছেলেরা ৭৯.৮০ শতাংশ ও মেয়েরা ৮২.৬১ শতাংশ, ২০২৩ সালে ছেলরা ৬৯.৫৮ শতাংশ ও মেয়েরা ৭৩.০৭ শতাংশ, ২০২৪ সালে ছেলেরা ৮৩.৮৫ শথাংশ ও মেয়েরা ৮৬.৪৪ শতাংশ এবং ২০২৫ সালে ছেলেরা ৪৯.৯৬ শতাংশ ও মেয়েরা ৫৩.১৩ শতাংশ পাস করে।

গত বছর, অর্থাৎ ২০২৫ সালে সিলেট বোর্ডে এইচএসসিতে পাসের হার ছিল ৫১ দশমিক ৮৬ শতাংশ। গতবছর জিপিএ-৫ পান ১ হাজার ৬০২ জন শিক্ষার্থী। সে হিসেবে এবার জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও কমেছে।

বোর্ডের তথ্যমতে, এবার সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মোট ৭১ হাজার ৮৯৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেছে। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ৬৯ হাজার ১৭২ জন।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের ৪০ফুট নিচে মোটর সাইকল, ফুটবলারের মুত্যু

প্রকাশিত :  ০৭:৫৩, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৩৬, ৩১ অক্টোবর ২০২৬

সিলেট জেলার বালাগঞ্জে মোটর সাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়ক থেকে প্রায় ৪০ ফুট নিচে পড়ে ফুটবলার সাইফুর রহমান আলিম (২২) ঘটনাস্থলেই নিহত হয়েছেন। তিনি বালাগঞ্জ উপজেলার বালাগঞ্জ ইউনিয়নের রিফাতপুর গ্রামের দুলাল মিয়ার পুত্র।

মোটর সাইকেলে থাকা অপর দুই আরোহী একই গ্রামের ওয়াব মিয়ার ছেলে ওয়ছে আহমদ (২১) ও আনছার মিয়ার ছেলে রাফি আহমদ (২০) গুরুতর আহত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার দিনগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে সিলেট-সুলতানপুর-বালাগঞ্জ সড়কের বালাগঞ্জ ইউনিয়নের বির্ত্তনীয়া গ্রাম এলাকায় এদুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসকরা সাইফুরকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত দুইজনকে সিলেট শহরের দুটি প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, তিনজন রাতে তাদের এক বন্ধুর বাড়িতে বেড়াতে যান। ফেরার পথে মোটর সাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে উঁচু সড়ক থেকে প্রায় ৪০ ফুট নিচে মোটর সাইকেলসহ হাওড়ের পানিতে পড়ে যান তারা। সড়কের পাশে বসানো ঢালাই করা ব্লকে আঘাত পেয়ে ঘটনাস্থলেই সাইফুরের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।

দুর্ঘটনাস্থলের পাশের বাড়ির বাসিন্দা নজরুল ইসলাম নামের যুবক জানান, ভোর চারটার দিকে আহত ওয়েছ আহমদ তাদের বাড়িতে গিয়ে বাড়ির লোকজনকে ঘুম থেকে ডেকে তুলে বিষয়টি জানান। বাড়ির লোকজন সেখানে গিয়ে সাইফুরের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। সেখান থেকে তিনজনকে গাড়ি তুলে সিলেট শহরে নিয়ে যান, ততক্ষণে ভোর গড়িয়ে সকাল হয়ে যায়।

সাইফুরের ইউরোপে যাওয়ার প্রসেসিং চলছিল বলে তার স্বজনরা জানিয়েছেন।

বালাগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মুনিম বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে সকালে থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করি।

বালাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুল লতিফ তদফদার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।


সিলেটের খবর এর আরও খবর