img

গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক জুম মিটিং এ সিলেট প্রদেশ প্রতিষ্ঠার দাবী

প্রকাশিত :  ১৪:৪৬, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের আন্তর্জাতিক জুম মিটিং এ  সিলেট প্রদেশ প্রতিষ্ঠার দাবী

সিলেট বিভাগ নিয়ে  জালালাবাদ প্রদেশ বাস্তবায়নের দাবিতে গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে  ১৬ ই ফেব্রুয়ারী (রোববার) লন্ডন সময় বেলা ৩ ঘটিকায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বিশিষ্টজনদের অংশগ্রহণে এক আন্তর্জাতিক ভ্যাচূয়ালি জুম মিটিং এর আয়োজন করা হয়েছে। 

গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের  কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহিবুর রহমান মুহিব এর সভাপতিত্বে এবং সাধারন সম্পাদক ময়নুল হক চৌধুরী হেলালের পরিচালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বিশ্বের প্রায় ৪০ টি দেশের প্রতিনিধি অংশগ্রহন করেন ।

সভায় অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট পৌরসভা ও সিলেট সদর উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বাবরুল হোসেন বাবুল,  আমেরিকার ডিস্কেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসার ও সিলেট কিডনি ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্টাতা ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবি এডভোকেট শেখ আখতারুল ইসলাম, রানা ফেরদৌস চৌধুরী, ইউকে বি সি এর সাবেক প্রেসিডেন্ট এম এ মুনিম ওবিই, বর্তমান সাধারণ সম্পাদক মিঠু চৌধুরী, গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে কেন্দ্রীয় ফাউন্ডার্স  কনভেনর মোহাম্মদ মকিস মনসুর, গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয়  সহ সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ছোটন, সহ সভাপতি অলিউদ্দিন শামীম,আব্দুল মোনেম জাহেদী ক্যারল, সৈয়দ হাসান আহমদ,শেখ ফারুক আহমদ, জামাল আহমেদ খান, কেন্দ্রীয় ট্রেজারার রফিকুল হায়দার, সহ সম্পাদক আবুল হোসেন ,ইয়াকুব কামালী,ইসবাহ উদ্দিন ,ফয়জুল হক,প্রবাসী কল্যান পরিষদের সভাপতি  জাহাংগীর খান, আশিকুর রহমান, অস্টেলিয়া থেকে ইনি্জনিয়ার রাসেল আহমদ, বাংলাদেশ ইউনিটের সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মহিব উদ্দিন, ট্রেজারার শামীম আলম কোরেশী, এবিসি নিউজের চেয়ারম্যান আলাউর রহমান খন্দকার, ফ্যান্স কমিটির সহ সভাপতি আব্দুল বাসিত স্পেনের সাধারন সম্পাদক সাব্বির আহমদ, পর্তুগাল থেকে আবুল হাসনাত, সাংবাদিক সাহাব উদ্দিন, প্রফেসার মিছবাহ উদ্দিনডু, বাই থেকে ছয়ফুল ইসলাম ,নিউইয়র্ক বাফেলো থেকে আব্দুল মুক্তাদির,  মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী মুরাদ, নিউইয়র্ক থেকে শ্যমল চন্দ চন্দ, ও  ইংল্যান্ড জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ সাদেক আহমদ, বাহরাইন থেকে স্মারাট নজরুল ইসলাম সিদ্দিকী, বদরুল হক মনসুর, এ শামীম আহমদ সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। 

সভায় সিলেট বিভাগ নিয়ে জালালাবাদ প্রদেশ বাস্তবায়নের দাবিতে গ্লোবাল জালালাবাদ এসোসিয়েশনের  সিলেট শাখার পক্ষ থেকে আগামী ১৯ শে ফেব্রুয়ারি বুধবার সিলেটের গোল টেবিল বৈঠকে বাংলাদেশের টিমের সবাইকে যোগ দেওয়ার আহবান জানানো  সহ আগামী দিনের নানা কর্মসূচি নেওয়া সহ গুরুত্বপূর্ণ সীদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। 

সভায় বক্তারা বলেন, \"সিলেট বিভাগ নিয়ে কোনো টালবাহানা মেনে নেওয়া হবে না। চট্টগ্রামের সাথে সিলেটকে যুক্ত করার চক্রান্ত প্রতিহত করতে হবে। আমরা সিলেট বিভাগ নিয়ে জালালাবাদ প্রদেশ চাই, সংস্কার কমিশনের সুপারিশ মতে বাংলাদেশকে যদি কয়েকটি প্রদেশে ভাগ করতে হয় 

 তাহলে বৃহত্তর সিলেটের চারটি জেলা নিয়ে একটি প্রদেশ গঠন করা হবে যুক্তিযুক্ত। চট্টগ্রামের সাথে যুক্ত করা হবে অবাস্তব ও অযৌক্তিক। বৃহত্তর সিলেটের ভৌগোলিক অবস্থা ও লে-আউট আলাদা একথা সরকারের বুঝা উচিৎ। সিলেট থেকে চট্টগ্রামের চেয়ে ঢাকায় বরং যাওয়া যাবে দ্রুত। তাই চট্টগ্রামের সাথে সিলেট কানেক্ট করে প্রদেশ করলে সিলেট হবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে বঞ্চিত, এরকম হটকারি, অবাস্তব এবং  অযৌক্তিক সীদ্ধান্ত কোনো অবস্থাতেই বিশ্বময় বসবাসকারী সিলেটের মানুষ মেনে নেবে না।\"

বক্তারা আরও বলেন, \"১৯৪৭ সালে আমরা সিলেট বিভাগ রেফারেন্ডারের মাধ্যমে বর্তমান বাংলাদেশে আসে তখন থেকেই সিলেটের আলাদা মর্যাদার অংগীকার ছিলো। বৃহত্তর সিলেট সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ ও সিলেট নিয়ে সিলেট বিভাগ গঠিত আমাদের কাছে ‘জালালাবাদ’ নামেও পরিচিত। হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর নামানুসারে এ নামকরণ। এ নামের ব্যাপক পরিচিতি ঘটে। যখন ষাটের দশকে ‘জালালাবাদ’ প্রদেশ আন্দোলন দানা বেঁধে উঠে। আন্দোলনকারীদের যুক্তি ছিল, যেহেতু ’৪৭ সালে গণভোটের মাধ্যমে সিলেট পাকিস্তানের সঙ্গে যোগ দেয়, তাই সিলেটের বিশেষ মর্যাদা পাকিস্তান সৃষ্টির পর থেকেই ছিল। ১৯৭১ এর মহাণ মুক্তিযুদ্ধ সহ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ণে তথা রাজনৈতিক, সামাজিক,ব্যাবসা বানিজ্য, শিক্ষা - দীক্ষা, জ্ঞান - গরিমা, সাংস্কৃতিক ইতিহাস ইত্যাদি সর্বক্ষেত্রে এমনকি প্রবাসের মাটিতে ক্যাটারিং সেক্টর  ও ব্যাবসা বানিজ্য এবং বিশ্বময় বাংলাদেশ কমিউনিটির কল্যাণে ব্যাপক ভুমিকা রাখা সহ বাংলাদেশের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজনে গ্রেটার সিলেটবাসীর অবদান অনস্বীকার্য।

\"সিলেট বাংলাদেশের অন্যতম সম্পদশালী এলাকা সিলেটের খনিজ তেল,গ্যাস,পাথর, চা শিল্প, পর্যটন ও দেশের রেমিটেন্সের সিংহভাগই আসে প্রবাসী সিলেটবাসীর মাধ্যমে বলে উল্লেখ করে বক্তারা আরও বলেন, \"বর্তমান সরকার যদি প্রাদেশিক সরকার গঠন করে তাহলে সিলেটের নাম আসবে সবার আগে।কারণ সিলেটের মানুষের এই দাবী দীর্ঘদিনের। সিলেটবসীর ন্যায্য দাবী সিলেট প্রদেশ বাস্তবায়নের ক্যাম্পেইনে দেশে বিদেশে সিলেট বাসীকে আর ও বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার আহবান জানিয়েছেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাথে ইনডিপেন্ট প্রার্থী জামি আলীর সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত :  ১৩:৩৪, ২১ এপ্রিল ২০২৬

আসন্ন ৭ মে, লন্ডনের টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের নির্বাচনকে সামনে রেখে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে প্রেস কনফারেন্সে কথা বললেন জামি আলী, জানালেন বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা। ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির প্রেস কনফারেন্সে উপস্থিত হয়ে মেয়র প্রার্থী জামি আলী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিশ্রুতি দিলেন।  

শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) বিকেলে পূর্ব লন্ডনের একটি রেস্টুরেন্টের হলরুমে অনুষ্ঠিত প্রেস কনফারেেন্স টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের মেয়র পদপ্রার্থী জামি আলী সহ ইন্ডিপেন্ডেন্ট পার্টির অন্যান্য কাউন্সিলর প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন- নুরুল মালেক, কবির হোসেন, ইউয়ান হরটন, কিটোন আহমেদ, লিটন আহমদ, মিজানুর রহমান, জাহিদ আবু হায়াত।  

তাছাড়া ইউকে বাংলা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্য সহ অন্যান্য বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকরা এতে অংশগ্রহণ করেন এবং প্রার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন।  উপস্থিত সাংবাদিকরা প্রার্থীদের নির্বাচনী ইশতেহার, ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা, স্থানীয় উন্নয়ন, কর্মসংস্থান, শিক্ষা ও সামাজিক সমস্যা নিয়ে নানা প্রশ্ন করেন। বিশেষ করে মেয়র প্রার্থী জামি আলীকে ঘিরে প্রশ্নের তীব্রতা ছিল লক্ষণীয়। তবে তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাস ও সাবলীলতার সঙ্গে প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর দেন এবং তার পরিকল্পনাগুলো বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন।  

জামি আলী একজন ব্যারিস্টার হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে আইন পেশায় যুক্ত এবং জনকল্যাণমূলক কাজে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করে আসছেন।  

মেয়র প্রার্থী জামি আলী তার নির্বাচনী পরিকল্পনায় বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ দিক তুলে ধরেন, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য,  সড়ক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং দুর্ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ। শিক্ষিত বেকারদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি।  লন্ডনের খালগুলোকে কেন্দ্র করে একটি দীর্ঘমেয়াদি পর্যটন উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণ যার মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। শিক্ষা খাতে বাজেট বৃদ্ধি এবং মানোন্নয়নের কথা বলেন তিনি। আবাসন সংকট নিরসনে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবেন বলে জানান।  

তিনি সামাজিক সমস্যার সমাধানে প্রতিশ্রুতির কথা ব্যক্ত করেন। যুবসমাজের অবক্ষয় রোধে তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। ভ্যাপিং ও মাদকাসক্তি নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা ও কার্যকর নীতি গ্রহণের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মের জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা ও ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্রদানের উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন।  

জামি আলী আরো বলেন, \"অনেক তরুণ উচ্চশিক্ষা সম্পন্ন করেও সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাচ্ছেন না। এই সমস্যার সমাধানে একটি সুসংগঠিত সহায়তা কাঠামো গড়ে তোলা হবে।\" 

প্রেস কনফারেন্সে অংশ নেওয়া অনেক প্রার্থী পূর্বে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠিত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। কেন তারা নতুন একটি দলে যোগ দিয়েছেন - এমন প্রশ্নের উত্তরে তারা জানান, \"জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ব্যর্থতা এবং জবাবদিহিতার অভাবই তাদের এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে।\" 

তারা দৃঢ়ভাবে বলেন, \"নতুন প্ল্যাটফর্মে তারা জনগণের প্রতি দেওয়া প্রতিশ্রুতি অক্ষরে অক্ষরে পালন করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং  টাওয়ার হ্যামলেটস এর সার্বিক উন্নয়নে বাস্তবধর্মী অবদান রাখতে চান।\"

-সংবাদ বিজ্ঞপ্তি 


কমিউনিটি এর আরও খবর