img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

কানাডার এমপি নির্বাচনে জয়ী ডলী বেগমকে নিউইয়র্কস্থ সিলেট বিভাগের নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন

প্রকাশিত :  ১৩:১১, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

কানাডার ফেডারেল উপনির্বাচনে টরোন্টোর স্কারবোরো সাউথওয়েস্ট আসন থেকে বিজয়ী মৌলভীবাজারের সন্তান ডলী বেগমকে নিউইয়র্কের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ অভিনন্দন জানিয়েছেন।

কানাডার সংসদে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত মৌলভীবাজার জেলার কৃতি সন্তান উপনির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ডলী বেগম ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। তার এই ঐতিহাসিক বিজয়ে নিউইয়র্কস্থ বৃহত্তর সিলেট বিভাগের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ ডলী বেগম এমপিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

নেতৃবৃন্দের মধ্যে ঠিকানা গ্রুপের চেয়ারম্যান সাবেক এমপি এমএম শাহীন, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব ইউএসএ ইনকের সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সাধারণ সম্পাদক রোকন হাকিম, সহসভাপতি লোকমান হোসেন লুকু, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বদরুন নাহার খান মিতা, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ইউএসএ ইনকের সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, মৌলভীবাজার ডিস্ট্রিক্ট সোসাইটির সভাপতি সোহান আহমেদ টুটুল, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রুহুল আলী, বাংলাদেশ সোসাইটি অব ব্রঙ্কসের সভাপতি শামীম আহমেদ, সাধারণ সম্পাদক শেখ অলি আহাদ, প্রচার সম্পাদক শেখ শফিকুর রহমান, সুনামগঞ্জ সমিতির সাবেক সভাপতি আব্দুল মুহিত, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক এজিএস সিরাজ উদ্দিন আহমেদ সোহাগ, শ্রীমঙ্গল এসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তাক এলাহী চেমন, সাধারণ সম্পাদক সুফিয়ান চৌধুরী, কুলাউড়া এসোসিয়েশনের সভাপতি সৈয়দ ইলিয়াস খসরু, সাধারণ সম্পাদক মইনুর রহমান সুয়েব প্রমুখ।

নেতৃবৃন্দরা কানাডা সংসদের উপনির্বাচনে এমপি নির্বাচিত হওয়ায় ডলী বেগমকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান এবং তার এই সাফল্যে বাংলাদেশ তথা সিলেট বাসীর জন্য এটি একটি বিশেষ সম্মানের বলে উল্লেখ করেন।

কমিউনিটি এর আরও খবর