img

কুমারগাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট: সিলেট ও সুনামগঞ্জে বাড়তে পারে লোডশেডিং

প্রকাশিত :  ০৭:৪৩, ২৭ জুলাই ২০২৫

 কুমারগাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট: সিলেট ও সুনামগঞ্জে বাড়তে পারে লোডশেডিং

সিলেটের কুমারগাঁও ১৩২/৩৩ কেভি পাওয়ার স্টেশনের ২২৫ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন ইউনিটটি প্রায় ১১ দিন ধরে বিকল হয়ে পড়ে আছে। একারণে লোডশেডিং আরও বাড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা যায়, ট্রান্সফরমার পুড়ে যাওয়ার কারণে বন্ধ রাখা হয়েছে কুমারগাও বিদ্যুৎকেন্দ্রটি।  কবে নাগাদ এটি সচল হবে তা নিশ্চিত করে বলতে পারছে না কর্তৃপক্ষ।

বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (বিউবো) সিলেট বিভাগের প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল কাদির বলেন, “সিলেট বিভাগে দৈনিক চাহিদা প্রায় ৭০০ মেগাওয়াট হলেও বর্তমানে সরবরাহ করা হচ্ছে সর্বোচ্চ ৫০০ মেগাওয়াট।”

এদিকে, শুক্র ও শনিবার সরকারি ছুটি থাকায় বিদ্যুৎচাহিদা কম ছিল, তাই ঘাটতি ততটা চোখে পড়েনি। কিন্তু রোববার থেকে অফিস-আদালত খুললে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই অবনতির দিকে যাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিলেট নগর এবং আশেপাশের এলাকায় ইতোমধ্যে দিনে ৬–৭ ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকছে না। বিদ্যুৎ না থাকায় বাসা-বাড়ি, হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ এমনকি ব্যবসা-বাণিজ্যেও ব্যাপক বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে। লো ভোল্টেজের কারণে অনেক এলাকায় বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি নষ্ট হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

বিউবো সিলেট বিতরণ বিভাগ-২-এর নির্বাহী প্রকৌশলী শামস-ই আরেফিন জানান, ঢাকা থেকে হঠাৎ করে লোড ফিকুয়েন্সি ডাউনের কারণে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। এর উপর নিজেদের উৎপাদন বন্ধ থাকায় লোডশেডিং এড়ানো সম্ভব হচ্ছে না।

 বিদ্যুৎকেন্দ্র সচল না হওয়া পর্যন্ত সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলাবাসীকে দৈনিক একাধিকবার বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকতে হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ০৬:৩৭, ২৫ মে ২০২৬

সিলেটে গত ২৪ ঘন্টায় হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

আজ সোমবার (২৫ মে) সকালে বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। এ নিয়ে সিলেট বিভাগে এ রোগে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৫ জনে।

মারা যাওয়া তিন শিশুর মধ্যে দুজন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং একজন শহীদ শামসুদ্দিন আহমেদ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নিহতরা হলেন—সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজারে আফসরনগরের রমজান আলীর ১৪ মাসের ছেলে মহসিন, সিলেট সদর উপজেলার পীরেরগাঁওয়ের মাজেদের আট মাসের ছেলে মাজহারুল ও মৌলভীবাজার সদরের বড়কাপনের মিলু মিয়ার চার মাসের কন্যাশিশু তানিয়া।

এদিকে বর্তমানে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন মোট ২৭০ জন রোগী।

গত ২৪ ঘণ্টায় ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় নতুন করে পাঁচ জন রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এ সময় ৫৮ জন সন্দেহভাজন রোগী বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ২৫ মে পর্যন্ত বিভাগে মোট ১৬৪ জন ল্যাব-নিশ্চিত (কনফার্মড) হাম রোগী শনাক্ত হয়েছে। মারা যাওয়া শিশুদের মধ্যে চার জন নিশ্চিত হামের রোগী ছিলেন সেটি নিশ্চিত করা গেছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর