img

‘আড়াই কোটি টাকা চুক্তিতে’ মৌলভীবাজারের এসপি, ৭ দিনের মাথায় প্রত্যাহার

প্রকাশিত :  ১৬:৪৫, ১৭ মে ২০২৬

 ‘আড়াই কোটি টাকা চুক্তিতে’ মৌলভীবাজারের এসপি, ৭ দিনের মাথায় প্রত্যাহার

মৌলভীবাজার জেলার নতুন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. রিয়াজুল ইসলামকে যোগদানের মাত্র সাত দিনের মাথায় প্রত্যাহার করা হয়েছে। গত শুক্রবার (১৫ মে) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক আদেশে প্রত্যাহার করা হয়।

আদেশে বলা হয়, মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলাম জেলা পুলিশের জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তার কাছে দায়িত্বভার অর্পণ করে আগামী ১৬ মে-এর মধ্যে পুলিশ সদর দফতরে রিপোর্ট করবেন। আদেশে প্রত্যাহারের কারণ উল্লেখ করা হয়নি।

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অভিযোগ ওঠে ‘আড়াই কোটি টাকার চুক্তি করে মৌলভীবাজারের এসপি হিসেবে বদলি হন রিয়াজুল ইসলাম।’ ওই টাকা না দেওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা শুরু হয়।

এ বিষয়ে জানতে মৌলভীবাজারের নতুন পুলিশ সুপার মো. রিয়াজুল ইসলামের মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও রিসিভ করেননি।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

শ্রীমঙ্গলে কলার আড়ত থেকে বিরল সবুজ ফণীমনসা সাপ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৪:০৩, ১৭ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:০৪, ১৭ মে ২০২৬

সংগ্রাম দত্ত: পর্যটন নগরী ও চায়ের স্বর্গরাজ্য শ্রীমঙ্গলে এবার কলার আড়ত থেকে উদ্ধার হলো একটি বিরল সবুজ ফণীমনসা সাপ। বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনের তৎপরতায় সাপটি অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করে বন বিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

রবিবার (১৭ মে) বিকেল ৪টার দিকে শ্রীমঙ্গল পৌর শহরের নতুন বাজার এলাকার করিম মিয়ার কলা, আনারস ও লেবুর আড়তে হঠাৎ কলার ছড়ির ভেতরে একটি সাপ দেখতে পান শ্রমিকরা। মুহূর্তেই এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে আড়ত মালিক করিম মিয়া বিষয়টি বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশনকে জানালে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছান সংগঠনটির পরিচালক স্বপন দেব সজল ও পরিবেশকর্মী রাজদীপ দেব দীপ।

ঘটনাস্থলে গিয়ে তারা দেখতে পান, সাপটি একটি সবুজ ফণীমনসা—যা গাছপালায় বসবাসকারী অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের ও দৃষ্টিনন্দন একটি সাপ। সাপটি কলার ছড়ির ভেতরে নিঃশব্দে লুকিয়ে ছিল। প্রায় ১০ মিনিটের সতর্ক অভিযানের পর সেটিকে নিরাপদ ও অক্ষত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়।

পরে উদ্ধারকৃত সাপটি শ্রীমঙ্গল বন বিভাগের রেঞ্জ কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর করা হয়, যাতে প্রাকৃতিক পরিবেশে অবমুক্ত করা যায়।

বাংলাদেশ বন্যপ্রাণী সেবা ফাউন্ডেশন সূত্রে জানা যায়, পাহাড়, চা-বাগান, হাওর ও বনাঞ্চলবেষ্টিত শ্রীমঙ্গল উপজেলায় বনভূমি দখল, বসতি স্থাপন এবং বিভিন্ন বাগান তৈরির কারণে বন্যপ্রাণীর স্বাভাবিক আবাসস্থল ও খাদ্যসংকট দিন দিন বাড়ছে। ফলে খাদ্যের সন্ধানে নানা ধরনের বন্যপ্রাণী লোকালয়ে চলে আসছে।

সংগঠনটির দাবি, গত দেড় দশকে তারা শ্রীমঙ্গল ও আশপাশের এলাকা থেকে হাজারেরও বেশি বন্যপ্রাণী উদ্ধার করে বন বিভাগের মাধ্যমে অবমুক্ত করেছে। স্থানীয়দের সচেতনতা ও দ্রুত খবর দেওয়ার কারণে অনেক প্রাণীই এখন নিরাপদে উদ্ধার করা সম্ভব হচ্ছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর