img

একদিন পরই জামিন পেলেন ওসিকে গালাগালি করে গ্রেপ্তার সেই বিএনপি নেতা

প্রকাশিত :  ১০:৫৭, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 একদিন পরই জামিন পেলেন ওসিকে গালাগালি করে গ্রেপ্তার সেই বিএনপি নেতা

হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষার গ্রেপ্তারের একদিন পরই জামিন পেলেন। বাহুবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে মোবাইল ফোনে গালাগালের অভিযোগে গ্রেপ্তার তুষারকে সোমবার অস্থায়ী জামিন প্রদান করেন আদালত।

আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বাহুবল আমলি আদালত ৯ এর ম্যাজিস্ট্রেট তানজিনা রহমান তানিন তার জামিন মঞ্জুর করেন। এরআগে বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাকে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের মধ্যে তর্ক-বিতর্ক শেষে তার জামিন মঞ্জুর হয়।

আসামি পক্ষের আইনজীবী এনামুল হক সেলিম জানান, পুলিশ রিপোর্ট না আসা পর্যন্ত হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলা বিএনপি সভাপতি তুষার চৌধুরীকে অস্থায়ী জামিন প্রদান করা হয়েছে।

এর আগে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হবিগঞ্জ শহরের শায়েস্তানগর এলাকার নিজ বাসা থেকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) তাকে আটক করে। পরে রাতে রাতে তুষারের বিরুদ্ধে মামলা করেন বাহুবল মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম।

মোবাইল ফোনে ইন্টারনেট ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অশ্লীল ও আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপমান ও ক্ষতিসাধনের হুমকি প্রদান এবং থানা এলাকায় শান্তিভঙ্গ ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগে এ মামলা দায়ের করা হয়।

তার আগেরদিন, শনিবার বাহুবল থানার ওসিকে উদ্দেশ্য করে ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষারের অশালীন মন্তব্য করা একটি অডিও ক্লিপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ছড়িয়ে পড়া অডিও কলটিতে থানার ওসি সাইফুল ইসলামকে উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফেরদৌস আহমেদ চৌধুরী তুষারের আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করতে শোনা যায়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মখলিছুর রহমানের সঙ্গে ওসির ফোনালাপ চলাকালে উপজেলা বিএনপির সভাপতি উত্তেজিত হয়ে ওসিকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

এদিকে তুষারকে আটকের পর রোববার দুপুর ও সন্ধ্যায় দু’দফা ঢকিা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীরা। এছাড়া সোমবার আদালতে তোলার আগ মূহুর্তে নেতাকর্মীরা আদালত প্রাঙ্গণের সামনে তুষার চৌধুরীর মুক্তির দাবিতে মিছিল করেন।

img

দিরাইয়ে নদী থেকে নারীর লাশ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৮:৪৭, ২৬ আগষ্ট ২০২৬

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলায় মরা সুরমা নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় উদ্ধার হওয়া অজ্ঞাত এক নারীর পরিচয় শনাক্ত হয়েছে।

তার নাম লাকি বেগম (৩০)। তিনি উপজেলার জগদল ইউনিয়নের জগদল গ্রামের মৃত আব্দুশ শহিদ মিয়ার মেয়ে।

সোমবার দুপুরে উপজেলার করিমপুর ইউনিয়নের রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজার সংলগ্ন মরা সুরমা নদী থেকে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার দুপুরে রজনীগঞ্জ (টানাখালী) বাজারের পাশের নদীতে এক নারীর লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দেন। পরে দিরাই থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করে। পরে স্বজনেরা এসে লাশের পরিচয় নিশ্চিত করেন।

স্বজনদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, লাকি বেগমের মা-বাবা ও কোনো ভাই-বোন নেই। তিনি ছিলেন স্বামী পরিত্যক্তা ও নিঃসন্তান। প্রায় ১১ মাস ধরে তিনি শান্তিগঞ্জ উপজেলার সলফ গ্রামের কামাল মিয়ার বাড়িতে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।

দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে এবং পরে পরিচয় শনাক্ত করা হয়। লাশের ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর