img

টিলার লেজার সেন্টার ও মাইল এন্ড পার্কে ইস্টার আয়োজনে এখনো কিছু আসন ফাঁকা রয়েছে

প্রকাশিত :  ০৭:২৩, ০৯ এপ্রিল ২০২৬

টিলার লেজার সেন্টার ও মাইল এন্ড পার্কে ইস্টার আয়োজনে এখনো কিছু আসন ফাঁকা রয়েছে

ইস্টার হলিডের শেষ মুহূর্তে এসেও শিশুদের জন্য আনন্দের খোঁজে যারা এখনো দৌড়াচ্ছেন, তাদের জন্য খুশির খবর বয়ে এনেছে বি ওয়েল। টিলার লেজার সেন্টারে সাঁতারের ক্র্যাশ কোর্স ও মাইল এন্ড পার্ক লেজার সেন্টার অ্যান্ড স্টেডিয়ামে ইস্টার হলিডে ক্লাবে এখনো কিছু ফাঁকা স্থান রয়েছে।

বি ওয়েলের আয়োজিত এই সাঁতারের ক্র্যাশ কোর্সটি দৈনিক পাঠের মাধ্যমে সাঁতারের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার জন্য উপযুক্ত, যেখানে বন্ধুবৎসল ও যোগ্য প্রশিক্ষকরা শিশুদের শুরু থেকে শেখাবেন। এই কোর্সটি শিক্ষানবিস ও যারা নিজেদের দক্ষতা বাড়াতে চান, তাদের সবার জন্য উন্মুক্ত।

অন্যদিকে, মাইল এন্ড পার্ক লেজার সেন্টার অ্যান্ড স্টেডিয়ামে অবস্থিত ইস্টার হলিডে ক্লাবটি দৈনিক ভিত্তিতে বুক করা যায় এবং সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে। এই ক্লাবে শিশুরা অ্যাথলেটিকস, জিমন্যাস্টিকস, সাঁতার, আর্টস অ্যান্ড ক্র্যাফটস, ফুটবলসহ আরও নানা খেলায় অংশ নিতে পারবে।

গত ৩০ মার্চ থেকে শুরু হওয়া এই ইস্টার হলিডে ক্লাব ৯ এপ্রিল পর্যন্ত সপ্তাহের সোম থেকে বৃহস্পতিবার চলবে, তবে ৬ এপ্রিল ব্যাংক হলিডে বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন থাকবে বাউন্সি ক্যাসল ও ট্রাম্পোলিনিংয়ের মতো আকর্ষণীয় কার্যক্রম।

টাওয়ার হ্যামলেটসের কোনো স্কুলে পড়ে এমন ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী শিশু যারা বিনামূল্যের স্কুল খাবারের আওতায় পড়ে, তাদের জন্য এই ক্লাবে বিনামূল্যে অংশ নেওয়ার সুযোগ আছে, তবে স্থান সীমিত এবং আগে আসলে আগে পাবেন নীতিতে বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা সরাসরি https://towerhamletscouncil.gladstonego.cloud/book এই ওয়েবসাইটে গিয়ে বুকিং করতে পারবেন। তাই আর দেরি নয়, ছুটির শেষ মুহূর্তটুকু শিশুদের জন্য স্মরণীয় করে তুলতে এখনই সুযোগটা নিন।


কমিউনিটি এর আরও খবর

img

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগে গোল্ডেন ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল

প্রকাশিত :  ০৮:১৫, ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মো : ফেরদৌস আহমাদ: আবাসন খাতে গোল্ডেন ভিসা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর থেকে সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে ভিসা দিচ্ছে পর্তুগাল সরকার। এক্ষেত্রে বেশকিছু বাংলাদেশিও সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সুবিধা নিয়েছেন।

সাংস্কৃতিক বিনিয়োগের মাধ্যমে গোল্ডেন ভিসার সবচেয়ে বেশি সুবিধা নিয়েছেন মার্কিন নাগরিকরা। তারা মোট ১২০টি অনুদান দিয়েছেন। ৭০টি অনুদান দিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন চীনারা।

এরপরই ৩০টি ভিসা নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছেন ভারতীয়রা। এ তালিকায় ব্রিটিশ, পাকিস্তানি, তুর্কি ও ইরাকি নাগরিকদের পাশাপাশি শীর্ষ দেশগুলোর কাতারে রয়েছে বাংলাদেশ, ইরান ও জর্ডান।

এছাড়া ৩৬টি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে দাতার জাতীয়তা উল্লেখ করা হয়নি।

২০২৫ সালের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, গোল্ডেন ভিসা পাওয়ার লক্ষ্যে দেশটির সাংস্কৃতিক কর্মসূচিতে বিদেশি কোটিপতিদের অনুদানের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৯৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ৪৬ মিলিয়ন ইউরোতে পৌঁছেছে।

২০২৪ সালে এ খাতে বিনিয়োগের পরিমাণ ছিল মাত্র ১১ মিলিয়ন ইউরো। অনুদানের এই উল্লম্ফনের ফলে চলতি বছর এ প্রক্রিয়ায় বসবাসের অনুমতি পাওয়ার হারও প্রায় পাঁচ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্যমতে, এই বিশাল বিনিয়োগের বিপরীতে ২০২৫ সালে ২১১টি বসবাসের অনুমতিপত্র বা রেসিডেন্স পারমিট জারি করা হয়েছে, যা ২০২৪ সালে ছিল মাত্র ৫০টি। বর্তমানে পর্তুগিজ আইন অনুযায়ী কোনো বিদেশি নাগরিক দেশটির শিল্পকলা বা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের রক্ষণাবেক্ষণে ন্যূনতম ২ লাখ ৫০ হাজার ইউরো দান করলে এই গোল্ডেন ভিসার জন্য আবেদন করতে পারেন।

সাংস্কৃতিক অনুদান ছাড়াও অন্তত ১০টি কর্মসংস্থান সৃষ্টি অথবা ৫ লাখ ইউরো বা তার বেশি মূলধন স্থানান্তরের মাধ্যমেও পর্তুগালে গোল্ডেন ভিসার মাধ্যমে বসবাসের সুযোগ পাওয়া সম্ভব।


কমিউনিটি এর আরও খবর