img

ছাত্রদলকে সালাহউদ্দিন আম্মারের কটাক্ষ

প্রকাশিত :  ০৮:২৫, ২৬ এপ্রিল ২০২৬

ছাত্রদলকে সালাহউদ্দিন আম্মারের কটাক্ষ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের ছাত্রত্ব ও ক্যাম্পাসে দীর্ঘ অবস্থান নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রসংসদ (রাকসু)-র সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

আজ রোববার (২৬ এপ্রিল) নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে দেওয়া এক বার্তায় তিনি ছাত্রদলের বর্তমান কমিটির নেতাদের শিক্ষাবর্ষের সাথে নিজের শৈশব ও শিক্ষা জীবনের তুলনা করে কটাক্ষ করেন।

সালাহউদ্দিন আম্মার তার পোস্টে উল্লেখ করেন, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি ২০০৬-০৭ সেশনের শিক্ষার্থী। সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ‘আপনার সংগঠনের সভাপতি যখন ২০০৬-০৭ সেশনের, তখন আমি মক্তবে হাফ প্যান্ট পরে আলিফ-বা-তা শিখতেছি।’

একইভাবে সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ২০০৭-০৮ সেশনের হওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ওই সময়ে তিনি দুনিয়ার সব চিন্তা বাদ দিয়ে স্কুলের টিফিনে বিস্কুট পাওয়া নিয়ে ব্যস্ত ছিলেন।

ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের শিক্ষাবর্ষ নিয়েও মন্তব্য করেন রাকসু জিএস। তিনি জানান, যখন ঢাবি শাখার সভাপতি ২০১০-১১ সেশনের শিক্ষার্থী ছিলেন, তখন তিনি মাত্র তৃতীয় শ্রেণিতে পড়তেন। আর ২০১১-১২ সেশনের সাধারণ সম্পাদকের সময় তিনি কেবল প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিএসসি) পরীক্ষা দিচ্ছিলেন।

নিজের শিক্ষা জীবনের অগ্রগতির চিত্র তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, এরপর তিনি একে একে অষ্টম শ্রেণি ও দশম শ্রেণির গণ্ডি পার হয়েছেন। মাঝে করোনার কারণে জীবন কিছুটা থমকে গেলেও আলিম পরীক্ষা দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছেন। বর্তমানে তার শিক্ষা জীবন প্রায় শেষের দিকে। নিজের এই পরিক্রমাকে তিনি জীবনের একটি ‘ফুল ভার্সন আপডেট’ হিসেবে অভিহিত করেন।

ছাত্রদল নেতাদের বর্তমান অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন তুলে তিনি বলেন, ‘আমি শৈশব থেকে কৈশোর, কৈশোর থেকে তারুণ্য, তারুণ্য থেকে প্রায় ক্যারিয়ারের দরজায়। পুরা লাইফের একটা ফুল ভার্সন আপডেট দিয়ে ফেললাম। আর ওনারা? স্টিল রানিং অন দ্য সেম ওল্ড বেটা ভার্সন ইন ক্যাম্পাস!’

আগামী দেড় বছরের মধ্যে নিজের ক্যাম্পাস জীবন শেষ হবে জানিয়ে রাকসু জিএস আরও বলেন, ‘আমি ইনশাআল্লাহ এক-দেড় বছরের মধ্যে ক্যাম্পাস ছাড়বো আর ওনারা তখনো নতুন ব্যাচকে বলবেন, “আমরা তোদের সিনিয়র… আমাদের সময়…”।’

ছাত্রদলের নেতাদের ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত দীর্ঘ সময় অবস্থানকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, ‘ভাই! আপনারা সিনিয়র না, আপনারা তো ক্যাম্পাসের “ঐতিহ্য” হয়ে গেছেন! মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসতো!’


শিক্ষা এর আরও খবর

img

অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য হলেন ৩ শিক্ষাবিদ

প্রকাশিত :  ১০:১১, ২৭ জুলাই ২০২৬

সরকার বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে তিনজন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও গবেষককে নিয়োগ দিয়েছে । রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭-এর ৬(২) ও ৯(১) ধারা অনুযায়ী তাদেরকে এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন- ড. আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল, ড. মো. শাহ এমরান ও ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান।

ড. আহমেদ আবদুল্লাহ জামাল বর্তমানে সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটি, ঢাকার অধ্যাপক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। 

ড. মো. শাহ এমরান বর্তমানে ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশের ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসিউটিক্যাল কেমিস্ট্রি বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক ও চেয়ারম্যান। 

ড. মো. ওয়াকিলুর রহমান বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ-এর ডিপার্টমেন্ট অব রুরাল সোসিওলোজির গ্রেড-২ অধ্যাপক।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, তাদের নিয়োগের মেয়াদ হবে চার বছর। তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাদেরকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারবে।

পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে তারা তাদের বর্তমান পদ অথবা অবসরের অব্যবহিত পূর্ববর্তী পদের সমপরিমাণ বেতন-ভাতা পাবেন। 

পাশাপাশি বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল আইন, ২০১৭-এর ৭(৪) ধারা অনুযায়ী পদমর্যাদা এবং প্রচলিত বিধি অনুযায়ী পদ-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সুবিধাও প্রাপ্য হবেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব নাঈমা খন্দকার স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে জারিকৃত এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

শিক্ষা এর আরও খবর