img

ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

প্রকাশিত :  ০৮:৩৫, ০১ জুন ২০২৬

ইরানের গোরুক শহর ও কেশম দ্বীপের সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র আবারও ইরানের সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে ‘আত্মরক্ষামূলক হামলা’ চালিয়েছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম)। এ হামলা চালানো হয়েছে ইরানের গোড়ুক শহর এবং কেশম দ্বীপে অবস্থিত রাডার ও ড্রোন স্থাপনাগুলোতে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সেন্টকম জানায়, আন্তর্জাতিক জলসীমায় একটি এমকিউ-১ ড্রোন ভূপাতিত করার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র এই অভিযান চালিয়েছে। খবর আল জাজিরার।

সংস্থাটি আরও দাবি করে, তাদের বাহিনী ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, একটি গ্রাউন্ড কন্ট্রোল স্টেশন এবং দুটি একমুখী আক্রমণাত্মক ড্রোন ধ্বংস করেছে, যেগুলো আঞ্চলিক জলসীমায় চলাচলকারী জাহাজগুলোর জন্য ‘স্পষ্ট হুমকি’ তৈরি করছিল।

সেন্টকমের ভাষ্য অনুযায়ী, ইরানের ‘আগ্রাসী পদক্ষেপের’ জবাবে এই হামলা পরিচালনা করা হয়। তবে ইরান সরকারের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি।

এই ঘটনার ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

প্রতিরক্ষা প্রদর্শনীতে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের নিষিদ্ধ করল ফ্রান্স

প্রকাশিত :  ১৮:৩৩, ০১ জুন ২০২৬

ফ্রান্স সরকার প্যারিসে অনুষ্ঠিতব্য ইউরোপের অন্যতম বৃহৎ প্রতিরক্ষা প্রদর্শনী \'ইউরোসাতোরি\' (Eurosatory)-তে ইসরায়েলের সরকারি কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণ নিষিদ্ধ করেছে। এই সিদ্ধান্তের ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় প্রদর্শনীতে কোনো জাতীয় প্যাভিলিয়ন খুলতে বা প্রতিনিধি দল পাঠাতে পারবে না। ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে মেলায় শুধু সরকারি কর্মকর্তারাই নন, ইসরাইলি অস্ত্র নির্মাতারাও বড় ধরনের সীমাবদ্ধতার মুখে পড়েছেন। প্রদর্শনীতে কোনো ধরনের আক্রমণাত্মক অস্ত্র বা সামরিক ব্যবস্থা প্রদর্শন করতে পারবে না ইসরাইলের কোনো কোম্পানি। তাদের কেবল আকাশ প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত পণ্য (এয়ার ডিফেন্স প্রোডাক্ট) প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ফ্রান্সের পক্ষ থেকে এই কঠোর পদক্ষেপ এমন এক সময়ে এলো, যার মাত্র এক সপ্তাহ আগে ইসরাইলের অতি-ডানপন্থী জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন-গভিরের ওপর দেশটিতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল ফরাসি কর্তৃপক্ষ। 

মূলত একটি বিতর্কিত ভিডিওচিত্র ছড়িয়ে পড়ার পর ফ্রান্স এই সিদ্ধান্ত নেয়। ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আটক হওয়া ফ্লোটিলা কর্মীদের চোখ ও হাত বাঁধা অবস্থায় মেঝেতে বসিয়ে রাখা হয়েছে এবং মন্ত্রী বেন-গভির তাদের সামনে দাঁড়িয়ে আনন্দ প্রকাশ করছেন। 

এই ঘটনার জের ধরেই ফরাসি প্রশাসন ইসরাইলি কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে একের পর এক কঠোর কূটনৈতিক ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ নিচ্ছে।

সূত্র: আল-জাজিরা।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর