img

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটেনের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

প্রকাশিত :  ১৪:৪৮, ০৪ অক্টোবর ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটেনের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটেনের হাইকমিশনার সারাহ কুক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। আজ রোববার (৪ অক্টোবর) বিকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

এসময় বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক বিষয়াদি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করা হয়।

সাক্ষাতে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় ও বহুমাত্রিক করার বিষয়ে গুরুত্বারোপ করা হয়। পাশাপাশি বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, শিক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন, অভিবাসন ও মানবসম্পদ উন্নয়নসহ পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রায় যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা চলমান রাখা এবং ভবিষ্যতে দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগের পরিধি আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও মতবিনিময় করা হয়।

সাক্ষাৎকালে তারা দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও এগিয়ে নেওয়া এবং পারস্পরিক স্বার্থে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এ সময় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবিরসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

ব্রিটেনের সতর্কতা

img

‘অজান্তে’ চীনের গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করছেন শতাধিক ব্রিটিশ শিক্ষাবিদ

প্রকাশিত :  ০৬:৫৬, ০১ অক্টোবর ২০২৬

ব্রিটেনের  অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংস্থা এমআই৫ জনসতর্কবার্তা দিয়ে জানিয়েছে, দেশটির শতাধিক শিক্ষাবিদ ও গবেষক অজান্তেই চীনের গোয়েন্দা সংস্থাকে সহযোগিতা করেছেন। এমআই৫-এর দাবি, ‘চায়না জেনারেল টেকনোলজি রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ নামে একটি ভুয়া বা ‘ফ্রন্ট’ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে চীনা গোয়েন্দা সংস্থা এসব গবেষণায় অর্থায়ন করেছিল।

এমআই৫ জানিয়েছে, এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চীনের পররাষ্ট্র ও জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রণালয়ের গভীর সম্পর্ক রয়েছে।

এই ভুয়া প্রতিষ্ঠানের প্রধান উদ্দেশ্য ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, গোপন যোগাযোগ এবং স্টেগানোগ্রাফির (বার্তার ভেতর গোপন তথ্য লুকিয়ে রাখা) মতো সংবেদনশীল প্রযুক্তিভিত্তিক গবেষণায় অর্থায়ন করা। এসব গবেষণা পরবর্তীতে চীনের সামরিক ও প্রযুক্তিগত গুপ্তচরবৃত্তির কাজে ব্যবহার করা হতো। বিবিসি জানিয়েছে, বেশির ভাগ ব্রিটিশ গবেষকই সৎ উদ্দেশ্যে যুক্ত ছিলেন, কারণ এর পেছনে চীনা সরকারের সরাসরি যোগসূত্রটি অস্পষ্ট রাখা হয়েছিল।

ব্রিটেনের নিরাপত্তামন্ত্রী ড্যান জার্ভিস জানিয়েছেন, জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষায় দেশটির সব বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের চিঠি দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা অবিলম্বে এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সব ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করেন। (এমআই৫) স্পষ্ট সতর্ক করে দিয়ে জানিয়েছে, ২০২৩ সালের নতুন ‘জাতীয় নিরাপত্তা আইন’ অনুযায়ী, এই বার্তার পরও যদি কোনো শিক্ষাবিদ বা প্রতিষ্ঠান চীনের এই সংস্থার সঙ্গে কাজ চালিয়ে যায়, তবে তাদের বিরুদ্ধে বিদেশি গোয়েন্দা সংস্থাকে সহায়তার অভিযোগে ফৌজদারি মামলা করা হতে পারে।

যুক্তরাজ্যের ১৪০টিরও বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিত্বকারী সংস্থা ‘ইউনিভার্সিটিজ ইউকে’ জানিয়েছে, তারা সতর্কতাটি খতিয়ে দেখছে এবং গবেষণার ঝুঁকি এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে। অন্যদিকে, লন্ডনে অবস্থিত চীনা দূতাবাস এই সমস্ত অভিযোগকে ‘কাল্পনিক ও সম্পূর্ণ বানোয়াট’ বলে দাবি করেছে।

তাদের মতে, শিক্ষাগত বিনিময় সব সময় দুই দেশের মধ্যে আইনি নিয়ম মেনেই হয়ে আসছে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর