img

“৫৩ বছরেও স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তাঞ্চল জকিগঞ্জ”

প্রকাশিত :  ১৬:৪৪, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪
সর্বশেষ আপডেট: ১৭:৪৩, ০৫ ডিসেম্বর ২০২৪

“৫৩ বছরেও স্বীকৃতি পায়নি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম মুক্তাঞ্চল জকিগঞ্জ”

ইস্ট লন্ডনের  আলতাব আলী পার্কের শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে গত ২১ নভেম্বর জকিগঞ্জ এসোসিয়েশন ইউকের উদ্যোগে জকিগঞ্জ মুক্ত অঞ্চল দিবস ও পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠিত হয়। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি শাহাদত হোসেন চৌধুরী। সার্বিকভাবে পরিচালনা করেন জেনারেল সেক্রেটারি আবুল হোসেন। প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন টাওয়ার হ্যামলেটস্ কাউন্সিলের স্পিকার কাউন্সিলর সাইফ উদ্দিন খালেদ। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের ট্রেজারার মাওলানা কাজী এমদাদুল হক, ব্যারিস্টার লুৎফুর রহমান, সলিসিটার মোহাম্মদ ইয়াওর উদ্দিন, জয়নাল আবদীন।

বক্তারা বলেন, "বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসের এক গৌরবময় এই দিন স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও দেশের প্রথম মুক্তাঞ্চল হিসেবে জকিগঞ্জের স্বীকৃতি

মিলেনি। জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি জকিগঞ্জকে মুক্তাঞ্চল ঘোষণা করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।" 

জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২০ নভেম্বর, ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সহযোগিতায় মুক্তিযোদ্ধারা পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে এক সাহসী অভিযান শুরু করেন। যুদ্ধের প্রথম দিন থেকেই মুক্তিযোদ্ধারা ৩টি দলের সমন্বয়ে জকিগঞ্জে এক ঝাঁঝালো আক্রমণ শুরু করেন, যার ফলস্বরূপ ২১ নভেম্বর সকালে জকিগঞ্জ মুক্ত হয়ে ওঠে। সেই সময় থেকে ২১ নভেম্বরকে ‘জকিগঞ্জ মুক্ত দিবস’ হিসেবে স্থানীয়ভাবে উদযাপন করা হয়।

এতবছর পরেও, জকিগঞ্জকে দেশের প্রথম মুক্তাঞ্চল হিসেবে রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি না দেওয়ার কারণে বক্তারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। 


বক্তারা আরো বলেন, "এই অঞ্চলের মুক্তাঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি প্রাপ্তি শুধু ইতিহাসের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে নয়, বরং এটি একটি এলাকাকে সম্মানিত করা মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধার করা।"

স্বাধীনতার ৫৩ বছর পরেও, দেশের এই প্রথম মুক্তাঞ্চলের গুরুত্ব না দেওয়াই বক্তারা হুতাশা প্রকাশ করেন তাই অবিলম্বে জকিগঞ্জকে প্রথম মুক্তাঞ্চল ঘোষণা দিয়ে পাঠ্য পুস্তকের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জোর দাবি জানান।- খবর সংবাদ বিজ্ঞপ্তির

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ধনকুবের

প্রকাশিত :  ০৫:৪৭, ০৭ জুন ২০২৬

বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত অস্ট্রেলীয় ধনকুবের রবিন খুদার প্রতিষ্ঠিত তথ্যভান্ডার কেন্দ্র পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান এয়ারট্রাংক ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলারের বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেঘভিত্তিক গণনাসেবার ক্রমবর্ধমান চাহিদাকে সামনে রেখেই এই বৃহৎ বিনিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর এ পরিকল্পনার কথা জানায় এয়ারট্রাংক। কোম্পানিটি দেশজুড়ে প্রায় ৫ গিগাওয়াট সক্ষমতার ডেটা সেন্টার গড়ে তুলতে চায়।

নরেন্দ্র মোদি বলেন, এই বিনিয়োগ ভারতের এআই ও ক্লাউড কম্পিউটিং খাতে বৈশ্বিক অবস্থান আরও শক্তিশালী করবে। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, স্থানীয় সরবরাহব্যবস্থার উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।

প্রস্তাবিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড়টি হবে মহারাষ্ট্রে। রাজ্যটির মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিস জানিয়েছেন, এয়ারট্রাঙ্ক সেখানে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন রুপি বিনিয়োগে ৩ গিগাওয়াট ক্ষমতার একটি ডেটা সেন্টার হাব নির্মাণ করবে। এ জন্য মুম্বাইয়ের উপকণ্ঠে রায়গড়ে জমি কেনার প্রাথমিক চুক্তিও করেছে প্রতিষ্ঠানটি।

ফোর্বস এশিয়াকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবিন খুদা বলেন, ভারত এমন একটি বাজার, যেখানে ভবিষ্যতের চাহিদার পরিসর আমাদের উচ্চাকাঙ্ক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। জনসংখ্যা, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার এবং এআই খাতে ভারতের অগ্রযাত্রা একে অনন্য করে তুলেছে।

এয়ারট্রাংক বর্তমানে অস্ট্রেলিয়া, হংকং, ভারত, জাপান, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চলতি বছরের এপ্রিলে কোম্পানিটি ভারতের মুম্বাইভিত্তিক ডেটা সেন্টার ডেভেলপার লুমিনা ক্লাউডইনফ্রাও অধিগ্রহণ করে।

ফোর্বসের তথ্য অনুযায়ী, রবিন খুদার বর্তমান সম্পদের পরিমাণ প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার। তিনি ২০১৫ সালে এয়ারট্রাঙ্ক প্রতিষ্ঠা করেন। ২০২৪ সালে ব্ল্যাকস্টোন ও কানাডা পেনশন প্ল্যান ইনভেস্টমেন্ট বোর্ডের নেতৃত্বাধীন একটি জোট ১৬ বিলিয়ন ডলারে কোম্পানিটি অধিগ্রহণ করলেও রবিন খুদা এখনও এতে মূল্যবান অংশীদারিত্ব ধরে রেখেছেন।


কমিউনিটি এর আরও খবর