img

হবিগঞ্জে হামলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ নেতা আহত

প্রকাশিত :  ০৭:৫৯, ১১ মে ২০২৫

হবিগঞ্জে হামলায় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৪ নেতা আহত

হবিগঞ্জে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবীতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ মিছিল শেষে ফেরার পথে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্য সচিব মাহদী হাসানসহ ৪ জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে দুর্বৃত্তরা। আহত অবস্থায় তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টায় এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জের সদস্য সচিব মাহদী হাসান, রকি, সাইদুর ও অন্তর। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের হবিগঞ্জ আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার।

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেলে হবিগঞ্জ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মীরা আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করে। অনুষ্ঠান শেষে সন্ধ্যা ৭টায় রিক্সাযোগে ফেরার পথে শহরের পুরাতন হাসপাতালের সামনে একদল দুর্বৃত্তরা তাদেরকে পিটিয়ে আহত করে। গুরুতর আহত অবস্থা তাদেরকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক আরিফ তালুকদার জানান, বিভিন্ন অভিযোগে সংগঠনের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক এনামুল হক সাবিককে স¤প্রতি বহিষ্কার করা হয়েছে। তার নেতৃত্বে হামলা করা হয়েছে।

হবিগঞ্জ সদর থানার ওসি তদন্ত সজল সরকার জানান, তাদের যুগ্ম আহŸায়ক এনামুল হক সাকিব হানমলা করেছে বলে জানতে পেরেছি। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখছে।

সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

হবিগঞ্জে কিশোরীকে ধর্ষণের পর হত্যা: দুই জনের মৃত্যুদণ্ড

প্রকাশিত :  ০৮:২৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হবিগঞ্জ জেলার নবীগঞ্জে কিশোরী জুবা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনায় দুই আসামির মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে হবিগঞ্জ নারী ও শিশু নির্যাতন ট্রাইব্যুনাল-৩-এর বিচারক সৈয়দা মিনহাজ উম মুনীরা এ রায় ঘোষণা করেন। ফাঁসির দণ্ডাদেশের পাশাপাশি আসামিদের প্রত্যেককে ২০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ডও দেওয়া হয়েছে।

দণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- নবীগঞ্জ উপজেলার হরিনগর গ্রামের মিরাশ উদ্দিনের ছেলে খলিল উদ্দিন (৩০) এবং একই গ্রামের ইশ্বাদ উল্লার ছেলে গোলাম হোসেন (৪৫)। রায় ঘোষণার সময় আসামিরা আদালতের কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন।

আদালত ও মামলার বিবরণ থেকে জানা যায়, ২০২১ সালের ২৬ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে হরিনগর গ্রামের সুফি মিয়ার মেয়ে জুবা আক্তারকে (১৭) অপহরণের পর সংঘবদ্ধ ধর্ষণ ও হত্যা করা হয়।

নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধীরা কিশোরীর হাত-পা বেঁধে মরদেহ নবীগঞ্জ উপজেলার কাজীর বাজার-মার্কুলি সড়কের পাশের একটি ধানক্ষেতে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

পুলিশ খবর পেয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

এই ঘটনায় পরদিন নিহতের বাবা সুফি মিয়া বাদী হয়ে খলিল ও গোলাম হোসেনকে অভিযুক্ত করে নবীগঞ্জ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।

পুলিশ ঘটনার তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। রাষ্ট্রপক্ষের ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ এই চূড়ান্ত রায় প্রদান করেন।

রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন বিশেষ পিপি অ্যাডভোকেট কামাল উদ্দিন সেলিম।

সিলেটের খবর এর আরও খবর