img

ভারতে বিমান দুর্ঘটনা: কেউ বেঁচে নেই বলে আশঙ্কা পুলিশের

প্রকাশিত :  ১৩:২১, ১২ জুন ২০২৫

ভারতে বিমান দুর্ঘটনা: কেউ বেঁচে নেই বলে আশঙ্কা পুলিশের

আহমেদাবাদে বিধ্বস্ত হওয়া এয়ার ইন্ডিয়ার লন্ডনগামী বিমানের ঘটনায় কেউ ‘বেঁচে নেই’ বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয় পুলিশপ্রধান।

\r\nআন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি ও এপি জানিয়েছে, পুলিশপ্রধান প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে বলেছেন, ‘মনে হচ্ছে বিমানে থাকা ‘সব আরোহীই প্রাণ হারিয়েছেন’।

\r\nবিমানে মোট ২৪২ জন আরোহী ছিলেন যাদের মধ্যে দুজন জন পাইলট, ১০ জন কেবিন ক্রু এবং ২৩০ জন যাত্রী ছিলেন। বিধ্বস্ত হওয়ার আগে বিমানটি একটি ‘মেডে কল’ পাঠিয়েছিল, যা চরম বিপদের সংকেত।

উদ্ধারকাজ চলমান থাকলেও কালো ধোঁয়া ও আগুনে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা। বিমানটি একটি মেডিকেলের হোস্টেলে ভেঙে পড়ে।

\r\nসরকারি সূত্রে এখনো হতাহতের চূড়ান্ত সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়নি।

বিবিসি


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ইরানের কোনো প্রতিনিধি এখনও ইসলামাবাদে পৌঁছায়নি

প্রকাশিত :  ১১:২৮, ২১ এপ্রিল ২০২৬

‘মঙ্গলবার পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের প্রতিনিধিদের মধ্যে চুক্তি হবে’— নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প এমন দাবি করলেও ইরান এখন পর্যন্ত ইসলামাবাদে কোনো প্রতিনিধি দল পাঠায়নি। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচার মাধ্যম ইরনা নিশ্চিত করেছে এ তথ্য।

ইরনা জানিয়েছে, “এখন পর্যন্ত ইরান থেকে কোনো প্রতিনিধি দল ইসলামাবাদে যায়নি। কোনো উচ্চ পর্যায়ের, মাঝারি পর্যায়ের কিংবা পূর্ববর্তী বৈঠকের কোনো ফলোআপ দল সেখানে যায়নি।”

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক গণমাধ্যমে ইরানের প্রতিনিধি দলের ইসলামাবাদে রওনা হওয়া, পৌঁছানো বা সম্ভাব্য আগমনের তারিখ সংক্রান্ত যেসব খবর প্রকাশ হয়েছে, সেসবকে ‘গুজব’ বলে দাবি করা হয়েছে ইরনার পোস্টে।

সেই সঙ্গে মার্কিন প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের ইস্যুতে নিজেদের পুরোনো অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছে ইরান। বলা হয়েছে, ইরান কোনো চাপের মুখে আত্মসমর্পণ করবে না।

গত ১১ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানি প্রতিনিধিদের প্রথম দফা সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর দ্বিতীয় দফা সংলাপ আয়োজনের প্রস্তুতি শুরু করেছিল পাকিস্তান। সেই সংলাপের জন্য নির্ধারিত দিন ছিল ২২ এপ্রিল।

কিন্তু প্রথম দফা সংলাপ ব্যর্থ হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি এবং ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের নির্দেশ দেন ট্রাম্প, যা দ্বিতীয় দফা সংলাপের সম্ভাবনাকে অনেকটাই ফিকে করে দেয়।

সম্প্রতি পাকিস্তানের সেনা ও প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির ট্রাম্পকে হরমুজ ও ইরানি বন্দর থেকে অবরোধ প্রত্যাহারের পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, এই অবরোধ সংলাপের পথে অন্তরায়।

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেছেন, পাকিস্তানের সেনাপ্রধানের পরামর্শ তিনি বিবেচনা করবেন।

এদিকে গতকাল এক্সে পোস্ট করা এক বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার গভীর অনাস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ‘অগঠনমূলক’ মনোভাবকে সংলাপের একটি বড় বাধা বলে উল্লেখ করেছেন।

এক্সবার্তায় তিনি বলেছেন, “একটি অর্থপূর্ণ সংলাপের ভিত্তি হলো প্রতিশ্রুতির প্রতি সম্মান। যুক্তরাষ্ট্রের সরকারের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে ইরান গভীরভাবে আস্থার সংকটে ভোগে এবং এই সংকট ঐতিহাসিক। সেই সঙ্গে মার্কিন অগঠনমূলক এবং পরস্পরবিরোধী সংকেত তিক্ত বার্তা দেয়।”

সূত্র : বিবিসি