img

লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আপসানা নতুন বিতর্কে

প্রকাশিত :  ০৫:৪১, ০২ নভেম্বর ২০২৫
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৩৫, ০২ নভেম্বর ২০২৫

লন্ডনে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত এমপি আপসানা নতুন বিতর্কে

আবারও নতুন বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে লন্ডনের বাংলাদেশি অধ্যুষিত পপলার–অ্যান্ড–লাইমহাউস এলাকার সংসদ সদস্য আপসানা বেগম । প্রচুর আয় থাকা সত্ত্বেও তিনি এখনও কাউন্সিলের ঘরে থাকেন—এমন অভিযোগ ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। এতে স্থানীয় রাজনীতি ও বাংলাদেশি কমিউনিটিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারী একজন অভিযোগ করেন, এলাকার হাজারো মানুষ এখনও সরকারি বাসস্থানের জন্য অপেক্ষায়, গৃহহীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে; অথচ একজন উচ্চ আয়ের জনপ্রতিনিধি দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ ঘর ব্যবহার করছেন।

পোস্টটি ছড়িয়ে পড়ার পর একদল নাগরিক এই অভিযোগকে সমর্থন দিয়ে আপসানা বেগমের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে আরেকদল তাকে সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলেন, তিনি ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে দাঁড়িয়েও সমাজের বঞ্চিত শ্রেণির পক্ষে কাজ করছেন।

তারা আরও বলছেন, তিনি ঘরোয়া নির্যাতনের শিকার ছিলেন। সংখ্যালঘু নারী হিসেবে রাজনীতিতে বিরূপ পরিস্থিতি মোকাবিলা করছেন। সাধারণ মানুষের মতো সরকারি সুবিধা নেওয়ায় আপসানা বেগমের ভুল নেই বলেও মস্তব্য করেছেন তারা।

সমালোচকরা বলছেন, উচ্চ আয়ের ব্যক্তি হয়েও দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ বাসায় থাকা অনৈতিক।

প্রসঙ্গত, আপসানা বেগম বেড়ে উঠেছেন টাওয়ার হ্যামলেটসে। তার প্রয়াত বাবা এলাকাটির সাবেক জনপ্রতিনিধি ছিলেন। চলতি বছর পারিবারিক সহিংসতা নিয়ে সংসদে আবেগঘন বক্তৃতা দিয়ে তিনি আলোচনায় আসেন। সমাজে নির্যাতিত নারীদের পক্ষে তার অবস্থান প্রশংসিত হয়।

আপসানা বেগমের পারিবারিক শিকড় সিলেটের সুনামগঞ্জে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

এপস্টেইন কেলেঙ্কারি

img

এবার ব্রিটেনের রয়্যাল লজ ছাড়লেন রাজা চার্লসের ভাই অ্যান্ড্রু

প্রকাশিত :  ১৯:৩৬, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪২, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য এবং রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর উইন্ডসরের রয়্যাল লজ ত্যাগ করে নরফকের স্যান্ড্রিংহাম এস্টেট-এ চলে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি উড ফার্ম কটেজে থাকছেন এবং ভবিষ্যতে মার্শ ফার্ম-এ স্থায়ীভাবে বসবাস করবেন।

বাকিংহাম প্যালেস ২০২৫ সালের অক্টোবরেই ঘোষণা করেছিল, অ্যান্ড্রুকে রয়্যাল লজ ছাড়তে হবে এবং তাঁর প্রিন্স উপাধি বাতিল করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন-এর সঙ্গে সম্পর্ক সম্পর্কিত নতুন নথি প্রকাশের প্রভাব রয়েছে।

অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের মধ্যে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ব্র্যাড এডওয়ার্ডস একাধিক নারীর পক্ষে আদালতে লড়াই চালাচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী ২০১০ সালে একটি নারীকে রয়্যাল লজে আনা হয়েছিল, যেখানে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। অ্যান্ড্রু সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

২০১৪ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অ্যান্ড্রু ও এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। ২০২২ সালে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের সমঝোতা করা হয়, এবং জিউফ্রে পরবর্তীতে ২০২৫ সালে মারা যান।

নতুন প্রকাশিত নথি ও ই-মেইলগুলিতে এপস্টেইনের বৃহৎ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং তার প্রভাবশালী পরিচিতদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ২০০৮ সালে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে যৌনবৃত্তিতে প্রলুব্ধ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও, ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে মারা যান।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর