img

যুক্তরাজ্যে ভিসা জালিয়াতি করলে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

প্রকাশিত :  ১২:১৭, ২৫ নভেম্বর ২০২৫

যুক্তরাজ্যে ভিসা জালিয়াতি করলে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা

বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাজ্যে যাবার জন্য যদি কেউ ভিসা জালিয়াতির করে কিংবা অবৈধ পথ অবলম্বন করে তবে তাকে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দেবে যুক্তরাজ্য সরকার।  আজ মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) দুপুরে দেশটির ঢাকাস্থ হাইকমিশন থেকে পাঠানো এক বিবৃতিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। 

বিবৃতিতে বলা হয়, জাল ভিসার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের অংশ হিসেবে যুক্তরাজ্য থেকে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

এতে উল্লেখ করা হয়, অপরাধী এবং প্রতারকদের দ্বারা পরিচালিত প্রতারণামূলক কার্যকলাপের ফলে প্রতি বছর ভিসা আবেদনকারীদের লাখ লাখ পাউন্ড ক্ষতি হয়। বাংলাদেশ এবং বিশ্বজুড়ে দুর্বল মানুষকে শোষণ, আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করা এবং এর ফলে আইনকে ঝুঁকিতে ফেলে। বিশ্বব্যাপী ভিসা জালিয়াতি এবং অবৈধ অভিবাসন সুবিধা উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। অপরাধীদের নেটওয়ার্ক সম্ভাব্য ভিসা আবেদনকারীদের প্রতারণা করার জন্য ক্রমবর্ধমান পরিশীলিত কৌশল ব্যবহার করছে। ভুক্তভোগীদের প্রায়শই অতিরিক্ত ফিসের বিনিময়ে ভিসা নিশ্চিতকরণ, যথাযথ যোগ্যতা ছাড়াই চাকরি বা দ্রুত প্রক্রিয়াকরণের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। বাস্তবতা হল আর্থিক ক্ষতি, ভিসা প্রত্যাখ্যান, ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা এবং সবচেয়ে খারাপ ক্ষেত্রে হলো-পাচার এবং শোষণ।

ঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুকঢাকায় যুক্তরাজ্যের হাইকমিশনার সারাহ কুক

ভিসাপ্রত্যাশীদের উদ্দেশে হাইকমিশনার সারাহ কুক জানান, যুক্তরাজ্যের ভিসা আবেদনকারীদের ভিসা সংক্রান্ত তথ্যের জন্য সর্বদা সরকারি ওয়েবসাইট ব্যবহার করা উচিত এবং সরকারি ওয়েবসাইট (www.gov.uk) এর মাধ্যমে আবেদন করা উচিত। তবে যারা জালিয়াতির চেষ্টা করেন, তাদের গুরুতর পরিণতি ভোগ করতে হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১০ বছরের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা।


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত, জ্বালানি মূল্য নিয়ে সতর্ক ব্যাংক অব ইংল্যান্ড

প্রকাশিত :  ১১:৫৮, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

যুক্তরাজ্যে মূল সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশে অপরিবর্তিত রেখেছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। টানা ষষ্ঠবারের মতো সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে দেশটির মুদ্রানীতি কমিটি। তবে জ্বালানির উচ্চমূল্য দীর্ঘস্থায়ী হলে ভবিষ্যতে সুদের হার বাড়ানোর প্রয়োজন হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি।

ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে। এর প্রভাব পড়েছে যুক্তরাজ্যের বাজারেও। বেড়েছে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম, যার ফলে মূল্যস্ফীতির ওপরও বাড়ছে চাপ।

এই পরিস্থিতিতে ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতি কমিটি মূল সুদের হার ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশে রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। ব্যাংকটির এই হার যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন ব্যাংক ও ঋণদাতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বেঞ্চমার্ক হিসেবে কাজ করে। এর ওপর ভিত্তি করে ঋণ ও সঞ্চয়ের সুদের হার নির্ধারণে প্রভাব পড়ে।

ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মূল্যস্ফীতির লক্ষ্যমাত্রা ২ শতাংশ। কিন্তু প্রায় দুই বছর ধরে দেশটির মূল্যস্ফীতি এই লক্ষ্যমাত্রার ওপরে রয়েছে। আগস্টে মূল্যস্ফীতি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ দশমিক ১ শতাংশে।

বৃহস্পতিবার প্রকাশিত নতুন পূর্বাভাসে ব্যাংকটি জানিয়েছে, আগামী বছরের শুরুতে মূল্যস্ফীতি ৪ শতাংশের সামান্য ওপরে উঠতে পারে। একই সময়ে জানুয়ারিতে পরিবারগুলোর গ্যাস ও বিদ্যুতের বিলের সর্বোচ্চ মূল্যসীমা বা ‘প্রাইস ক্যাপ’ আগের পূর্বাভাসের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

গভর্নর অ্যান্ড্রু বেইলি বলেন, জ্বালানির দাম বাড়ার সরাসরি প্রভাব অর্থনীতিতে ইতোমধ্যে স্পষ্ট। তবে জ্বালানির অতিরিক্ত ব্যয় পণ্য ও সেবার অন্যান্য দামে কতটা ছড়িয়ে পড়বে, তা এখনো মূল্যায়ন করছেন ব্যাংকের কর্মকর্তারা।

এদিকে যুক্তরাজ্য সরকারের বন্ড বিক্রির গতিও কমানোর ঘোষণা দিয়েছে ব্যাংক অব ইংল্যান্ড। এর ফলে দীর্ঘমেয়াদি সরকারি ঋণের ব্যয় কিছুটা কমেছে।

সব মিলিয়ে জ্বালানির মূল্য, মূল্যস্ফীতির চাপ এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি—এই তিনটি বিষয় এখন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের মুদ্রানীতির অন্যতম প্রধান বিবেচনা। আগামীতে মূল্যস্ফীতির গতিপ্রকৃতি ও জ্বালানি বাজারের পরিস্থিতির ওপরই সুদের হারের পরবর্তী সিদ্ধান্ত অনেকাংশে নির্ভর করবে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর