img

এখন থেকে ব্রিটেনে আশ্রয় পেতে চাইলে গুনতে হবে ১৬ লাখ টাকা

প্রকাশিত :  ০৮:৪৬, ৩০ জুন ২০২৬

এখন থেকে ব্রিটেনে আশ্রয় পেতে চাইলে গুনতে হবে ১৬ লাখ টাকা

ব্রিটেনে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য আরও কঠোর অভিবাসন আইন আনতে যাচ্ছে ব্রিটিশ সরকার। প্রস্তাবিত আইনে, আশ্রয়প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া ব্যক্তিদের রাষ্ট্রীয় খরচে থাকা-খাওয়ার জন্য ব্যয় করা অর্থের অংশ হিসেবে প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা) পরিশোধ করতে হবে। এ অর্থ পরিশোধ না করলে তারা স্থায়ীভাবে যুক্তরাজ্যে বসবাসের অনুমতি (সেটেলমেন্ট) পাওয়ার জন্য আবেদন করতে পারবেন না।

আজ মঙ্গলবার (৩০ জুন) এ-সংক্রান্ত প্রস্তাবটি ব্রিটিশ পার্লামেন্টে উপস্থাপিত হওয়ার কথা রয়েছে।

নতুন এই আয়ভিত্তিক পরিশোধ ব্যবস্থা অভিবাসন ও আশ্রয় আইন -এর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তারা এটিকে শিক্ষা ঋণ ব্যবস্থার সঙ্গে তুলনা করেছেন। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার ও শরণার্থী সহায়তা সংস্থা এর তীব্র সমালোচনা করেছে। তাদের অভিযোগ, যুদ্ধ, নির্যাতন ও দুর্ভিক্ষ থেকে পালিয়ে আসা শরণার্থীদের ওপর এটি কার্যত অতিরিক্ত কর আরোপের শামিল।

অভিবাসন বিশেষজ্ঞদের মতে, এই প্রকল্প থেকে সরকারের আয় খুবই সীমিত হবে। কারণ আশ্রয় পাওয়ার পাঁচ বছর পরও শরণার্থীদের ১৫ শতাংশেরও কম বছরে ২০ হাজার পাউন্ডের (প্রায় ৩২ লাখ টাকা) বেশি আয় করেন।

ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদ এই পরিকল্পনার ঘোষণা দিয়েছেন। বর্তমানে আশ্রয়প্রার্থীদের আবাসন ও সহায়তায় বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি পাউন্ড ব্যয় হওয়ায় সরকার তীব্র চাপের মুখে রয়েছে।

শাবানা মাহমুদ বলেন, আশ্রয় সহায়তা পাওয়া একটি অধিকার, তবে এটি একই সঙ্গে একটি দায়িত্বও। মানুষ যখন আয় করতে সক্ষম হবে এবং ব্রিটিশ জনগণের উদারতার প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ্য অর্জন করবে, তখন আমরা তাদের কাছ থেকে সেই অবদান প্রত্যাশা করি।

হোম অফিস জানিয়েছে, আশ্রয়প্রার্থীদের মোট প্রায় ১০ হাজার পাউন্ড ফেরত দিতে হবে। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রয়োজন অনুযায়ী এই অর্থের পরিমাণ পরিবর্তন করতে পারবেন।

২০২৩ সালের এক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পাঁচ বছর আগে শরণার্থী মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে মাত্র ১৩ শতাংশের বার্ষিক আয় ছিল ২০ হাজার পাউন্ড বা তার বেশি। বাকিরা হয় কর্মহীন ছিলেন, নয়তো এর চেয়ে কম আয় করছিলেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যের জাতীয় জীবিকা নির্বাহযোগ্য মজুরি বছরে প্রায় ২৫ হাজার পাউন্ডের সামান্য কম।

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইগ্রেশন অবজারভেটরির পরিচালক ম্যাডেলিন সাম্পশন বলেন, তথ্য-উপাত্ত বলছে, ন্যূনতম মজুরির তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে কম সীমা নির্ধারণ না করলে খুব অল্পসংখ্যক শরণার্থীই এই প্রকল্পে অর্থ পরিশোধের মতো আয় করবেন।

তিনি বলেন, এটি খুব কম আয়ের মানুষের জন্য আয়ভিত্তিক অর্থপ্রদানের ব্যবস্থা হওয়ায় সরকারি অর্থনীতিতে এর প্রভাবও তুলনামূলকভাবে সীমিত থাকবে। তার মতে, এই প্রকল্প সফল আশ্রয়প্রার্থীদের কাজ খুঁজে নিতে নিরুৎসাহিত করতে পারে। আবার কেউ কেউ অর্থ পরিশোধ এড়াতে বিকল্প আবাসনের দিকেও ঝুঁকতে পারেন।

তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনার ফলে কেউ হয়তো সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে না থেকে অন্য সহায়তার চেষ্টা করবেন। আবার শরণার্থী মর্যাদা পাওয়ার পর বেশি কার্যকর করহার দিতে হবে ভেবে কাজ করতেও অনীহা তৈরি হতে পারে।

দ্য গার্ডিয়ান হোম অফিসের কাছে প্রকল্পটির পূর্ণ ব্যয়, আয়সীমা ও কোন পর্যায় থেকে আশ্রয়প্রার্থীদের অর্থ পরিশোধ শুরু করতে হবে- এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানতে চেয়েছিল।

হোম অফিসের একজন মুখপাত্র বলেন, আয়সীমাসহ বিস্তারিত বিষয়গুলো দ্বিতীয় পর্যায়ের বিধিমালায় নির্ধারণ করা হবে। এসব চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত প্রকল্পটির প্রকৃত ব্যয় নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।

এদিকে, প্রস্তাবিত ইমিগ্রেশন অ্যান্ড অ্যাসাইলাম বিল-এ ইউরোপীয় মানবাধিকার সনদের অনুচ্ছেদ ৮ অভিবাসন ও বহিষ্কারসংক্রান্ত মামলায় কীভাবে প্রয়োগ হবে, সে বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হবে। পাশাপাশি অভিবাসীদের বয়স নির্ধারণ প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার পরিকল্পনাও রয়েছে।

এ ছাড়া, আধুনিক দাসত্ব (Modern Slavery)-সংক্রান্ত আইনি কাঠামোও সংশোধন করা হবে, যাতে দেরিতে দাবি উপস্থাপনের প্রবণতা বন্ধ করা যায়।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

একসময় লেবার পার্টিতে উপেক্ষিত অ্যান্ডি বার্নহাম এখন ব্রিটিশ রাজনীতির কেন্দ্রে

প্রকাশিত :  ১৪:৪৬, ২৫ জুন ২০২৬

অ্যান্ডি বার্নহামকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী কিয়ার স্টারমারের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত দলীয় কাউন্সিলের মূল মঞ্চে বক্তব্য দেওয়া থেকে বারবার বঞ্চিত করা হয়েছিল। গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়র হিসেবে এটি ছিল তাঁর পদের প্রতি চরম অসম্মান।

লেবার পার্টির অন্যতম জনপ্রিয় এই রাজনীতিকের প্রতি তখন অনেকেরই সহানুভূতি ছিল। তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে থাকা বার্নহামকে এখন প্রমাণ করতে হবে, তিনি সত্যিই মূল মঞ্চের যোগ্য। একই সঙ্গে ক্ষুব্ধ ভোটারদের মন জয় করা এবং অর্থনৈতিক সংকট কাটিয়ে ওঠার বড় চ্যালেঞ্জও এখন তাঁর সামনে।

যুক্তরাজ্যে গত এক দশকের মধ্যে সপ্তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিতে চলেছেন নতুন নেতা। আর এই দৌড়ে এগিয়ে আছেন অ্যান্ডি বার্নহাম।

বার্নহামের দাবি, লেবার পার্টির মধ্যে একমাত্র তাঁরই ভোটারদের মন জয় করে রিফর্ম ইউকে পার্টিকে পরাজিত করার দূরদর্শিতা রয়েছে। নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন জনতুষ্টিবাদী ও অভিবাসনবিরোধী রিফর্ম ইউকে পার্টি গত বছরের শুরু থেকেই প্রতিটি জনমত জরিপেই এগিয়ে আছে।

গত সপ্তাহে পার্লামেন্টের মেকারফিল্ড আসনের উপনির্বাচন অ্যান্ডি বার্নহাম নিরঙ্কুশ জয়লাভ করেন। এই জয় লেবার পার্টির অনেক আইনপ্রণেতাকে তাঁর পক্ষে নিয়ে এসেছে। অথচ ওই এলাকায় সাম্প্রতিক স্থানীয় নির্বাচনে রিফর্ম ইউ পার্টি বেশ শক্তিশালী অবস্থানে ছিল। গতকাল সোমবার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর দলের ভেতরে বার্নহামের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে।

লেবার পার্টির পার্লামেন্ট সদস্য অ্যালেক্স সোবেল বলেন, ভোটারদের সামনে লেবার পার্টির ভবিষ্যৎ ভাবনা তুলে ধরার ক্ষেত্রে বার্নহাম নিজের যোগ্যতার প্রমাণ দিয়েছেন।

সমর্থকদের প্রশংসা, সমালোচকদের প্রশ্ন

কোভিড-১৯ মহামারির সময়ে নিজ এলাকার স্বার্থ রক্ষায় জোরালো ভূমিকা রেখে ‘কিং অব দ্য নর্থ’ (উত্তরাঞ্চলের রাজা) উপাধি পেয়েছিলেন বার্নহাম। তাঁর সমর্থকেরা মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় যুক্তরাজ্যের কয়েকটি আঞ্চলিক সাফল্যের নেপথ্যে ছিলেন এই নেতা।

তবে সমালোচকদের চোখে বার্নহাম এমন এক ব্যক্তি, যিনি বারবার নিজের রাজনৈতিক অবস্থান ও নীতি পরিবর্তন করেছেন। তাঁদের অভিযোগ, বার্নহাম একজন উচ্চশিক্ষিত পেশাদার রাজনীতিক হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে সাধারণ মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করেন।

যুক্তরাজ্যের সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী ওয়েস স্ট্রিটিং দলীয় নেতৃত্বের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেওয়ায় এখন বার্নহামেরই স্টারমারের স্থলাভিষিক্ত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

স্ট্রিটিং বলেছেন, সাম্প্রতিক দিনগুলোয় বার্নহামের সঙ্গে তাঁর লম্বা আলোচনা হয়েছে। এতে রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে যে পরবর্তী সরকারে বড় কোনো পদের প্রতিশ্রুতি পেয়েই হয়তো স্ট্রিটিং প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। তবে এ গুঞ্জন অস্বীকার করেছেন স্ট্রিটিং।

গতকাল পার্লামেন্টে লেবার পার্টির ১০০ জনের বেশি আইনপ্রণেতার সঙ্গে ক্যামেরার সামনে পোজ দিলেও সেখানে অপেক্ষায় থাকা সাংবাদিকদের সঙ্গে কোনো কথা বলেননি বার্নহাম।

অ্যান্ডি বার্নহাম যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী হলে তাঁর মূল কর্মপরিকল্পনা কী হবে, সে বিষয়ে তিনি এখন পর্যন্ত খুব অল্প আভাস দিয়েছেন।

লন্ডনকেন্দ্রিক রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে ২০১৭ সালে গ্রেটার ম্যানচেস্টারের মেয়রের দায়িত্ব নিয়েছিলেন বার্নহাম। মেয়র হিসেবে তাঁর কর্মকাণ্ড দেখলেই মূলত এই রাজনীতিকের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে সবচেয়ে ভালো ধারণা পাওয়া যাবে।

২০২০ সালে কঠোর করোনা মহামারির বিধিনিষেধ নিয়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে বার্নহামের রাজনৈতিক লড়াই ম্যানচেস্টারের বাইরেও দেশজুড়ে তাঁর জনপ্রিয়তা ও পরিচিতি অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল।

কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ নিয়ে বিরোধের সময় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ক্ষতিপূরণ হিসেবে ২ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড দেওয়ার প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু বার্নহাম তা প্রত্যাখ্যান করেন। তাঁর দাবি ছিল, এই অর্থ তাঁর চাওয়া ন্যূনতম অঙ্কের এক-তৃতীয়াংশ।

টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচারিত সেই বিরোধ বার্নহামকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে নিজের অঞ্চলের পক্ষে দাঁড়ানো একজন নেতার ভাবমূর্তি এনে দেয়।

বার্নহাম দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণের পক্ষে। তিনি মনে করেন, লন্ডনের হাতে কেন্দ্রীভূত ক্ষমতা ও অর্থনৈতিক নিয়ন্ত্রণ কমিয়ে স্থানীয় জনগোষ্ঠীর হাতে আরও বেশি সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া উচিত।

অ্যান্ডি বার্নহামের মতে, এতে পরিবহন, জনসেবা এবং স্থানীয় উন্নয়নসংক্রান্ত বিষয়ে অঞ্চলগুলো নিজেদের প্রয়োজন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে পারবে।

লিভারপুলে জন্ম নেওয়া বার্নহামের বাবা ছিলেন একজন টেলিফোন প্রকৌশলী। তাঁর মা কাজ করতেন রিসেপশনিস্ট হিসেবে।

কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্যে পড়াশোনা করেন বার্নহাম। স্নাতক শেষ করে প্রথমে গবেষক এবং পরে পার্লামেন্টে উপদেষ্টা হিসেবে কাজ শুরু করেন।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী টনি ব্লেয়ারের সরকারের সময় তিনি জুনিয়র মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরে গর্ডন ব্রাউনের মন্ত্রিসভায় সংস্কৃতিবিষয়ক ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান।

২০১০ ও ২০১৫ সালে লেবার পার্টির নেতৃত্বের জন্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বার্নহাম। তবে দুবারই পরাজিত হন।

সমালোচকদের অভিযোগ, রাজনৈতিক জীবনে বার্নহাম একাধিকবার নিজের অবস্থান পরিবর্তন করেছেন।

গত বছর বার্নহাম অভিযোগ করেছিলেন, সরকার কার্যত বন্ডবাজারের নির্দেশনায় পরিচালিত হচ্ছে। পরে অবশ্য দাবি করেন, তাঁর বক্তব্য ভুলভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

অতীতে বার্নহাম গুরুত্বপূর্ণ শিল্প খাত রাষ্ট্রীয় মালিকানায় নেওয়ার পক্ষে অবস্থান নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্যের আবার ইউরোপীয় ইউনিয়নে যোগ দেওয়ার পক্ষেও মত দিয়েছিলেন।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে বার্নহাম তুলনামূলক মধ্যমপন্থী অবস্থান নিয়েছেন। তাঁর মতে, দেশের বর্তমান আর্থিক পরিস্থিতিতে বড় পরিসরে জাতীয়করণ সম্ভব নয়। একইভাবে অদূর ভবিষ্যতে ইউরোপীয় ইউনিয়নে আবার যোগ দেওয়ারও বাস্তব সম্ভাবনা নেই।

২০২২ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের সময় কিয়ার স্টারমার মজা করে বলেছিলেন, বার্নহামের রাজনৈতিক অবস্থান বদলানোর প্রবণতা অনেকটা বিশ্বকাপে জিততে থাকা দলের সমর্থক হওয়ার মতো।

স্টারমার বলেছিলেন, ‘বার্নহাম তাঁর শৈশবের দল আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ জিততে দেখেছেন। আবার তাঁর শৈশবের দল ফ্রান্সকে ফাইনালে হারতেও দেখেছেন। এমনকি তাঁর শৈশবের দল মরক্কো ও ক্রোয়েশিয়াকেও সেমিফাইনালে বিদায় নিতে দেখেছেন।’

তবে সমর্থকদের আস্থা ধরে রাখতে এবং সমালোচকদের ভুল প্রমাণ করতে হলে বার্নহামকে দেখাতে হবে, তিনি সাহসী সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং স্টারমারের চেয়ে ভিন্নধর্মী নেতৃত্ব দিতে সক্ষম।

অন্যথায় দুই বছরের মধ্যেই অ্যান্ডি বার্নহামকে ক্ষমতা থেকে বিদায় নিতে হতে পারে বলে মনে করছেন লেবার পার্টির এক আইনপ্রণেতা।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর