img

নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি

প্রকাশিত :  ১৯:১২, ২০ জুলাই ২০২৬

নতুন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়ে তারেক রহমানের চিঠি
ব্রিটেনের নতুন প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহ্যামকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (২০ জুলাই) এক চিঠিতে নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান তি‌নি।

চি‌ঠি‌তে তারেক রহমান উ‌ল্লেখ ক‌রেন, বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকে, লেবার পার্টির নেতা হিসেবে নির্বাচিত হওয়া এবং যুক্তরাজ্যের (গ্রেট ব্রিটেন ও উত্তর আয়ারল্যান্ড) প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় আমি আপনাকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি।

তি‌নি ব‌লেন, আপনার এই নির্বাচন আপনার দল এবং যুক্তরাজ্যের জনগণের আপনার নেতৃত্বের প্রতি আস্থারই প্রতিফলন। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, আপনার সুদক্ষ নেতৃত্বে যুক্তরাজ্য শান্তি, সমৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা ও টেকসই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যাবে এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। 

সরকারপ্রধান ব‌লেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী, ঐতিহাসিক ও বহুমুখী অংশীদারি বিদ্যমান, যা অভিন্ন গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, কমনওয়েলথ নীতি এবং জনগণের মধ্যে নিবিড় সম্পর্কের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে।
বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা, শিক্ষা, নিরাপত্তা, অভিবাসন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের ক্ষেত্রে কয়েক দশক ধরে আমাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ক্রমাগত বিকশিত হয়েছে। 

চি‌ঠি‌তে আরো উ‌ল্লেখ করা হয়, যুক্তরাজ্য-প্রবাসী প্রাণবন্ত বাংলাদেশি সম্প্রদায় বন্ধুত্বের এক অনন্য সেতুবন্ধন হিসেবে কাজ করে চলেছে এবং উভয় দেশের সমৃদ্ধি ও সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যময়তায় অমূল্য অবদান রাখছে। আমাদের কৌশলগত অংশীদারিকে আরো সুদৃঢ় করতে এবং উভয় দেশ ও জনগণের স্বার্থে পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলোকে সম্প্রসারিত করতে আমি আপনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রত্যাশা করি। 

যুক্তরা‌জ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রী‌কে বাংলা‌দেশ সফ‌রের আমন্ত্রণ জানিয়ে তা‌রেক রহমান ব‌লেন, পারস্পরিক সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সফরের জন্য আমি আপনাকে সশ্রদ্ধ আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।
আপনার সুস্বাস্থ্য, ব্যক্তিগত কল্যাণ এবং আপনার পদের গুরুদায়িত্ব পালনে পূর্ণাঙ্গ সাফল্য কামনা করছি। আমি যুক্তরাজ্যের বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করি। মহামান্য, অনুগ্রহ করে আমার গভীর শ্রদ্ধাবোধ ও সর্বোচ্চ বিবেচনার বিষয়টি গ্রহণ করুন।

সোমবার যুক্তরাজ্যের ৫৯তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন অ্যান্ডি বার্নহ্যাম।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

img

বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীকে তাজা গুলিসহ রিভলবার উপহার দিলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত :  ০৫:৫৪, ০৯ জুলাই ২০২৬

যুক্তরাজ্যের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে তুরস্কে অনুষ্ঠিত ন্যাটো সম্মেলনে তাজা গুলিসহ একটি ব্যক্তিগত রিভলবার উপহার দিয়েছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বিবিসির এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা যায়। 

আঙ্কারায় আয়োজিত এ শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নেওয়া প্রতিটি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানদের একই ধরনের উপহার দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।

প্রতিটি আগ্নেয়াস্ত্রে সংশ্লিষ্ট নেতার নাম খোদাই করা ছিল। 

তবে যুক্তরাজ্যের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রীর নাম খোদাই করা এ রিভলবার দেশটিতে নিয়ে যাওয়া হয়নি। এটি আপাতত তুরস্কে অবস্থানরত ব্রিটিশ কর্মকর্তাদের কাছেই রয়েছে বলে জানা যায়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা যায়, যুক্তরাজ্যে অস্ত্রটি ফেরত পাঠানোর আগে সেটিকে নিষ্ক্রিয় করা হবে। ফলে এটি দিয়ে আর কোনো তাজা গুলি ছোড়া সম্ভব হবে না।

জানা যায়, প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান এ উপহার দেওয়ার ক্ষেত্রে তুরস্কের রপ্তানি নিয়ন্ত্রণ আইন শিথিল করেছিলেন। তবে তাজা আগ্নেয়াস্ত্র যথাযথ অনুমতি ছাড়া যুক্তরাজ্যে আমদানি করা অবৈধ হওয়ায় এটি তুরস্কেই রেখে দেওয়া হয়েছে। যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডাউনিং স্ট্রিট অবশ্য এ রিভলবারের কোনো ছবি প্রকাশ করেনি।

এ শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের সঙ্গে একটি প্রতিরক্ষাচুক্তি সই করেন। ফলে দুই দেশের মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদানের পথ আরও সুগম হবে।

সম্মেলন শেষে এক বিবৃতিতে স্টারমার জানান, এ আয়োজনের পর ন্যাটো জোট আরও শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে বলে তিনি মনে করেন।

এটি একটি সফল সম্মেলন ছিল জানিয়ে স্টারমার বলেন, ‘আমরা যা অর্জন করতে চেয়েছিলাম, তা পেরেছি, আর তা হলো জোটের ঐক্য। বিশেষ করে ইউক্রেন ও ইরানের চলমান সংঘাতের এ সময়ে আমাদের এ ঐক্য বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।’

এর আগে, গত মাসে কিয়ার স্টারমার পদত্যাগের ঘোষণা দেন। তাই পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর এটিই ছিল স্টারমারের শেষ কোনো বড় আন্তর্জাতিক সম্মেলন।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর