img

ঢাকায় এলেন ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যান

প্রকাশিত :  ০৭:০২, ১৩ নভেম্বর ২০২৫

ঢাকায় এলেন ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যান

ব্রিটেনের আন্তর্জাতিক উন্নয়নমন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যান দুই দিনের সফরে ঢাকায় পৌঁছেছেন । এই সফরে তিনি জলবায়ু ইস্যুতে বাংলাদেশকে যুক্তরাজ্যের নতুন সহায়তা দেয়ার ঘোষণা দিতে পারেন। 

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) সকালে তিনি ঢাকায় অবতরণ করেন। 

এই সফরে অভিবাসন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুতে জেনি চ্যাপম্যান রোহিঙ্গা শরণার্থীদের জন্য দেশটির সহায়তা নিশ্চিত করবেন, যার মধ্যে নারী ও মেয়েরাও অন্তর্ভুক্ত।

রোহিঙ্গা নারী ও কিশোরীদের সঙ্গে দেখা করার জন্য যুক্তরাজ্যের মন্ত্রী জেনি চ্যাপম্যানের এটি বাংলাদেশে প্রথম সফর। 

দেশটির ঢাকার দূতাবাস জানিয়েছে, এই সফরে চ্যাপম্যান নারী ও কিশোরীদের বিরুদ্ধে সহিংসতা প্রতিরোধে সহায়তা দিতে যুক্তরাজ্যের অর্থায়নে পরিচালিত কর্মসূচিগুলো সরেজমিন পরিদর্শন করবেন। সাক্ষাৎ করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান এবং বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর সঙ্গে।

এছাড়া তিনি অনিয়মিত অভিবাসন সংক্রান্ত যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ সহযোগিতা নিয়ে একটি গোলটেবিল বৈঠকেও যোগ দেবেন।

সফর প্রসঙ্গে জেনি চ্যাপম্যান বলেন, ‘যুক্তরাজ্য সত্যিকারের অংশীদার হিসেবে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে পেরে গর্বিত। বাংলাদেশি সম্প্রদায় রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সমর্থন থেকে শুরু করে জলবায়ু সংকট এবং অনিয়মিত অভিবাসন মোকাবিলা পর্যন্ত একসঙ্গে কাজ উভয় দেশের জন্য বাস্তব এবং ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে।’

বাংলাদেশে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেন, ‘এই সফর বাংলাদেশের সঙ্গে একটি আধুনিক, পারস্পরিকভাবে উপকারী উন্নয়ন অংশীদারত্বের প্রতি যুক্তরাজ্যের প্রতিশ্রুতিকে তুলে ধরে।’

প্রসঙ্গত, মন্ত্রী চ্যাপম্যান সফরকালে বাংলাদেশসহ ১২টি এশীয় ও আফ্রিকান দেশ এবং অঞ্চলে জলবায়ু সংকটের প্রভাব মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য নতুন সহায়তা প্রদানের ঘোষণাও করবেন। এর মধ্যে রয়েছে স্থিতিস্থাপকতা এবং অভিযোজন তহবিলের মাধ্যমে দুর্বল এবং খাদ্য-নিরাপত্তাহীন পরিবার এবং সম্প্রদায়ের জন্য স্থিতিস্থাপকতা তৈরিতে যুক্তরাজ্যের সহায়তা। এটি কয়েক হাজার পরিবারকে মৌসুমি বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড় সহ্য করার জন্য ডিজাইন করা জলবায়ু-সহনশীল কৃষি কৌশলগুলোর মতো ক্ষেত্রগুলোতে দক্ষতা প্রশিক্ষণ প্রদান করবে।

এছাড়া সংঘাত ও নিপীড়নের কারণে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের খাদ্য, আশ্রয়, বিশুদ্ধ পানি এবং অন্যান্য জীবন রক্ষাকারী পরিষেবা প্রদানের জন্য যুক্তরাজ্য সেপ্টেম্বরে ২৭ মিলিয়ন পাউন্ডের সহায়তা প্যাকেজ ঘোষণা করেছে।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর

ইংলিশ চ্যানেলে নৌকা ডুবে শিশুসহ নিহত ৫ | JANOMOT | জনমত

এপস্টেইন কেলেঙ্কারি

img

এবার ব্রিটেনের রয়্যাল লজ ছাড়লেন রাজা চার্লসের ভাই অ্যান্ড্রু

প্রকাশিত :  ১৯:৩৬, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৯:৪২, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্য এবং রাজা তৃতীয় চার্লসের ভাই প্রিন্স অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর উইন্ডসরের রয়্যাল লজ ত্যাগ করে নরফকের স্যান্ড্রিংহাম এস্টেট-এ চলে গিয়েছেন। বর্তমানে তিনি উড ফার্ম কটেজে থাকছেন এবং ভবিষ্যতে মার্শ ফার্ম-এ স্থায়ীভাবে বসবাস করবেন।

বাকিংহাম প্যালেস ২০২৫ সালের অক্টোবরেই ঘোষণা করেছিল, অ্যান্ড্রুকে রয়্যাল লজ ছাড়তে হবে এবং তাঁর প্রিন্স উপাধি বাতিল করা হবে। এই সিদ্ধান্তের পেছনে যুক্তরাষ্ট্রের কুখ্যাত যৌন নিপীড়ক জেফরি এপস্টেইন-এর সঙ্গে সম্পর্ক সম্পর্কিত নতুন নথি প্রকাশের প্রভাব রয়েছে।

অ্যান্ড্রু মাউন্টব্যাটেন-উইন্ডসর এপস্টেইনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের মধ্যে রয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের আইনজীবী ব্র্যাড এডওয়ার্ডস একাধিক নারীর পক্ষে আদালতে লড়াই চালাচ্ছেন। অভিযোগ অনুযায়ী ২০১০ সালে একটি নারীকে রয়্যাল লজে আনা হয়েছিল, যেখানে অ্যান্ড্রুর সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের চেষ্টা করা হয়। অ্যান্ড্রু সব অভিযোগই অস্বীকার করেছেন।

২০১৪ সালে ভার্জিনিয়া জিউফ্রে অ্যান্ড্রু ও এপস্টেইনের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ করেন। ২০২২ সালে আনুমানিক ১ কোটি ২০ লাখ পাউন্ডের সমঝোতা করা হয়, এবং জিউফ্রে পরবর্তীতে ২০২৫ সালে মারা যান।

নতুন প্রকাশিত নথি ও ই-মেইলগুলিতে এপস্টেইনের বৃহৎ যোগাযোগ নেটওয়ার্ক এবং তার প্রভাবশালী পরিচিতদের সঙ্গে সম্পর্কের তথ্য উঠে এসেছে। এপস্টেইন ২০০৮ সালে ১৪ বছরের এক কিশোরীকে যৌনবৃত্তিতে প্রলুব্ধ করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হলেও, ২০১৯ সালে নিউইয়র্কের কারাগারে মারা যান।

যুক্তরাজ্য এর আরও খবর