img

২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত

প্রকাশিত :  ১২:৩৭, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

২৫ বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত

২০২৪ সালের জুলাইয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমর্থনে সংযুক্ত আরব আমিরাতে বিক্ষোভ করে সাজাপ্রাপ্ত হওয়া অবশিষ্ট ২৫ জন বাংলাদেশি নাগরিককে ক্ষমা করেছেন দেশটির রাষ্ট্রপতি শেখ মোহাম্মদ বিন জায়েদ আল নাহিয়ান। 

আজ রোববার (১১ জানুয়ারি) ঢাকায় অবস্থিত সংযুক্ত আরব আমিরাত দূতাবাসের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। এ ক্ষমার মাধ্যমে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের জেরে আমিরাতে সাজাপ্রাপ্ত সব বন্দি মুক্ত হলেন। 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ সরকারের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মানবিক বিবেচনায় ওই বাংলাদেশিদের ক্ষমা করার সিদ্ধান্ত নেন ইউএই প্রেসিডেন্ট। তারা ২০২৪ সালের জুলাই মাসে বাংলাদেশে চলমান আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে আমিরাতে কর্মসূচিতে অংশ নেন। এতে দেশটির আইন লঙ্ঘিত হওয়ায় তাদের গ্রেফতার করে বিচার করা হয়।

অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের জুলাইয়ের ঘটনাবলির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হয়ে দণ্ডিত বাংলাদেশিদের ক্ষমা প্রদানের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানায়।

ইউএই দূতাবাস জানায়, ক্ষমাপ্রাপ্ত ২৫ জন বাংলাদেশির সবাইকে মুক্তি দিয়ে দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। এই মানবিক উদ্যোগ সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্বের করুণা, সহনশীলতা ও ন্যায়বিচারের প্রতি অঙ্গীকারের প্রতিফলন। পাশাপাশি এটি বাংলাদেশ ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার গভীর ও ভ্রাতৃসুলভ সম্পর্কেরও প্রমাণ।

এর আগেও আমিরাতে বিরল এক প্রতিবাদে অংশ নেওয়ার দায়ে দণ্ডিত বাংলাদেশিদের কয়েক দফায় ক্ষমা করেছিলেন দেশটির প্রেসিডেন্ট।


img

জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর

প্রকাশিত :  ০৯:২৫, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, জনতার কাফেলা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে, জনতার কাফেলা জুলাই সনদের পক্ষে, জনতার কাফেলা নতুন বাংলাদেশের পক্ষে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি আগামী ১২ তারিখ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

আজ শনিবার সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পাবলিক লাইব্রেরি হল রুমে গণভোটের কার্যক্রম সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, জুলাই বীর শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানে সৃষ্টি হয়েছে নতুন বাংলাদেশের। দেশের এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।

আদিলুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশে আর কাউকে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ার দেওয়া চলবে না, আয়নাঘর বানানো চলবে না। আমরা এমন একটি দেশ চাই যে দেশ হবে বৈষম্যমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত। যেখানে সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সমঅধিকার ভোগ করবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

এসময় সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ভোটের গাড়ির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বলেই তারা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে তারা ‘না’ এর পক্ষে প্রচার করবে। যারা জনগণের অধিকারের পক্ষে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, গুম, ক্রসফায়ার চায় না তারাই ‘হ্যাঁ’তে ভোট দেবে। জুলাই সনদকে প্রতিষ্ঠিত করতে এই গণভোট।


বাংলাদেশ এর আরও খবর