img

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

প্রকাশিত :  ০৬:৪৯, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৬:৫৪, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

টানা ১২ দিন ধরে পঞ্চগড়ে শৈত্যপ্রবাহ, বিপর্যস্ত জনজীবন

 দেশের উত্তরের হিমেল বাতাসে পঞ্চগড়ে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের কারণে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। বিকেল থেকেই উত্তর দিক থেকে বইতে শুরু করে হিমেল বাতাস। চারপাশে কুয়াশাচ্ছন্ন পরিবেশের সঙ্গে শীতের তীব্রতা বৃদ্ধি পায়। মধ্যরাত থেকে সকাল পর্যন্ত কুয়াশার চাদরে ঢাকা থাকছে চারপাশ।

টানা ১২ দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহের ফলে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন চা ও পাথর শ্রমিক, রিকশা-ভ্যানচালকসহ সব শ্রমজীবী মানুষ। দৈনন্দিন আয় কমে গেছে দিনমজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষের।

আজ শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। এ সময় বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৯০ শতাংশ।

বাতাসের গতি ঘণ্টায় ১০-১২ কিলোমিটার।

গতকাল শুক্রবার তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগের দিন বৃহস্পতিবার ৭ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছিল। গত ৯ থেকে ১৬ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ও গত ৬ জানুয়ারি থেকে মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বইছে উত্তরের এ জেলায়।

এদিকে অসহনীয় এই অব্যাহত শীতে শিশু এবং বয়স্ক মানুষ শীতজনিত নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছে হাসপাতালে।

তেঁতুলিয়ার প্রথম শ্রেণির আবহাওয়া পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় বলেন, তেঁতুলিয়ায় কয়েক দিন ধরে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বইছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ সেলসিয়াস। যা শুক্রবার সকাল ৯টায় ছিল ৮ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তাপমাত্রা আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে।


img

জনতার কাফেলা ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে: উপদেষ্টা আদিলুর

প্রকাশিত :  ০৯:২৫, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, শিল্প মন্ত্রণালয় এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, জনতার কাফেলা হ্যাঁ ভোটের পক্ষে, জনতার কাফেলা জুলাই সনদের পক্ষে, জনতার কাফেলা নতুন বাংলাদেশের পক্ষে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি আগামী ১২ তারিখ ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহবান জানান তিনি।

আজ শনিবার সকালে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের আয়োজনে পাবলিক লাইব্রেরি হল রুমে গণভোটের কার্যক্রম সংক্রান্ত জনসচেতনতামূলক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, জুলাই বীর শহীদদের আত্মত্যাগ এবং জুলাই যোদ্ধাদের অবদানে সৃষ্টি হয়েছে নতুন বাংলাদেশের। দেশের এই পরিবর্তনের ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় গণভোটে ‘হ্যাঁ’ দিতে হবে।

আদিলুর রহমান খান বলেন, বাংলাদেশে আর কাউকে ধরে নিয়ে ক্রসফায়ার দেওয়া চলবে না, আয়নাঘর বানানো চলবে না। আমরা এমন একটি দেশ চাই যে দেশ হবে বৈষম্যমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত। যেখানে সব জাতিগোষ্ঠীর মানুষ সমঅধিকার ভোগ করবে।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মো. রেজাউল মাকছুদ জাহেদী, পুলিশ সুপার এ এন এম সাজেদুর রহমান, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান বক্তব্য রাখেন।

এসময় সরকারি বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, শিক্ষক শিক্ষার্থী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সভা শেষে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে ভোটের গাড়ির কার্যক্রম উদ্বোধন করেন উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে উপদেষ্টা বলেন, সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে বলেই তারা ‘হ্যাঁ’র পক্ষে অবস্থান নিয়েছে, যারা ফ্যাসিবাদকে সমর্থন করে তারা ‘না’ এর পক্ষে প্রচার করবে। যারা জনগণের অধিকারের পক্ষে, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, গুম, ক্রসফায়ার চায় না তারাই ‘হ্যাঁ’তে ভোট দেবে। জুলাই সনদকে প্রতিষ্ঠিত করতে এই গণভোট।


বাংলাদেশ এর আরও খবর