img

জগন্নাথপুরে মায়ের মামলায় ছেলে কারাগারে

প্রকাশিত :  ১৩:২৮, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

জগন্নাথপুরে মায়ের মামলায় ছেলে কারাগারে

সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুরে মায়ের দায়ের করা মামলায় ছেলে জাহানুল হক (২৬) কে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গ্রেফতারকৃতকে সুনামগঞ্জ আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। জাহানুল হক জগন্নাথপুর পৌরসভার পূর্ব ভবানীপুর গ্রামের আকিকুল হকের ছেলে।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, বাক-প্রতিবন্ধি জাহানুল হক প্রায় সময় তার মা-বাবাকে মারধর করেন। এতে অতিষ্ঠ হয়ে জাহানুলের মা সাহারা বেগম গত ৭ জানুয়ারি বাক-প্রতিবন্ধি ছেলে ও তার স্ত্রী মিনহা বেগমের বিরুদ্ধে সুনামগঞ্জ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন।

পরে আদালত মামলাটি জগন্নাথপুর থানা পুলিশকে রুজু করার নির্দেশ প্রদান করেন।

জগন্নাথপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আদালতের নির্দেশে গত বুধবার মামলাটি থানায় রুজু করা হয়। পরে আসামিকে তার বাড়িকে গ্রেফতার করা হয়েছে।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল শাবিপ্রবি ছাত্রীর

প্রকাশিত :  ০৯:৩৮, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৫০, ২৫ অক্টোবর ২০২৬

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মুনিরা আক্তার সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন ।

শনিবার (২৪ অক্টোবর) রাতে ঢাকার বাংলাদেশ মাল্টিকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম মুনিরার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

জানা গেছে, দিনাজপুর থেকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শনিবার সকালের দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বেড়তলা এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে একটি যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে কাভার্ড ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রী নিহত হন এবং অন্তত ১৫ জন আহত হন। দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত মুনিরাকে দ্রুত উন্নত চিকিৎসার জন্য অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় পাঠানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জুনায়েদ জানান, শনিবার সকাল সাতটার দিকে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনি গুরুতর আহত হন। পরে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় হৃদস্পন্দন বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়।

মুনিরার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম বলেন, ‘মুনিরার অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীরভাবে শোকাহত।ঘটনাটি জানার পর থেকেই আমি জুনায়েদের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখেছি। তাৎক্ষণিকভাবে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষক ও অ্যালামনাইরা হাসপাতালে যান। সেখানে বিভাগের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক অধ্যাপক ড. মো. জহির বিন আলমও উপস্থিত ছিলেন। শুরু থেকেই মুনিরার চিকিৎসার যাবতীয় ব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বহন করেছে।’

শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের একের পর এক প্রাণহানির ঘটনা ঘটেই চলছে। মুনিরাসহ চলতি বছরে মারা গেছে আট শিক্ষার্থী।।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নিহত আট শিক্ষার্থীর মধ্যে তিনজন পানিতে ডুবে, তিনজন সড়ক দুর্ঘটনায়, একজন আকস্মিক অসুস্থতায় এবং অন্যজন কীটনাশক পান করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।

সিলেটের খবর এর আরও খবর