img

তেল সংকটে বন্ধ হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় এয়ারলাইনস

প্রকাশিত :  ০৭:৩৩, ০৩ মে ২০২৬

তেল সংকটে বন্ধ হয়ে গেল যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় এয়ারলাইনস

দীর্ঘদিনের আর্থিক সংকট এবং ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের বাজেট এয়ারলাইনস ‘স্পিরিট’ তাদের কার্যক্রম বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছে। খবর টাইমের।

গতকাল শনিবার প্রতিষ্ঠানটি জানায়, টানা লোকসান ও ঋণের চাপের কারণে তারা আর ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারছে না। ইতোমধ্যে সব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।

এয়ারলাইনস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীদের টিকিটের টাকা ফেরত দেওয়া হচ্ছে। তবে ভ্রমণের জন্য অন্য এয়ারলাইনসে টিকিট বুক করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালে দুইবার প্রতিষ্ঠানটি দেউলিয়া হওয়ার হাত থেকে বাঁচতে পুনর্গঠনের চেষ্টা করেছিল। কিন্তু জ্বালানির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

ফ্লোরিডাভিত্তিক এই এয়ারলাইনসকে বাঁচাতে ট্রাম্প প্রশাসন ৫০ কোটি ডলারের সহায়তা দিতে চেয়েছিল। তবে ঋণের শর্ত ও পুনর্গঠন নিয়ে সমঝোতা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটি বন্ধ হয়ে গেল।

১৯৮৩ সালে যাত্রা শুরু করা ‘স্পিরিট’ কম খরচে বিমান ভ্রমণের জন্য বেশ পরিচিত ছিল।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সমঝোতায় এবার মধ্যস্থতা করবে চীন

প্রকাশিত :  ১৮:৫৫, ১২ মে ২০২৬

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান উত্তেজনা প্রশমনে চীন একটি শক্তিশালী মধ্যস্থতাকারী দেশ হিসেবে আবির্ভূত হতে পারে বলে জানিয়েছে তেহরান। চীনে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত রহমানি ফাজলি দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। 

রাষ্ট্রদূত রহমানি বলেন, বেইজিং তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে উত্তেজনা কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে এই মধ্যস্থতা যেন ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত না হয়।

ইরানি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির বেইজিং সফর এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চীন সফরের ঠিক আগমুহূর্তে ফাজলির এই মন্তব্যটি সামনে এল। হোয়াইট হাউসের সূত্রগুলো জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই চীন সফরের আগে মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি নিয়ে বড় কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সম্ভাবনা কম। 

রহমানি ফাজলি জোর দিয়ে বলেন, চীন কেবল ইরানের একটি অর্থনৈতিক অংশীদারই নয়, বরং বহিরাগত হুমকির বিপরীতে তেহরানের ‘রাজনৈতিক ভারসাম্য’ রক্ষার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।

রাষ্ট্রদূত ফাজলি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সাথে সাম্প্রতিক সংঘাতের পর ইরান কেবল সামরিক বা কৌশলগত প্রতিক্রিয়াতেই সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। বরং ইরান সক্রিয়ভাবে তার কূটনৈতিক অবস্থানকে পুনর্গঠন করার চেষ্টা করছে। 

আরাগচির চীন সফর সেই পরিকল্পনারই একটি অংশ। তার মতে, চীন এই সংকটকে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টির কোণ থেকে দেখছে না, বরং তারা যুদ্ধ নিয়ন্ত্রণ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তার পতন ঠেকাতেই বেশি আগ্রহী।

হরমুজ পরিস্থিতির বিষয়ে ফাজলি স্পষ্ট করেন যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নেওয়া নিরাপত্তা ব্যবস্থাগুলো একান্তই প্রতিরক্ষামূলক এবং তা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের বিরোধী নয়। এদিকে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বেইজিং সফরের প্রাক্কালেই ইরানের তেল বিক্রিতে সহায়তার অভিযোগে ১২ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ। এই দ্বিমুখী পরিস্থিতির মধ্যেই বেইজিংয়ের মধ্যস্থতার বিষয়টি এখন আন্তর্জাতিক মহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

সূত্র:সিএনএন। 

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর