img

চট্টগ্রাম নগরীতে মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ

প্রকাশিত :  ০৮:২৭, ১৮ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীতে মিছিল-মিটিং নিষিদ্ধ

চট্টগ্রামে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতিবিজড়িত গ্রাফিতি মোছা নিয়ে এনসিপি ও বিএনপির স্থানীয় নেতৃবৃন্দের মধ্যে রাতভর উত্তেজনার পর নগরের জিইসি মোড় থেকে দেওয়ান হাট পর্যন্ত জনসমাবেশ ও মিছিল-মিটিং ইত্যাদি নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ (সিএমপি)। 

আজ সোমবার (১৮ মে) চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর স্বাক্ষর করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়। 

এতে বলা হয়, ১৮ মে থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ, ১৯৭৮-এর ৩০ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এ আদেশ জারি করেন সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী। 

চট্টগ্রাম নগর পুলিশের (সিএমপি) গণবিজ্ঞপ্তি

আদেশে বলা হয়েছে, শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তার স্বার্থে উক্ত এলাকায় কোনো ধরনের জনসমাবেশ, মিছিল-মিটিং করা যাবে না। আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে।

রোববার রাতে টাইগারপাসে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের প্রধান কার্যালয় এলাকায় ফ্লাইওভারের পিলারে আঁকা গ্রাফিতি মুছে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও এনসিপির নেতাকর্মীরা মুখোমুখি অবস্থান নেয়। এ সময় উভয়পক্ষ পাল্টাপাল্টি স্লোগান দিলে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

জাতীয় এর আরও খবর

img

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৭ কিমি তীব্র যানজট

প্রকাশিত :  ০৯:২৭, ১৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৩৫, ১৮ মে ২০২৬

লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কারকাজ চলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ঢাকামুখী লেনে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা।

আজ সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। কাজের সুবিধার্থে ঢাকামুখী লেনের একটি অংশ বন্ধ রেখে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করানো হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে যানজট সোনারগাঁ ছাড়িয়ে মেঘনা ব্রিজ এলাকা হয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে শত শত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও প্রাইভেটকার দীর্ঘ সময় স্থির হয়ে আছে। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও অসুস্থ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন।

ঢাকাগামী ট্রাকচালক ওবায়দুল মিয়া বলেন, সকাল ৯টার দিকে দাউদকান্দি ব্রিজ পার হওয়ার পর থেকেই যানজটে আটকা আছি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও তেমন গাড়ি এগোচ্ছে না।

তিশা পরিবহনের যাত্রী বৃষ্টি পোদ্দার বলেন, যেখানে ১০ মিনিটে যাওয়ার কথা, সেখানে আড়াই ঘণ্টা ধরে বসে আছি। অফিসে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিল, সময়মতো পৌঁছাতে পারিনি। আগে থেকে বিকল্প ব্যবস্থা নিলে দুর্ভোগ কম হতো।

প্রাইভেটকার চালক মোহাম্মদ রাব্বানি বলেন, মেঘনা টোলপ্লাজা থেকে ঢাকামুখী লেন পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে। আড়াই ঘণ্টা বসে থেকেও মেঘনা ব্রিজ পার হতে হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এই পথ যেতে ৮ থেকে ১০ মিনিট লাগে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ ঢাকা পোস্টকে বলেন, লাঙ্গলবন্দ সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ চলমান থাকায় সকাল থেকে ঢাকামুখী লেনে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করছে। দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। আজকের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।