img

ফের ইরান সফরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৯:১১, ০৭ জুন ২০২৬

ফের ইরান সফরে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহসিন নাকভি ফের ইরান সফরে গিয়েছেন ।  শনিবার (৬ জুন) তিনি তেহরানে পৌঁছান। সেখানে তিনি শীর্ষ ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।  পাকিস্তান বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।   

এর আগে গত ১৬ মে তেহরানে যান নাকভি। 

ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা তাসনিমের বরাতে এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে আনাদোলু। 

তাসনিমের তথ্য অনুযায়ী, নাকভি ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচিসহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

এর আগে পাকিস্তানি সূত্র আনাদোলুকে জানিয়েছিল, এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কিছু ‘নতুন প্রস্তাব’ নিয়ে আলোচনা করা।

সূত্রগুলো আরও জানায়, নাকভি এমন কিছু প্রস্তাব উপস্থাপন করবেন, যা দুই পক্ষের আলোচনায় তৈরি হওয়া অচলাবস্থা দূর করতে এবং ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সাময়িক সমঝোতা প্রতিষ্ঠায় সহায়তা করতে পারে।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকেই পাকিস্তান দুই দেশের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে আসছে।

পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় ৮ এপ্রিল একটি অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল। তবে পরে এর বাস্তবায়ন নিয়ে মতবিরোধ এবং আঞ্চলিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের কারণে আলোচনা আবারও স্থবির হয়ে পড়ে।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ভেতর থেকে ভেঙে পড়ছে ইসরাইলি সেনাবাহিনী

প্রকাশিত :  ০৭:৩৭, ০৭ জুন ২০২৬

ইহুদিবাদী ইসরাইলি সেনাবাহিনীর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল এয়াল জামির গত রাতে নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার বৈঠকে সতর্ক করে দিয়েছেন যে সেনাবাহিনী ‘ভেতর থেকে ভেঙে পড়ার দুয়ারে আছে’। ক্রমবর্ধমান অভিযানের চাপ ও সৈন্য সংকট এই পরিস্থিতির কারণ বলে জানান তিনি।

চ্যানেল ১৩ নিউজের বরাত দিয়ে জানা গেছে, জামির মন্ত্রীদের বলেছেন, ‘আমি আপনাদের সামনে ১০টি লাল পতাকা তুলছি। আইডিএফের এখন একটি সেনা নিয়োগ আইন, রিজার্ভ ডিউটি আইন এবং বাধ্যতামূলক সেনা সেবার মেয়াদ বাড়ানোর আইন দরকার। অচিরেই আইডিএফ তার নিয়মিত কাজ করতে পারবে না এবং রিজার্ভ ব্যবস্থাও টিকে থাকবে না।’

এই ধরনের সতর্কবার্তা জামির এর আগেও দিয়েছেন। জানুয়ারিতে তিনি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে একটি চিঠি পাঠান। সেখানে তিনি সতর্ক করেন যে সৈন্য সংকট খুব শিগগিরই সেনাবাহিনীর যুদ্ধ প্রস্তুতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর গাজা ইসরাইলি হামলা শুরু হওয়ার পর থেকে দেশটির সেনাবাহিনী বারবার আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছে যে যুদ্ধের চাপ ও অন্যান্য সামরিক চ্যালেঞ্জের কারণে তাদের ১২ হাজার সৈন্যের ঘাটতি রয়েছে।

২০২৪ সালের জুনে ইসরাইলের সর্বোচ্চ আদালত রায় দেন যে হারেদি ইয়েশিভা শিক্ষার্থীদের দশকের পর দশক ধরে চলে আসা সামরিক সেবা থেকে অব্যাহতির কোনো আইনি ভিত্তি নেই। এরপর থেকে অতি-রক্ষণশীল ইহুদি দলগুলো তাদের সম্প্রদায়কে সেনাবাহিনীর বাইরে রাখতে আইন করার দাবি জানিয়ে আসছে। বর্তমানে ১৮ থেকে ২৪ বছর বয়সী প্রায় ৮০ হাজার হারেদি পুরুষ সামরিক সেবার যোগ্য বলে মনে করা হয়, কিন্তু তারা এখনো সেনাবাহিনীতে যোগ দেননি।

সূত্র-টাইমস অফ ইসরাইল


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর