img

কানাইঘাটে পুকুরে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু

প্রকাশিত :  ১৩:২৭, ১৩ জুন ২০২৬

 কানাইঘাটে পুকুরে ডুবে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু

সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের নিজ চাউরা পশ্চিম গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মারা যাওয়া শিশুরা হল- নিজ চাউরা পশ্চিম গ্রামের আলী আহমদের চার বছর বয়সী আনিসা বেগম এবং তার ভাগ্নি, পাঁচ বছর বয়সী ফারিয়া বেগম।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, দুপুরে বাড়ির আঙিনায় খেলতে গিয়ে একপর্যায়ে শিশু দুটি নিখোঁজ হয়ে যায়। পরে পরিবারের সদস্যরা তাদের খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর বসতবাড়ির পুকুরে তল্লাশি চালিয়ে শিশু দুটিকে উদ্ধার করা হয়।

তাৎক্ষণিকভাবে তাদের কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দুজনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

পরে শিশু দুটির মরদেহ থানায় নেওয়া হলে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ফারিয়া বেগমের বাবার বাড়ি পার্শ্ববর্তী বিয়ানীবাজার উপজেলার দাসেরগ্রামে। তিনি ওই গ্রামের সাদিক আহমদের মেয়ে। ফারিয়া মায়ের সঙ্গে নানার বাড়িতে বেড়াতে এসে এই দুর্ঘটনার শিকার হয়।

্একই পরিবারের দুই শিশুর এমন অকালমৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।


সিলেটের খবর এর আরও খবর

img

ডা. প্রান্ত’র মৃত্যুর ১১ দিন পর ঘর থেকে তার বাবারও মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ১৪:১৭, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ১৪:১৮, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সিলেটে নিজ বাসা থেকে উদ্ধার হয়েছিল পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১) নামে এক তরুণ চিকিৎসকের মরদেহ। এর ঠিক ১১ দিন পর মৌলভীবাজারে একটি বাসা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে প্রান্ত’র বাবা পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ।

শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) মৌলভীবাজার শহরের এম সাইফুর রহমান সড়কে অবস্থিত ‘ভটের ফার্মেসি’-এর দ্বিতীয় তলায় বাসায় খেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ‘ভটের ফার্মেসি’ পুর্ণেন্দু চক্রবর্তীদের পারিবারিক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। তিনি এই ফার্মেসির দ্বিতীয় তলায় থাকতেন।

পুর্নেন্দুদের গ্রামের বাড়ি মৌলভীবাজার সদর উপজেলার সাবিয়া গ্রামে। স্থানীভোবে ‘ভটের বাড়ি’ (বাহ্মণ বাড়ি) নামে পরিচিত তাদের পরিবারের বেশ সুনাম রয়েছে এলাকায়। বছর দুয়েক আগে পুর্নেন্দুর স্ত্রীও মারা যান।

১১ দিনের মধ্যে বাবা-ছেলের রহস্যজনক মৃত্যু নিয়ে চাঞ্চল্য দেখা দিয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার সকালে পরিবারের সদস্যরা তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে পুলিশকে খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভেতর থেকে বন্ধ থাকা দরজা ভেঙে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে।

মৌলভীবাজার মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মনোজ কুমার সরকার শনিবার জানান, প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যায়নি। বিষয়টির তদন্ত চলছে। ময়না তদন্ত শেষে শুক্রবার রাতেই মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

মৌলভীবাজার সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাইফুল ইসলাম এ প্রসঙ্গে শনিবার দুপুরে বলেন, কয়েকদিন আগে তার ( পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তী) চিকিৎসক ছেলে আত্মহত্যা করেন। স্ত্রীর সাথে ঝামেলা থেকেই ছেলে এমনটি করেন বলে শুনেছি। এরপর থেকেই তিনি বিমর্ষ ছিলেন। একমাত্র ছেলেকে হারানোর শোকেই পূর্ণেন্দু চক্রবর্তী আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এর আগে গত ৭ সেপ্টেম্বর সিলেট নগরের মির্জাজাঙ্গাল একটি ভাড়া বাসা থেকে পূর্ণেন্দ্র চক্রবর্তীর একমাত্র ছেলে ডা. পদ্মজিৎ চক্রবর্তী প্রান্ত (৩১)-এর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ডা. প্রান্ত ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজের চিকিৎসক ছিলেন।

বছর দুয়েক আগে বিয়ে করা এই তরুণ চিকিৎসকের নতুন বাসায় ওঠার পরদিনই এমন অস্বাভাবিক মৃত্যু নিয়ে নানা প্রশ্ন দেখা দেয়। প্রান্তর স্ত্রীও চিকিৎসক। যদিও পুলিশ প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে, ডা. প্রান্ত আত্মহত্যা করতে পারেন।

সিলেটের খবর এর আরও খবর