আলজাজিরার বিশ্লেষণ

img

হামলা করতে গিয়ে ইরানের ‘ফাঁদে’ ট্রাম্প, পিছু হটলেও ঘটবে চরম পরাজয়

প্রকাশিত :  ০৭:১৯, ০৭ আগষ্ট ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৭:৪৪, ০৭ আগষ্ট ২০২৬

হামলা করতে গিয়ে ইরানের ‘ফাঁদে’ ট্রাম্প, পিছু হটলেও ঘটবে চরম পরাজয়

ইরানের বিরুদ্ধে বিমান ও নৌবাহিনীর অভিযান প্রত্যাশিত সাফল্য না পাওয়ার পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার স্থলবাহিনী মোতায়েনের পথে যেতে পারেন বলে মনে করছেন যুক্তরাষ্ট্রের শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক রবার্ট পেপ। ‘এসক্যালেশন ট্র্যাপ’ সাবস্ট্যাকের লেখক পেপের মতে, চলমান সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে এবং পরবর্তী ধাপে যুক্তরাষ্ট্র স্থল অভিযান বিবেচনা করতে পারে।

সংবাদমাধ্যম আলজাজিরাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে রবার্ট পেপ বলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প হয়তো আগামী কয়েক দিন, এমনকি কয়েক সপ্তাহের মধ্যেও স্থল অভিযান শুরু করবেন না। তবে তিনি এরই মধ্যে বিমান হামলার সীমাবদ্ধতা দেখে ফেলেছেন এবং প্রতিদিন তাকে এ বিষয়ে জানানোও হচ্ছে। 

নৌবাহিনীর সীমাবদ্ধতাও তার চোখে পড়েছে। সুতরাং, তার হাতে এখন কেবল একটি বাহিনীই বাকি আছে, আর তা হলো স্থলবাহিনী।

এই রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর মতে, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের স্থল অভিযানও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হতে পারে। তবে ট্রাম্পের হাতে এখন সংঘাত আরও বাড়ানো ছাড়া কোনো বিকল্প অবশিষ্ট নেই।

এই পরিস্থিতিকে ‘সংঘাত বিস্তারের ফাঁদ’ (এসক্যালেশন ট্র্যাপ) হিসেবে আখ্যায়িত করে পেপ বলেন, এটাই হলো সেই ফাঁদ—হয় তাকে ওই পথে (স্থল অভিযান) হাঁটতে হবে, নাহলে হার মানতে হবে। আর ট্রাম্প হার মানলে ইরান বিশ্বশক্তির চতুর্থ কেন্দ্রে পরিণত হবে। এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য হবে এক চরম পরাজয়। এর ফলে ইতিহাসে তার ভাবমূর্তি পুরোপুরি ধূলিসাৎ হয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরাইল এবং ইরানের মধ্যে শুরু হওয়া এই সশস্ত্র সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিকে পুরোপুরি পাল্টে দিয়েছে। অপারেশন এপিক ফিউরি (Operation Epic Fury) নামে যুক্তরাষ্ট্রের এবং রোয়ারিং লায়ন (Roaring Lion) নামে ইসরাইলের এই যৌথ সামরিক অভিযান শুরু হয়েছিল মূলত ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি এবং সামরিক সক্ষমতা গুঁড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে।

প্রথম দফার এই হামলায় ইরানের প্রায় চার দশকের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ সামরিক ও সরকারি কর্মকর্তা নিহত হন। তবে এই হামলার সময় বন্দর আব্বাসের কাছে একটি নৌঘাঁটির পাশে অবস্থিত বালিকা বিদ্যালয়ে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হানলে প্রায় ১৭০ জন নিরীহ মানুষের প্রাণহানি ঘটে, যা বিশ্বজুড়ে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

খামেনির মৃত্যুর পর ইরান সরকার দ্রুত তার ছেলে মোজতবা খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ দেয়। এরপরই ইরান ভয়াবহ পালটা আক্রমণ শুরু করে। মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে থাকা মার্কিন দূতাবাস, সামরিক স্থাপনা এবং ইসরাইলের দিকে ৬৫০টির বেশি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং হাজার হাজার ড্রোন নিক্ষেপ করে তেহরান। এই পালটাপালটি হামলায় ইরান, লেবানন, ইসরাইল এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতে কয়েক হাজার মানুষের প্রাণহানি ঘটে এবং লাখ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হন। সংঘাতের জেরে লেবাননে ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যেও নতুন করে যুদ্ধ শুরু হয়। 

এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় ধাক্কা লেগেছে বিশ্ব অর্থনীতিতে। বিশ্বের অন্যতম প্রধান তেল পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে ইরানের হামলার কারণে এশিয়ার বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সংকট দেখা দেয়। পরিস্থিতি মোকাবিলায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর নতুন করে কড়া নৌ-অবরোধ আরোপের ঘোষণা দেন।

টানা ৪০ দিন যুদ্ধের পর গত ৮ এপ্রিল একটি যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছিল এবং জুনে একটি সমঝোতা স্মারক (MOU) নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনাও শুরু হয়। কিন্তু হরমুজ প্রণালিতে নিরাপত্তা ও জাহাজ চলাচল নিয়ে চরম মতবিরোধের জেরে সেই কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ভেস্তে যায়। বর্তমানে নতুন করে উভয় পক্ষের মধ্যে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে। বিমান ও নৌবাহিনী দিয়ে ইরানকে পুরোপুরি পরাস্ত করতে না পারায় প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এখন স্থলবাহিনী মোতায়েনের মতো চরম বিকল্প নিয়েও চিন্তাভাবনা করছেন বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

সিএনএনের প্রতিবেদন

img

ইরান যুদ্ধ থেকে সরে আসার উপায় খুঁজছেন ট্রাম্পের শীর্ষ জেনারেল

প্রকাশিত :  ০৬:১০, ০৮ আগষ্ট ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার একটি কূটনৈতিক পথ খুঁজে বের করার পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন। মার্কিন সামরিক বাহিনীর হাতে যুদ্ধ আরও বিস্তৃত করার যে বিকল্পগুলো রয়েছে, সেগুলো শেষ পর্যন্ত উল্টো ক্ষতি ডেকে আনতে পারে বলে ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন শীর্ষ কর্মকর্তাকে ব্যক্তিগতভাবে সতর্ক করেছেন তিনি।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত তিনটি সূত্রের বরাতে সিএনএন জানিয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহে কেইন স্পষ্ট করে বলেছেন, ইরান যুদ্ধ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের একটি ‘বের হওয়ার পথ’ বা অফ-র‍্যাম্প খুঁজে বের করা প্রয়োজন। তার আশঙ্কা, শুধু বিমান হামলা চালিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করা সম্ভব নাও হতে পারে।

একটি সূত্র সরাসরি বলেছে, ‘কেইন একটি বের হওয়ার পথ খুঁজছেন।’

জেনারেল কেইন একা নন। সিআইএর পরিচালক জন র‍্যাটক্লিফ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সসহ ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তার সঙ্গেও তিনি যুদ্ধের পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা করেছেন।

সূত্রগুলোর মতে, এসব আলোচনার উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের আগে বিভিন্ন সরকারি সংস্থার অবস্থান সমন্বয় করা এবং সামরিক বিকল্পগুলোর সীমাবদ্ধতা ও সম্ভাব্য ঝুঁকি তুলে ধরা।

এক সূত্রের ভাষ্য, কেইনের এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সামরিক বাহিনীকে রক্ষা করা।

‘বিমান শক্তিরও সীমাবদ্ধতা আছে’

ট্রাম্প বারবার ইঙ্গিত দিয়েছেন, ইরানে স্থলবাহিনী পাঠানোর বদলে বিমান হামলার মাধ্যমে তেহরানকে তার শর্তে চুক্তিতে বাধ্য করা সম্ভব। তবে কেইনসহ প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা ব্যক্তিগত আলোচনায় মনে করছেন, এমন ফলাফল পাওয়ার সম্ভাবনা কম।

গত মাসের শেষ দিকে আইনপ্রণেতাদের সামনে এক শুনানিতে কেইন নিজেই বলেছিলেন, ‘বিমান শক্তির সীমাবদ্ধতা রয়েছে।’

সিএনএনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুলাইয়ের শেষ দিকে ইরানে আরও বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হলেও কেইন ও প্রশাসনের কয়েকজন কর্মকর্তা এর সম্ভাব্য পরিণতি নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। ওই পরিকল্পনায় বড় ধরনের সামরিক অভিযান চালানোর কথা বিবেচনা করা হয়েছিল।

একটি সূত্রের দাবি, ওই অভিযানের পক্ষে মূলত সেন্ট্রাল কমান্ডের কিছু অংশ ছিল। ইসরাইলও সামগ্রিকভাবে সংঘাত আরও বাড়ানোর পক্ষে ছিল বলে সূত্রটি জানায়।

শেষ পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার পর ট্রাম্প হামলা থেকে সরে আসেন। এসব দেশ ইরানের সম্ভাব্য পাল্টা হামলা, বিশেষ করে তাদের জ্বালানি অবকাঠামোয় আঘাতের আশঙ্কা জানিয়েছিল।

তবে ট্রাম্প ভবিষ্যতে হামলার পরিকল্পনা পুরোপুরি বাতিল করেননি।

অস্ত্রের মজুত নিয়েও উদ্বেগ

যুদ্ধ আরও দীর্ঘায়িত হলে যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টিও বড় উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। সিএনএনের একাধিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কিছু গুরুত্বপূর্ণ মার্কিন অস্ত্রের মজুত এখন বিপজ্জনকভাবে কমে এসেছে।

ইরানের বিরুদ্ধে আরও হামলার বিকল্প নিয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে অন্তত দুটি বৈঠকে কেইন গোলাবারুদের মজুত কমে যাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরেছেন বলে সূত্রগুলো জানিয়েছে।

একই সময়ে উপসাগরীয় দেশগুলোর কর্মকর্তারাও মার্কিন কর্মকর্তাদের সতর্ক করেছেন যে, উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকলে ইরানের পাল্টা হামলা ঠেকানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে।

জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলা নিয়েও সংশয়

ট্রাম্প একাধিকবার ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোয় হামলার হুমকি দিয়েছেন। তবে সামরিক কর্মকর্তাদের মতে, এতে ইরান আত্মসমর্পণ করবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। বরং এর প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি অবকাঠামোতে ইরানের পাল্টা হামলার ঝুঁকি বাড়তে পারে।

একইভাবে ইরানের সেতুতে হামলার বিষয়টিও বিবেচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এমন হামলা খুব বেশি কার্যকর ফল দেবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

‘নতুন ও অপ্রচলিত’ কৌশলের খোঁজ

যুদ্ধ শুরুর প্রায় ছয় মাস পরও যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের বিরুদ্ধে নতুন কৌশল খুঁজতে হচ্ছে। সম্প্রতি সেন্ট্রাল কমান্ডের এক জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তা সামরিক বিশ্লেষকদের কাছে ই-মেইল পাঠিয়ে ইরানের ওপর চাপ সৃষ্টি ও শাস্তি দেওয়ার ‘নতুন, সৃজনশীল ও অপ্রচলিত’ উপায় জানতে চেয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, যুদ্ধ শুরুর এতদিন পর এভাবে নতুন ধারণা চাওয়া থেকে বোঝা যায়, বর্তমান কৌশল কাঙ্ক্ষিত ফল দিচ্ছে না।

এক সূত্র বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে এসব বিকল্প নিয়ে ভাবা এক বিষয়, কিন্তু যুদ্ধের মাঝপথে এসে নতুন বিকল্প খুঁজতে হওয়া পরিস্থিতির কঠিন বাস্তবতাকে প্রকাশ করে।

ট্রাম্পকে সরাসরি বিরোধিতা না করে সতর্ক করছেন কেইন

তবে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট না করে নিজের অবস্থান তুলে ধরতে সতর্কভাবে এগোচ্ছেন কেইন। সূত্রগুলো বলছে, তিনি প্রেসিডেন্টের সঙ্গে বৈঠকে সামরিক অভিযানের ঝুঁকি তুলে ধরলেও একই সঙ্গে স্পষ্ট করেছেন, ট্রাম্প যদি হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেন, তাহলে মার্কিন বাহিনী ইরানের ওপর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করতে সক্ষম।

অর্থাৎ প্রকাশ্যে তিনি সামরিক সক্ষমতার বিষয়টি তুলে ধরছেন, আর ব্যক্তিগত আলোচনায় বিমান হামলার সীমাবদ্ধতা এবং যুদ্ধ আরও বাড়ানোর সম্ভাব্য বিপদ নিয়ে বেশি সরাসরি কথা বলছেন।

স্থল অভিযানই কি শেষ বিকল্প?

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, ইরানকে সামরিকভাবে পুরোপুরি পরাজিত করতে হলে বড় ধরনের স্থল অভিযান প্রয়োজন হতে পারে। তবে এতে হাজার হাজার মার্কিন সেনার প্রাণহানির ঝুঁকি রয়েছে। তাই প্রশাসনের কেউই বর্তমানে এমন বড় পদক্ষেপের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছেন না।

এ কারণে ট্রাম্প প্রশাসনের ভেতরে এখন এমন একটি সমাধানের খোঁজ চলছে, যাতে প্রেসিডেন্ট অন্তত একটি প্রতীকী বিজয় দাবি করতে পারেন এবং একই সঙ্গে কূটনৈতিক সমঝোতার পথও খোলা থাকে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, এর সম্ভাব্য শুরু হতে পারে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে একটি সমঝোতার মাধ্যমে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রায় ছয় মাসের এই যুদ্ধ এখন এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যেখানে ট্রাম্পের সামনে বড় সামরিক অভিযান, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত কিংবা কূটনৈতিক সমঝোতা—এই তিনটির মধ্যে একটি বেছে নেওয়ার চাপ তৈরি হয়েছে। আর তার শীর্ষ সামরিক উপদেষ্টা জেনারেল ড্যান কেইন মনে করছেন, যুদ্ধ আরও বাড়ানোর আগে বের হওয়ার একটি বাস্তবসম্মত পথ খুঁজে বের করাই এখন সবচেয়ে জরুরি।


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর