img

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

প্রকাশিত :  ০৫:২১, ১৮ মে ২০২৬

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার

মাদারীপুরে আত্মীয়ের বাসা থেকে শিশুসহ একই পরিবারের তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল রোববার (১৭ মে) দিবাগত মধ্যরাতে শহরের আমিরাবাদ এলাকায় ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈয়ের স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈর ভাড়া বাসা থেকে লাশগুলো উদ্ধার করা হয়

নিহতরা হলেন- মাদারীপুর সদর উপজেলার কলাগাছিয়া এলাকার চিন্ময় দাস (৩৮), তার স্ত্রী ইশা দাস (৩২) ও ৮ মাসের শিশু।

পুলিশ জানায়, শহরের আমিরাবাদ এলাকার মৃত বীরেন্দ্রনাথ দত্তের স্ত্রী সান্তনা রানী চন্দের বাসায় তিন বছর ধরে ভাড়া থাকেন গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলার সাতপাড় এলাকার ইতালি প্রবাসী যতীন বাড়ৈর স্ত্রী মিষ্টি বাড়ৈ। রোববার বিকেলে চাচাতো ভাই পরিচয়ে ওই বাড়িতে আসেন চিন্ময় দাসসহ পরিবারের তিন সদস্য। পরে মধ্যরাতে মিষ্টি বাড়ৈর কল পেয়ে ঘরের দরজা ভেঙে শিশুসহ তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ গণমাধ্যমকে বলেন, পাশের রুমে একা ছিলেন মিষ্টি বাড়ৈ। তিনিই বিষয়টি পুলিশকে জানিয়েছেন। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, ঘটনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তবে প্রাথমিকভাবে সন্দেহের তালিকায় রাখা হয়েছে মিষ্টি বাড়ৈকে। 

এদিকে ঘটনাস্থল থেকে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায় পুলিশ।


জাতীয় এর আরও খবর

img

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ১৭ কিমি তীব্র যানজট

প্রকাশিত :  ০৯:২৭, ১৮ মে ২০২৬
সর্বশেষ আপডেট: ০৯:৩৫, ১৮ মে ২০২৬

লাঙ্গলবন্দ সেতুর সংস্কারকাজ চলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ অংশে ঢাকামুখী লেনে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রী ও পরিবহন চালকরা।

আজ সোমবার (১৮ মে) সকাল থেকে সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ শুরু করে সড়ক বিভাগ। কাজের সুবিধার্থে ঢাকামুখী লেনের একটি অংশ বন্ধ রেখে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করানো হচ্ছে। এতে ধীরে ধীরে যানজট সোনারগাঁ ছাড়িয়ে মেঘনা ব্রিজ এলাকা হয়ে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া পর্যন্ত বিস্তৃত হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে শত শত বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও প্রাইভেটকার দীর্ঘ সময় স্থির হয়ে আছে। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে গন্তব্যের দিকে যেতে দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী, শিশু ও অসুস্থ যাত্রীরা বেশি দুর্ভোগে পড়েন।

ঢাকাগামী ট্রাকচালক ওবায়দুল মিয়া বলেন, সকাল ৯টার দিকে দাউদকান্দি ব্রিজ পার হওয়ার পর থেকেই যানজটে আটকা আছি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থেকেও তেমন গাড়ি এগোচ্ছে না।

তিশা পরিবহনের যাত্রী বৃষ্টি পোদ্দার বলেন, যেখানে ১০ মিনিটে যাওয়ার কথা, সেখানে আড়াই ঘণ্টা ধরে বসে আছি। অফিসে গুরুত্বপূর্ণ মিটিং ছিল, সময়মতো পৌঁছাতে পারিনি। আগে থেকে বিকল্প ব্যবস্থা নিলে দুর্ভোগ কম হতো।

প্রাইভেটকার চালক মোহাম্মদ রাব্বানি বলেন, মেঘনা টোলপ্লাজা থেকে ঢাকামুখী লেন পুরোপুরি স্থবির হয়ে আছে। আড়াই ঘণ্টা বসে থেকেও মেঘনা ব্রিজ পার হতে হয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে এই পথ যেতে ৮ থেকে ১০ মিনিট লাগে।

কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ ঢাকা পোস্টকে বলেন, লাঙ্গলবন্দ সেতুর ক্ষতিগ্রস্ত অংশে ঢালাই কাজ চলমান থাকায় সকাল থেকে ঢাকামুখী লেনে যানজট সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে এক লেন দিয়ে যান চলাচল করছে। দ্রুত কাজ শেষ করার চেষ্টা চলছে। আজকের মধ্যেই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।