ওয়েস্ট লন্ডনে বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর নতুন অফিস উদ্বোধন
প্রকাশিত :
০৮:২০, ১২ জুলাই ২০২৬
ঝমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে শুভ উদ্বোধন হলো ওয়েস্ট লন্ডন বাংলাদেশ ওয়েল ফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর নতুন কার্যালয়।
রবিবার ৫ জুলাই ২০২৬ ইং, ওয়েস্ট লন্ডন ১২০ হাই স্ট্রিট,ইউনিট ৪/ প্রথম তলা হাউন্সলো TW3 1NA তে সংগঠনের সভাপতি মহিবুর রহমান এর সভাপতিত্বে ও ডেপুটি সেক্রেটারি রাকিব রুহেল এর পরিচালনায় অনুষ্টানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে কার্যালয়টির উদ্বোধন করেন যুক্তরাজ্যের সংসদ সদস্য (এমপি) এবং ইন্দো-প্যাসিফিক বিষয়ক পার্লামেন্টারি আন্ডার-সেক্রেটারি অব স্টেট সীমা মালহোত্রা , বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর ও ক্যাবিনেট সদস্য প্রীতম গ্রেওয়াল , কাউন্সিলর ও ক্যাবিনেট সদস্য সামিহা চৌধুরী , কাউন্সিলর ও ক্যাবিনেট সদস্য আজমের গ্রেওয়াল ,রশিদ বাট্টি.
বক্তব রাখেন রিচমন্ড অ্যান্ড হাউন্সলো ইসলামিক কালচারাল সেন্টার ও বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আব্দুল কাইয়ুম (কায়সার), ওয়েস্ট লন্ডন ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের চেয়ারম্যান ড. আজমল চৌধুরী,সাবেক সভাপতি বিশিষ্ট কমিটি নেতা আব্দুল সাহিদ (শহীদ) আব্দুল জব্বর, মিরন মিয়া , রউসন আলী , বিসনেসম্যন আলিমুন রাজিব , শুপ্তি রাজিব , মইদুল হোসেন ,লাবনি হোসেন (লন্ডনজিবি নিউজ সহ-সম্পাদক) , পারবেজ আহমেদ ,সাম হক,নারগিস বানু, দিন মুহাম্মদ পাটুয়ারী,নাজিম চৌধরী ,বাবর,বাবুল,পায়েল,সৈয়দ পাভেল, ছমির আহমেদ,রাসেল,মোশাররফ হোসেন রিপন ,,আব্দুল আহাদ , জাইম হোসেন সহ লন্ডন বরো অফ হাউন্সলোর কাউন্সিলরবৃন্দ ও বিভিন্ন স্থরের ব্যক্তি বর্গ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্টানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য সীমা মালহুত্রা বলেন কমিউনিটির সেবায় আপনারা অতিতে যেভাবে কাজ করেছেন আমি আসা রাখি আগামীতেও শততা নিষ্ঠার সাথে সকলের কল্যানে কাজ করে যাবেন,আপনাদের নতুন কার্যালয় উদ্বোধনের মাধ্যমে নতুন নতুন চিন্তা ভাবনা যোগ করবেন সকলের কল্যানে এটাই প্রত্যাশা।
অনুষ্টানে সভাপতির বক্তব্যে মুহিবুর রহমান জানান- আজ আপনাদের উপস্থিতি আমাদের জন্য অত্যন্ত সম্মানের বিষয়,আমাদের সংগঠরের যাত্রায় নতুন এই উদ্দীপনাপূর্ণ অধ্যায় শুরুর মুহুর্তে আপনাদের সমর্থন ও উৎসাহ আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি আরো জানান- আমাদের লক্ষ হলো শিক্ষা,অর্থনৈতিক সুযোগ,প্রযুক্তি এবং সামাজিক সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে ওয়েস্ট লন্ডন বাংলাদেশীদের জীবন মান উন্নয়ন করা।
আমরা বিশ্বাস করি যে সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আরো শক্তিশালী ও অন্তর্ভূক্ত সমাজ গড়ে তুলতে পারবো- এছাড়াও তিনি তার বক্তব্যে প্রয়াত ট্রাস্টি - শফিক আহমদ,জয়নুল আবেদিন, মুজিবুর রহমান জুনু,সহ কমিউনিটির নেতৃবৃন্দের প্রতি গভির শ্রদ্ধা ও সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
এর আগে অনুষ্টান শুরুতেই পবিত্র কোরআন থেকে তিলাওয়াত করেন মাও: আব্দুল্লাহ |
পরিশেষে তিনি ওয়েস্ট লন্ডন বাংলাদেশ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশন এর সাথে সংশ্লীষ্ট সকল সদস্য যারা এই আয়োজন কে সফল করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন তাদের প্রত্যেকের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।
অনুষ্টানটি মিডিয়া কাভারেজের জন্য সংগঠনের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানানো হয় মোশারফ হোসেন রিপন সহ সকল সাংবাদিকবৃন্দদের।
ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের ফলপ্রসূ মতবিনিময়
প্রকাশিত :
১৯:৫৩, ১২ জুলাই ২০২৬ সর্বশেষ আপডেট: ২১:১৩, ১২ জুলাই ২০২৬
লন্ডন: যুক্তরাজ্য সফররত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম-এর সঙ্গে শনিবার ১১ই জুলাই ২০২৬, সেন্ট্রাল লন্ডনের হিলটন হোটেলে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে (DUAUK)-এর একটি প্রতিনিধিদল সৌহার্দ্যপূর্ণ ও ফলপ্রসূ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন।
প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী এবং সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান (এমকিউ হাসান)। তাঁদের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, নির্বাহী সদস্য ও সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ড. কামরুল হাসান এবং সাধারণ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুব। প্রতিনিধিদলের পক্ষ থেকে মাননীয় উপাচার্যকে ফুলের তোড়া দিয়ে স্বাগত জানানো হয়। উপাচার্য আন্তরিকভাবে শুভেচ্ছা গ্রহণ করেন।
অধ্যাপক ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম বর্তমানে অ্যাসোসিয়েশন অব কমনওয়েলথ ইউনিভার্সিটিজ (ACU)-এর কাউন্সিল সভায় অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্য সফর করছেন।
বৈঠকে প্রতিনিধিদল সংগঠনের পরিচিতি তুলে ধরে এর লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ও চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে উপাচার্যকে অবহিত করেন। সভাপতি সিরাজুল বাছিত চৌধুরী জানান, ২০১৭ সালে প্রতিষ্ঠিত ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে যুক্তরাজ্যে বসবাসরত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক আবাসিক স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থীদের একটি সংগঠন।
সভাপতি উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ও আর্থিকভাবে অস্বচ্ছল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান, শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সেমিনার, বাংলাদেশের জাতীয় দিবস পালন, মহান অমর একুশে, স্বাধীনতা দিবস, বিজয় দিবস, অ্যালামনাই পুনর্মিলনী, শিক্ষা ও বিনোদনমূলক বিদেশ ভ্রমণ, ঈদ পুনর্মিলনী, ইফতার ও দোয়া মাহফিল, মানবিক ও দাতব্য কার্যক্রম, বার্ষিক শিক্ষা সফর, বাংলা নববর্ষ, ফিলিস্তিনের গাজাসহ বিভিন্ন মানবিক সহায়তার জন্য তহবিল সংগ্রহ এবং অসুস্থ ও আর্থিক সংকটে থাকা প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সহায়তাসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। ভবিষতে আরো অধিক সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করার পরিকল্পনা কথাও উল্লেখ করেন বাছিত চৌধুরী।
উপাচার্য ড. এ. বি. এম. ওবায়দুল ইসলাম সংগঠনের সদস্যদের আন্তরিক প্রচেষ্টা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতি তাঁদের অব্যাহত অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি বিশেষভাবে স্কলারশিপ কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, এটি মেধাবী ও সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ।
মাননীয় উপাচার্য যুক্তরাজ্য প্রবাসী অ্যালামনাই সদস্যদের বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা তহবিল (Research Fund)-এ সহযোগিতার আহ্বান জানান এবং বলেন, মানসম্মত গবেষণার জন্য অধিকতর আর্থিক বিনিয়োগ ও পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন। পাশাপাশি তিনি স্টুডেন্টস অ্যান্ড টিচার্স কেয়ার ফান্ড-এ ভবিষ্যতে সহযোগিতার বিষয়টিও বিবেচনার আহ্বান জানান, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে।
উপাচার্য তাঁর সময়সূচির সঙ্গে সামঞ্জস্য সাপেক্ষে জানুয়ারি ২০২৭-এ অনুষ্ঠিতব্য পরবর্তী স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে সহযোগিতা করার সদয় সম্মতি জানান।
আলোচনায় সংগঠনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও যুক্তরাজ্য অ্যালামনাই সংগঠনের দীর্ঘদিনের সম্পর্কের কথা উল্লেখ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের কল্যাণে এই প্রাতিষ্ঠানিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সংগঠনের অন্যতম প্রধান উদ্যোগ ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে স্কলারশিপ ট্রাস্ট ফান্ড’ সম্পর্কে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় একটি তহবিলের মাধ্যমে মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে এই ট্রাস্ট ফান্ডে প্রায় ২১ লাখ টাকা সংরক্ষিত রয়েছে।
নির্বাহী সদস্য ড. কামরুল হাসান প্রবাসী প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সাথে সম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় ও বিদেশে অবস্থানরত গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে একাডেমিক সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরির বিষয়ে উপাচার্যের সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে ব্যারিস্টার মাহবুব উপাচার্যকে সময় দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করার সুযোগ দেওয়ার জন্য আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে প্রবাসী অ্যালামনাইদের অব্যাহত সহযোগিতার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান উপাচার্যকে ২০২৪–২০২৫ শিক্ষাবর্ষের স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠান সম্পর্কে আরো বিস্তারিত অবহিত করে বলেন, তিনি জানান, প্রতি বছরের ন্যায় ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ উদ্যোগে ৫ই জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এই অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮৩টি বিভাগ ও ৬টি ইনস্টিটিউটের ১১৬ জন মেধাবী ও আর্থিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। প্রত্যেক শিক্ষার্থী ১২,০০০ টাকা করে বৃত্তি লাভ করেন এবং সর্বমোট ১৩,৯২,০০০ টাকা (প্রায় ১৩.৯২ লাখ টাকা) বৃত্তি বিতরণ করা হয়।
অনুষ্ঠানে তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় কোষাধ্যক্ষ ও ট্রাস্ট ফান্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান আরও জানান, যুক্তরাজ্য অ্যালামনাইয়ের সদস্যরা ভবিষ্যতে আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীকে বৃত্তির আওতায় আনতে স্কলারশিপ ট্রাস্ট ফান্ডে অধিকতর অবদান রাখার ব্যাপারে আগ্রহী।
স্কলারশিপ প্রদান অনুষ্ঠানে ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে ট্রাস্ট ফান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেন সাধারন সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান সংগে ছিলেন ব্যারিস্টার মুহাম্মদ আবুল কালাম, মির্জা আসাব বেগ এবং ইসমাইল হোসেন, সহযোগী অধ্যাপক আজিজউদ্দিন, আহসান কবির খান, মুহাম্মদ রফিক আহমেদ, আফসারুন হোসেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তাবৃন্দ এবং অন্যান্য বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ।
সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মো. কামরুল হাসান আশা প্রকাশ করেন যে, ঢাকা ইউনিভার্সিটি অ্যালামনাই ইন দ্য ইউকে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থী কল্যাণ, গবেষণা, বৃত্তি কার্যক্রম, শিক্ষক সহায়তা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে একযোগে কাজ করে যাবে। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংগঠনের দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্ব আরও সুদৃঢ় করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকের শেষে উপাচার্য এবং উপস্থিত নেতৃবৃন্দ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং যুক্তরাজ্যপ্রবাসী অ্যালামনাইদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে শিক্ষার উৎকর্ষ সাধন, শিক্ষার্থীদের কল্যাণ, গবেষণা, বৃত্তি কার্যক্রম এবং অ্যালামনাই সম্পৃক্ততা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ভবিষ্যতেও ঘনিষ্ঠভাবে একসঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।