img

প্লট দুর্নীতি: জয় ও পুতুলের কারাদণ্ড ৫ বছর করে

প্রকাশিত :  ০৭:০৮, ২৭ নভেম্বর ২০২৫

প্লট দুর্নীতি: জয় ও পুতুলের কারাদণ্ড ৫ বছর করে

ঢাকার পূর্বাচলে ১০ কাঠা প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির তিন মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া সজীব ওয়াজেদ জয়ের ৫ বছর এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার ঢাকার পঞ্চম বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন এ রায় দেন।

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ৩০ কাঠা সরকারি জমি বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল বিরুদ্ধে দুদক পৃথক তিনটি মামলা দায়ের করে। 

এ তিন মামলায় মোট ৪৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। তিন মামলার আসামি শেখ হাসিনা। জয় ও পুতুল পৃথক এক মামলার আসামি।

মামলায় সজীব ওয়াজেদ জয়ের পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে জয়ের এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

অপর মামলায় সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের ৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত

এই তিন মামলায় শুরু থেকে শেখ হাসিনা, তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল পলাতক রয়েছেন। তবে রাজউক-এর সাবেক সদস্য খুরশীদ আলম কারাগারে রয়েছেন। 

এর আগে, ২৩ নভেম্বর ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন রাষ্ট্র ও আসামি পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে এই তিন মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আজ ২৭ নভেম্বর দিন ধার্য করেন।  

ক্ষমতার অপব্যবহার করে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে ১০ কাঠার সরকারি প্লট বরাদ্দ নেওয়ার অভিযোগে ১৪ জানুয়ারি সজীব ওয়াজেদ জয় ও শেখ হাসিনাসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় মামলাটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ আরো দু’জনসহ মোট ১৭ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা দুদকের সহকারি পরিচালক এস এম রাশেদুল হাসান।

এছাড়াও রাজধানীর পূর্বাচলে ১০ কাঠার প্লট জালিয়াতির ঘটনায় গত ১২ জানুয়ারি দুদকের সহকারী পরিচালক আফনান জান্নাত কেয়া বাদি হয়ে শেখ হাসিনা ও পুতুলসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে তৃতীয় মামলাটি করেন। তদন্ত শেষে গত ১০ মার্চ শেখ হাসিনা ও পুতুলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কেয়া।

কমিউনিটি এর আরও খবর

img

বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম

প্রকাশিত :  ১৫:৫৮, ২৫ জুলাই ২০২৬

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার কৃতি সন্তান, সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক দুইবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এবং বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম যুক্তরাজ্যের ঐতিহ্যবাহী দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

গত ২৩ জুলাই লন্ডনের ঐতিহ্যবাহী দ্য অনারেবল সোসাইটি অব লিংকনস ইন-এ আনুষ্ঠানিকভাবে  অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিমকে বার-অ্যাট-ল হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। লিংকনস ইন কর্তৃক প্রদত্ত ‘সার্টিফিকেট অব কল’ অনুযায়ী, তিনি ২৪ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে প্রতিষ্ঠানটির সদস্য (Member of Lincoln’s Inn) হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হন এবং ২৩ জুলাই ২০২৬ তারিখে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কলড টু দ্য বার’ (Called to the Bar) হন।

অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম কমলগঞ্জ উপজেলার শংকরপুর (বড়বাড়ী) গ্রামের বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. শামসুল হকের পুত্র। পাঁচ ভাই ও তিন বোনের মধ্যে তিনি পঞ্চম। তিনি ১৯৯৬ সালে সিলেট ল কলেজ থেকে এলএলবি ডিগ্রি অর্জন করেন এবং পরবর্তীতে ঢাকার একটি স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলএম সম্পন্ন করেন।

পেশাগত জীবনে তিনি সিলেট জেলা আইনজীবী সমিতির দুইবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জনের পর প্রতিক্রিয়ায় অ্যাডভোকেট ফজলুল হক সেলিম বলেন, “লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন আমার জীবনের একটি গৌরবময় মাইলফলক। মহান আল্লাহর অশেষ রহমত, আমার বাবা-মা, শিক্ষক, সহকর্মী ও শুভানুধ্যায়ীদের দোয়া ও সহযোগিতার ফলেই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। আমি সবার কাছে দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি, যেন আইন পেশায় সততা, নিষ্ঠা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে পারি।

কমিউনিটি এর আরও খবর