img

নতি স্বীকার না করলে নৌ-অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে কোনঠাসার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

প্রকাশিত :  ১০:৪৭, ১২ এপ্রিল ২০২৬

নতি স্বীকার না করলে নৌ-অবরোধের মাধ্যমে ইরানকে কোনঠাসার ইঙ্গিত ট্রাম্পের

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা ভেস্তে যাওয়ার বিষয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি। তবে তিনি তার নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ একটি নিবন্ধের লিঙ্ক শেয়ার করেছেন।

ট্রাম্পের শেয়ার করা নিবন্ধের শিরোনাম, ‘ইরান নতি স্বীকার না করলে প্রেসিডেন্টের হাতে থাকা ট্রাম্প কার্ড: নৌ-অবরোধ’।

প্রবীণ মার্কিন সাংবাদিক জন সলোমনের লেখা নিবন্ধটি তাঁর রক্ষণশীল ওয়েবসাইট ‘জাস্ট দ্য নিউজ’-এ প্রকাশিত হয়েছে। নিবন্ধে বিশেষজ্ঞদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, ইরান যদি হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ না ছাড়ে, তবে ট্রাম্প পাল্টা বড় ধরনের নৌ-অবরোধের মাধ্যমে (হরমুজ প্রণালিতে) দেশটিকে কোণঠাসা করে ফেলতে পারেন।

লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েলের ইয়ারুন নামের একটি অবৈধ বসতিতে ইসরায়েলি সেনাদের ওপর ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে।

সংগঠনটি তাদের টেলিগ্রাম চ্যানেলে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘আমাদের দেশ ও জনগণের ওপর ইসরায়েলি-মার্কিন আগ্রাসন বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত এ প্রতিরোধ অব্যাহত থাকবে।’

সূত্র: আল–জাজিরা

আন্তর্জাতিক এর আরও খবর

img

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধারে ‘দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া’ প্রয়োজন হবে: ট্রাম্প

প্রকাশিত :  ০৬:৫৬, ২১ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধারে একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া যুক্তরাষ্ট্রকে অনুসরণ করতে হবে বলে মনে করেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। ২০২৫ সালের জুন মাসে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ নামে যে সামরিক অভিযান পরিচালনা করেছিল যুক্তরাষ্ট্র— সে কারণেই এই ইউরেনিয়াম পুনরুদ্ধার কঠিন হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

“অপারেশন মিডনাইট হ্যামার পরিচালনা করার সময় ইরানের নিউক্লিয়ার ডাস্ট (ইউরেনিয়াম) সংশ্লিষ্ট স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস করে দিয়েছিল। এ কারণে এই নিউক্লিয়ার ডাস্ট খুঁড়ে বের করতে হলে বা পুনরুদ্ধার করতে হলে আমদের একটি দীর্ঘ ও কঠিন প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে”, গতকাল সোমবার হোয়াইটস হাউসে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে এ কথা বলেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

২০২৫ সালের ৬ জুন জাতিসংঘের পরমাণু প্রকল্প পর্যবেক্ষণ পরিষদ আইএইএ এক বিবৃতিতে জানায়, ইরানের কাছে ৪০০ কেজি ইউরেনিয়াম আছে এবং এই ইউরেনিয়াম ৬০ শতাংশ পরিশুদ্ধ (এনরিচড)। যদি বিশুদ্ধতার মান ৯০ শতাংশে উন্নীত করা যায়, তাহলে এ ইউরেনিয়াম দিয়ে একের পর পরমাণু বোমা বানাতে পারবে ইরান।

আইএইএ-এর বিবৃতির ৬ দিন পর ইরানের পরমাণু স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ শুরু করে ইসরায়েল। এই সেনা অভিযান শুরুর কয়েক দিন পর ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্রও।

১২দিন ধরে চলা ‘অপারেশন রোয়ারিং লায়ন’ এবং ‘অপারেশন মিডনাইট হ্যামার’-এর জেরে ইরানের পরমাণু প্রকল্প সংগ্রান্ত স্থাপনাগুলো প্রায় ধ্বংস হয়ে যায়, কিন্তু দেশটির পরমাণু মজুতের নাগাল পায়নি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানে যে সামরিক অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল— সেটিরও প্রধান লক্ষ্য ইরানের ইউরেনিয়াম হস্তগত করা।

সূত্র : এএফপি, আনাদোলু এজেন্সি