img

হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত :  ০৮:২৪, ১৩ মে ২০২৬

হামের টিকা না পাওয়া শিশুদের খুঁজে বের করে টিকা দেব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, বকুল হাম মোকাবিলায় সরকারের মনোযোগ এখন টিকা ও চিকিৎসা কার্যক্রমের দিকে। তিনি বলেন, আমরা হামের টিকা দিচ্ছি। টিকার ওপরে কোনো চিকিৎসা নেই। টিকা নেয়নি এমন শিশুদের আমরা খুঁজে বের করে টিকা দেব।

আজ বুধবার (১৩ মে) সকালে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সভায় তিনি এ কথা বলেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ‘আমরা এখন মাইকিং কার্যক্রম করছি। যেসব এলাকায় টিকা পায়নি, তাদেরকে ডেকে এনে টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করব। টিকা দেওয়ার পর অ্যান্টিবডি তৈরি হতে সময় লাগে, আমাদের সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। অনেক ভুল তথ্য পত্রিকায় আসছে।’

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘হাম মোকাবিলায় আমাদের পক্ষ থেকে কোনো ঘাটতি নেই। আইসিইউ রয়েছে এবং ডাক্তাররা সচেষ্ট রয়েছেন। আমরা চেষ্টা করছি। সবার সহযোগিতা চাই।’

হামের টিকার সংকটের তদন্ত করা হবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তদন্ত করব না এমন কোনো কথা আমি বলি নাই। এখন একটা সংকট চলছে। সংকট শেষ হওয়ার পর সরকারের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত হবে। আমরা সেদিকে নজর দেব। এখন যদি আমরা বিচার করার মনোযোগ দেই, তাহলে সংকট আরও বেড়ে যেতে পারে। আমাদের মনোযোগ এখন টিকা ও চিকিৎিসা কার্যক্রমের দিকে।’

ডেঙ্গু প্রসঙ্গে সাখাওয়াত বকুল বলেন, ডেঙ্গুর কোনো টিকা নেই। সবাইকে সহযোগিতা করতে হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সবার সহযোগিতা চাই। ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার-পরিচ্ছন্নতা জরুরি এবং থাকতে হবে। ডেঙ্গুর চিকিৎসায় মোবাইল হাসপাতালও করে রেখেছি। যদি রোগী বেশি চাপ হয়ে যায়, একটা রোগীকেও যেন বাহিরে থাকতে না হয়। আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে।

সভায় স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়কে তিন লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন অনুদান হিসেবে প্রদান করেছে চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। এসময় চীনা দূতাবাসের উর্ধতন কর্মকর্তারা ও সিনোভ্যাক বায়োটেক লিমিটেডের উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বাংলাদেশ এর আরও খবর

img

দেশের পাঁচ জেলায় বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা, নদীবন্দরে সতর্কতা

প্রকাশিত :  ০৬:১৫, ১১ মে ২০২৬

ঢাকাসহ দেশের পাঁচ উপকূলীয় জেলার ওপর দিয়ে আজ দুপুরের মধ্যে অস্থায়ী দমকা ও ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। 

এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর পুনঃ সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

আজ সোমবার (১১ মে) ভোর ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া বিশেষ আবহাওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আজ সকালের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়, আজ সোমবার ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম কিংবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ী দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ সময় বৃষ্টি কিংবা বজ্রবৃষ্টিও হতে পারে।

এছাড়াও অপর পূর্বাভাসে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পশ্চিমা লঘুচাপের বর্ধিতাংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। একই সঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও আশপাশের এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে বলেও আভাস দেওয়া হয়েছে।

এদিকে ১২০ ঘণ্টার পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে দফায় দফায় বৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। প্রথম দিনের পূর্বাভাস অনুযায়ী, রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, বৃষ্টির প্রভাবে সারা দেশে দিনের ও রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে। তবে পরদিন থেকে আবার তাপমাত্রা কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।